1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
রিক্রুটিং এজেন্সির হাতিয়ে নেওয়া ২০ হাজার কোটি টাকায় সম্পৃক্ত সাবেক অর্থমন্ত্রী কামাল - কৃষি সংবাদ
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অভিযান, ৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা জরিমানা ৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ভ্যাকসিন উৎপাদনে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার তাগিদ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শ্রমিক বিক্ষোভে রণক্ষেত্র সাভার, ওসির গাড়িতে আগুন ডিসেম্বরেই পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ, কার্যকর জানুয়ারিতে ফল, গরুর মাংস ও পোল্ট্রিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দেশব্যাপী অভিযান রাজস্ব বৃদ্ধিতে চিংড়ি মহাল পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত পদ্মা-যমুনায় দ্বিতীয় সেতু ও ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা ব্যারাজ, পদ্মা ও যমুনা দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত লাখ টাকার ঘুষসহ লালবাগের সার্ভেয়ার আটক

রিক্রুটিং এজেন্সির হাতিয়ে নেওয়া ২০ হাজার কোটি টাকায় সম্পৃক্ত সাবেক অর্থমন্ত্রী কামাল

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৬১ বার পঠিত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক:

সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও তার পরিবারের নামে ১১১ কোটি ৬৩ লাখ টাকার বেশি সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়াও সম্প্রতি মালয়শিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে রিক্রুটিং এজেন্সির হাতিয়ে নেয়া ২০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতে সাবেক অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামালের সম্পৃক্তার তথ্য পেয়েছে দুদক।

মোস্তফা কামাল ও তার পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানেই গচ্ছিতের প্রমাণ মিলেছে প্রায় ৬০ কোটি টাকা। স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের দালিলিক মূল্য শত কোটি টাকার মতো হলে বাস্তবে ওই সম্পদের মূল্য হবে অন্তত ৫০০ কোটি টাকা। দুদকের অনুসন্ধানে র অধিকাংশের প্রমাণ পাওয়া গেলেও বৈধ উৎস নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে।

অনুসন্ধানে এরই মধ্যে মুস্তফা কামাল, তার স্ত্রী কাশমেরী কামাল ও সন্তানদের নামে বাংলাদেশ ব্যাংক, ও সরকারি বেসরকারি ব্যাংকসহ শতাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন, রাজউক,ঢাকা ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন, গণপূর্ত অধিদপ্তর,রেজিস্টার অফিস ও ভূমি অফিসসহ আরো বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে খ্রিস্টদের নদীপত্র তলব করে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, গোয়েন্দা তথ্যানুসন্ধানে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর কমিশন প্রকাশ্যে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর আগেও সাবেক অর্থমন্ত্রীসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিদেশে কর্মী পাঠানোর দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। এবারে ওই অভিযোগ যোগ হয়েছে, যার অধিকাংশের গোয়েন্দা সত্যতা মিলেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দুদকের গোয়েন্দা অনুসন্ধানে
সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফার নামে ঢাকার জোয়ারশাহারা, বাড্ডা, ঢাকার উত্তরা ও কুমিল্লায় জমি,বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা, শেয়ারে বিনিয়োগ এবং সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ ২০ কোচি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ২০৬ টাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া লোটাস কামাল প্রপার্টিজ, অরবিটাল এন্টারপ্রাইজসহ বিভিন্ন কোম্পানীতে বিনিয়োগ, তার স্ত্রী কাশমেরী কামালের নামে কুমিল্লা, গুলশান ও বাড্ডাসহ বিভিন্ন জায়গায় জমি, প্লট ও ফ্ল্যাট রয়েছে।
স্ত্রী কাশমেরী কামালেরনামে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা, শেয়ারে বিনিয়োগ এবং সঞ্চয়পত্রে আরও ৩৮ কোটি ৮৭ লাখ ৭৮ হাজার ৫০৬ টাকা, তার স্ত্রীর নামে লোটাস কামাল প্রোপাটিজ এবং সৌদি বাংলাদেশ কন্ট্রাকটিং কোং লিমিটেডসহ বিভিন্ন কোম্পানীতে ২০ কোটি ৯১ লাখ ১০ হাজার ৯৭২ টাকার বিনিয়োগ, তার নামে ৩ টি গাড়ির সন্ধান মিলেছে। সম্পদের বাইরেও তার দেশে-বিদেশে শত শত কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে বলেও প্রাথমিক তথ্য রয়েছে।

অন্যদিকে সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও তার পরিবার, সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদউদ্দিন চৌধুরী ও সাবেক সংসদ সদস্য বেনজীর আহমেদের প্রতিষ্ঠান আহমেদের নেতৃত্বাধীন একটি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে মালয়শিয়ায় কর্মী পাঠানো নামে সরকার নির্ধারিত অতিরিক্ত ফি বাবদ প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। চক্রটি চাকরির ভুয়া প্রতিশ্রুতি দিয়ে শ্রমিকদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে যার সঙ্গে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।

মাত্র দেড় বছরে তাদের মালিকানাধীন রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সাড়ে ৪ লাখের মতো লোক পাঠিয়ে ওই টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে ওই সময়ে ২৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হলেও অতিরিক্ত ফি হিসাবেই প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হয়। এতো শ্রমিক পাঠালেও অনেকেই কাজ করার অনুমতি না পাওয়ায় ফেরত আসতে হয়েছে। এমন অনিয়মসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দুদকের উপপরিচালক নুরুল হুদার নেতৃত্ব তিন সদস্যের অনুসন্ধান টিম কাজ করছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park