1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
বন্দরের সব অর্থ সরকারি ব্যাংকে রাখার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বন্দরের সব অর্থ সরকারি ব্যাংকে রাখার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির সমবায় আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির রমজানে ১১ পণ্যের এলসি খোলা সহজ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন এসেছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু গাড়ির ধোঁয়া ও নির্মাণের ধুলায় বিষাক্ত হচ্ছে ঢাকার বাতাস পোলট্রিতে সৌরশক্তির সম্ভাবনা, লাভ ও বাস্তব চ্যালেঞ্জ আমন ধান ৩৫ এবং চাল ৪৯ টাকায় সংগ্রহ করবে সরকার পার্বত্য অঞ্চলে কফি ও কাজুবাদাম চাষের অপার সম্ভাবনা রয়েছে: সাচিং প্রু পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১৫ টাকা লবণাক্ততা-সহনশীল উচ্চফলনশীল ধানের নতুন জাত ‘ব্রি ধান ১১৯’

বন্দরের সব অর্থ সরকারি ব্যাংকে রাখার সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত

আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে ওভার-ইনভয়েসিং ও আন্ডার-ইনভয়েসিং প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ই-বিলিং ও ই-পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শুল্ক পরিশোধ এবং দ্রুততম সময়ে পণ্য খালাসের ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

এর মাধ্যমে বন্দরসেবা আরও সহজ, স্বচ্ছ ও গতিশীল করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বন্দর কর্তৃপক্ষের সব অর্থ সরকারি ব্যাংকে জমা রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত কমিটির বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়।

রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক এবং মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ২০২০-২১ অর্থবছরের হিসাবসংক্রান্ত কমপ্লায়েন্স অডিট রিপোর্ট (রিপোর্ট নং-২৮/২০২৩) এবং মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হিসাবসংক্রান্ত কমপ্লায়েন্স অডিট রিপোর্ট (রিপোর্ট নং-২১/২০২২) নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এ ছাড়া নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীন চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন অডিট আপত্তির মধ্যে আদায়, সমন্বয়, অবলোপন, প্রমার্জন, নিয়মিতকরণ, ভূতাপেক্ষ অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য অপেক্ষমাণ আপত্তিগুলো পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা আপত্তি এবং কমিটির পূর্ববর্তী বৈঠকের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে বিগত সরকারের আমলে সংঘটিত আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। সরকারি অর্থের অপচয় ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কেউই যেন দায়মুক্তি না পান, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারের আমলেও কোনো ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়ম বরদাশত করা হবে না- এ মর্মে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি কঠোর বার্তা দেওয়া হয়।

বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকে, বিশেষ করে সমস্যাগ্রস্ত ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে বন্দর কর্তৃপক্ষের এফডিআর বিনিয়োগ, মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও অর্থ উত্তোলন না করা এবং নীতিমালাবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত অর্থ বিনিয়োগের বিষয়ে বৈঠকে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর সঙ্গে কার্যকর আলোচনা, প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে কমিটিকে অবহিত করার সুপারিশ করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বন্দর কর্তৃপক্ষের সব অর্থ সরকারি ব্যাংকে জমা রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলামযোগ্য কনটেইনার ও যানবাহনসংক্রান্ত সমস্যা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তির সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া খালি কনটেইনারের নামে বন্দর থেকে মালবাহী কনটেইনার বের করে নেওয়া এবং বন্দর থেকে কনটেইনার চুরির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ বিষয়ে আগামী বৈঠকে কমিটিকে অবহিত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

মোংলা, পায়রা ও চট্টগ্রাম বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রম, নির্ধারিত ড্রাফট ও নাব্য অর্জন, কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ এবং এসব প্রকল্পে ব্যয়িত অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা করা হয়। এ ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অনিয়ম চিহ্নিত করা এবং সংশ্লিষ্ট অডিট আপত্তি নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

অডিট আপত্তিতে উত্থাপিত বন্দর কর্তৃপক্ষের তহবিল থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিশেষ উৎসাহ বোনাস প্রদানের বিষয়টিও বৈঠকে আলোচনায় আসে। এ ধরনের আর্থিক অনিয়ম ও সরকারি অর্থের অপচয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে কমিটি।

বৈঠকে হিসাব মহানিয়ন্ত্রক (সিজিএ), নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সচিব, বন্দরের চেয়ারম্যান ও কমিশনারসহ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park