1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
হালুয়াঘাট-ধোবাউড়ায় ৬১৫০টি মাছের খামার ডুবে ক্ষতি ৫৭ কোটি টাকা - কৃষি সংবাদ
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ভ্যাকসিন উৎপাদনে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার তাগিদ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শ্রমিক বিক্ষোভে রণক্ষেত্র সাভার, ওসির গাড়িতে আগুন ডিসেম্বরেই পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ, কার্যকর জানুয়ারিতে ফল, গরুর মাংস ও পোল্ট্রিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দেশব্যাপী অভিযান রাজস্ব বৃদ্ধিতে চিংড়ি মহাল পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত পদ্মা-যমুনায় দ্বিতীয় সেতু ও ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা ব্যারাজ, পদ্মা ও যমুনা দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত লাখ টাকার ঘুষসহ লালবাগের সার্ভেয়ার আটক ৪ দিন গ্যাস বন্ধের খবরটি গুজব: পেট্রোবাংলা

হালুয়াঘাট-ধোবাউড়ায় ৬১৫০টি মাছের খামার ডুবে ক্ষতি ৫৭ কোটি টাকা

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৩৬ বার পঠিত

ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি:

ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী উপজেলা হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়ায় বন্যায় প্রায় ৫৭ কোটি টাকার মাছ ও পোনা ভেসে গেছে। এতে দুই উপজেলায় ছয় হাজার ৮৭৫ জন খামারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ক্ষতি কীভাবে পুষিয়ে নেবেন- এ নিয়ে চিন্তিত তারা।

জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্যমতে, হঠাৎ বন্যায় হালুয়াঘাট উপজেলার ৬১৫০টি মাছের খামার সম্পূর্ণভাবে পানিতে ডুবে যায়। এখানে চার হাজার ২০ জন খামারির ১১২০ মেট্রিক টন মাছ ও ৫০ মেট্রিক টন পোনা পানিতে ভেসে গেছে। ফলে ২২ কোটি টাকার মাছ ও ৭৫ লাখ টাকার পোনার ক্ষতি হয়েছে।

অন্যদিকে, ধোবাউড়া উপজেলার ৪২৯৬টি মাছের খামার সম্পূর্ণভাবে পানিতে ডুবে যায়। এখানে দুই হাজার ৮৫০ জন খামারির ২১৪৫ মেট্রিক টন মাছ ও ১২ মেট্রিক টন পোনা পানিতে ভেসে গেছে। এর ফলে ৩২ কোটি ১৮ লাখ টাকার মাছ ও ৫০ লাখ টাকার পোনার হয়েছে।

ধোবাউড়ার পোড়াকান্দুলিয়া গ্রামের মাছের খামারি কামরুল ইসলাম জানান, গত ১২ বছর ধরে খামারে দেশীয় মাছের চাষ করে আসছেন। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে খামারের পুকুর ডুবে যাওয়ার উপক্রম হয়ে পড়ে। শুক্রবার মধ্যরাতের পর তলিয়ে গিয়ে চাষের সমস্ত মাছ ভেসে গেছে। এর ফলে প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ চলে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

তিনি আরও বলেন, মাছ চাষ করতে গিয়ে সরকারি দুটি ব্যাংক থেকে ৩০ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছি। মাছ বিক্রি করে কিস্তি পরিশোধ করার কথা ছিল। এভাবে হঠাৎ বন্যায় সব পুকুর তলিয়ে গিয়ে মাছ ভেসে যাবে- এটা কল্পনাও করতে পারিনি। এখন ব্যাংকের ঋণ কীভাবে পরিশোধ করবো, আর বন্যার পর কীভাবে খামারে মাছ চাষ আবারও শুরু করবো এই নিয়ে চিন্তায় এখন আর ঘুম আসে না।

ধোবাউড়ার ঘোষগাঁও গ্রামের মাছ চাষি আকরাম হোসেন জানান, এভাবে বন্যা হবে এটা কারও ধারণার মধ্যেই ছিল না। বন্যা থেকে রক্ষা পেতে আগাম প্রস্তুতি আমাদের মাছ চাষিদের নেওয়া ছিল না। এ কারণে বন্যায় আমাদের মাছ চাষিদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।

তিনি আরও জানান, অধিকাংশ মাছ চাষি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে মাছের চাষ করে আসছেন। এখন কীভাবে তারা ঋণ পরিশোধ করবে এটা কেউ ভেবে পাচ্ছে না।

হালুয়াঘাটের নড়াইল গ্রামের মাছ চাষি আব্দুল্লাহ জানান, মাছ চাষিদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সহজ শর্তে ব্যাংক থেকে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা খুবই জরুরি। এর পাশাপাশি সরকারি ব্যবস্থাপনায় মৎস্য অধিদফতরের মাধ্যমে প্রণোদনা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলে চাষিরা কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন।

ময়মনসিংহ জেলা মৎস্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক নাজিম উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বন্যাকবলিত এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত মাছ চাষিদের তালিকা নির্ণয়ের কাজ চলছে। তালিকা নির্ণয় শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park