1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
কুয়েতে উপহারের রুপচাঁদা ও চিংড়ির ক্রেতা পাওয়া যায়নি, ফের হবে নিলাম - কৃষি সংবাদ
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ভ্যাকসিন উৎপাদনে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার তাগিদ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শ্রমিক বিক্ষোভে রণক্ষেত্র সাভার, ওসির গাড়িতে আগুন ডিসেম্বরেই পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ, কার্যকর জানুয়ারিতে ফল, গরুর মাংস ও পোল্ট্রিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দেশব্যাপী অভিযান রাজস্ব বৃদ্ধিতে চিংড়ি মহাল পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত পদ্মা-যমুনায় দ্বিতীয় সেতু ও ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা ব্যারাজ, পদ্মা ও যমুনা দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত লাখ টাকার ঘুষসহ লালবাগের সার্ভেয়ার আটক ৪ দিন গ্যাস বন্ধের খবরটি গুজব: পেট্রোবাংলা

কুয়েতে উপহারের রুপচাঁদা ও চিংড়ির ক্রেতা পাওয়া যায়নি, ফের হবে নিলাম

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮৪ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক:

কুয়েত সরকারকে উপহার হিসেবে পাঠানোর জন্য গত এপ্রিল মাসে রুপচাঁদা, গলদা ও বাগদা চিংড়ি মাছ কিনেছিল সরকার। সব মিলিয়ে এর পরিমাণ ছিল ২০ টন। কিন্তু ফ্লাইট-সংক্রান্ত জটিলতায় সেই উপহারের মাছের চালান কুয়েতে যায়নি। মাছ বিক্রির জন্য দুবার নিলাম ডেকেও সব মাছের ক্রেতা পাওয়া যায়নি। এখন তৃতীয়বারের মতো নিলাম ডেকেছে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

উপহারের মাছের মধ্যে ১০ টন গলদা চিংড়ি, ৫ টন রুপচাঁদা ও ৫ টন বাগদা চিংড়ি ছিল। এর মধ্যে একটি নিলামে খুলনার একটি প্রতিষ্ঠান ৫ টন বাগদা চিংড়ি কিনে নেয়। এখনো রয়ে গেছে ১০ টন গলদা চিংড়ি ও ৫ টন রুপচাঁদা।

উপহারের জন্য মাছ কেনার পর কুয়েতে পাঠানোর জন্য পাঁচ মাস অপেক্ষা করে গত ১৮ আগস্ট মাছ বিক্রির জন্য প্রথম নিলামের দরপত্র আহ্বান করে টিসিবি। তখন ৫ টন বাগদা চিংড়ি বিক্রি হয়।

টিসিবি বাকি ১৫ টন মাছ বিক্রি করতে দ্বিতীয়বার নিলাম ডাকে চলতি মাসে। অংশ নেওয়ার জন্য মেয়াদ ছিল ১৫ সেপ্টেম্বর। কিন্তু এ দফায় সাড়া পায়নি টিসিবি। ২৩ সেপ্টেম্বর সংস্থাটি একই কারণে তৃতীয়বার নিলাম ডাকে। এবারের নিলামে অংশ নেওয়া যাবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত খুলনার বটিয়াঘাটার ভান্ডারকোটে জিটিএস সি-ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রসেসিং প্ল্যান্টে চাইলে কেউ মাছ দেখতে পারবেন। মাছ দেখে দর প্রস্তাব দেওয়ার কথা বলেছে টিসিবি।

ঢাকায় টিসিবির প্রধান কার্যালয় এবং খুলনা ও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক কার্যালয়ে দরপত্র জমা দেওয়া যাবে। আগ্রহী ক্রেতারা ন্যূনতম ৫০০ কেজির জন্য দর প্রস্তাব করতে পারবেন। গলদা চিংড়ি ও রুপচাঁদার জন্য পৃথকভাবে দর প্রস্তাব ও জামানত দিতে হবে।

টিসিবি সূত্রে জানা গেছে, এ বছরের শুরুতে উপহার হিসেবে চাল, মাছসহ কিছু পণ্য কুয়েত সরকারকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে কুয়েত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তখন কুয়েত সরকার জানায়, নিজেদের নিয়মিত ফ্লাইটে তারা উপহারের পণ্য নিয়ে যাবে। গত এপ্রিল মাসে এই উপহারসামগ্রী নেওয়ার কথা ছিল; কিন্তু চাল নিলেও মাছ নেয়নি কুয়েত সরকার। সূত্রগুলো বলছে, মাছ পচনশীল পণ্য হওয়ায় বাণিজ্যিক ফ্লাইটে নিতে আগ্রহী ছিল না কুয়েত সরকার।

প্রথম দুবারের মতো তৃতীয়বারও শর্ত দেওয়া হয়, নিলামে অংশগ্রহণকারীদের কমপক্ষে ৫০০ কেজি মাছ নিতে হবে। আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিজ প্যাডে মাছের ধরন, পরিমাণ, প্রতি কেজি দর, মুঠোফোন নম্বর, ই-মেইল ঠিকানার পাশাপাশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দিতে হবে। ঢাকার প্রধান কার্যালয়, চট্টগ্রাম ও খুলনা কার্যালয়ে নিলামের কাগজপত্র জমা দেওয়া যাবে।

দরপত্রের সঙ্গে টিসিবির অনুকূলে সর্বনিম্ন ১৫ হাজার টাকা ফেরতযোগ্য জামানত হিসেবে পে-অর্ডার জমা দিতে হবে। প্রস্তাবিত পরিমাণ ন্যূনতম সীমার বেশি হলে আনুপাতিক হারে জামানতের পরিমাণ বাড়বে। নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতাকে চূড়ান্ত ক্রেতা বাছাই করা হবে। বাছাই করা চূড়ান্ত ক্রেতার উদ্ধৃত দরের ওপর বিধি অনুযায়ী ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ আয়কর সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

নিলামে বিজয়ী হওয়ার পর তিন কর্মদিবসের মধ্যে পুরো অর্থ পরিশোধ করতে হবে। অর্থ পরিশোধের পরের তিন দিনের মধ্যে নিজ খরচে মাছ সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাছ না নিলে নিলাম বাতিল বলে গণ্য হতে পারে। অর্থ পরিশোধের পর মাছ নিতে দেরি হলে প্রতিদিনের জন্য সংরক্ষণাগারের খরচও দিতে হবে।

কেউ নির্ধারিত সময়ে অর্থ পরিশোধ করে মাছ সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে। আবার দর প্রস্তাবের সঙ্গে প্রয়োজনীয় জামানত জমা না দিলে সেই দর প্রস্তাব অগ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ বলেন, ‘নিলামে অনেকেই অংশগ্রহণ করেছেন। কিন্তু তাঁদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত দর পাইনি। এ জন্য মাছ বিক্রি করা হয়নি।’ তিনি আরও বলেন, কতবার নিলাম আহ্বান করা যাবে, এর নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। যতবার খুশি নিলাম ডাকা যাবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park