1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
বাঙ্গির আশাতীত ফলনে খুশি চাষিরা - কৃষি সংবাদ
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইউপি নির্বাচনের তালিকা যাচাইয়ে মাঠপর্যায়ে ইসির নির্দেশ সংবাদ প্রকাশের জেরে গ্রেফতারে আদালতের অনুমতি নিতে হবে, মন্ত্রিসভার কমিটিতে ঐকমত্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অভিযান, ৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা জরিমানা ৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ভ্যাকসিন উৎপাদনে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার তাগিদ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শ্রমিক বিক্ষোভে রণক্ষেত্র সাভার, ওসির গাড়িতে আগুন ডিসেম্বরেই পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ, কার্যকর জানুয়ারিতে ফল, গরুর মাংস ও পোল্ট্রিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দেশব্যাপী অভিযান রাজস্ব বৃদ্ধিতে চিংড়ি মহাল পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত পদ্মা-যমুনায় দ্বিতীয় সেতু ও ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বাঙ্গির আশাতীত ফলনে খুশি চাষিরা

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৮৫ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ :

চলতি বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাঙ্গির আশাতীত ফলন হয়েছে। এ বছর জেলার কোটালীপাড়ায় বাঙ্গির ভালো ফলন হয়েছে। এখন চলছে সংগ্রহ ও বিক্রি। এ কারণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

উপজেলার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের বুরুয়া, মাছপাড়া, হিজলবাড়ি, তেঁতুল বাড়ি, নলুয়া ও মাছপাড়া গ্রামে বিস্তীর্ণ মাঠে শুধু বাঙ্গি ক্ষেত। দেখলে শুধু চোখ নয়, মনও জুড়িয়ে যায়। এসব গ্রামের প্রধান কৃষি ফসল হলো বাঙ্গি-তরমুজ। ফরমালিনমুক্ত হওয়ায় এখানকার বাঙ্গি-তরমুজের চাহিদা রয়েছে দেশজুড়ে।

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কম খরচে লাভজনক হওয়ায় বাঙ্গি চাষে ঝুঁকেছেন তারা। এখানকার স্থানীয় কৃষকরা কম পুঁজিতে অধিক ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় প্রতি বছরই বাঙ্গির চাষ করেন।

কোটালীপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এ বছর উপজেলার ৪৩৪ হেক্টর জমিতে বাঙ্গির আবাদ হয়েছে। জেলার চাহিদা মিটিয়ে এসব বাঙ্গি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার কালিগঞ্জ বাজারে গড়ে উঠেছে বাঙ্গি-তরমুজের পাইকারি হাট। সকাল থেকেই চাষিরা তাদের বাঙ্গি তরমুজ নিয়ে হাটে আসছেন। আবার অনেকে রাস্তার পাশে সারি সারি বাঙ্গি-তরমুজ নিয়ে বসে আছেন ক্রেতার অপেক্ষায়। পাইকাররা কৃষকের উৎপাদিত বাঙ্গি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন জেলায়। প্রকার ভেদে একশ’ বাঙ্গি সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নলুয়া গ্রামের বাঙ্গি চাষি পরিমল গাঙ্গুলী বলেন, আমি এ বছর সাড়ে চার বিঘা জমিতে বাঙ্গির চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার বাঙ্গির ফলন ভালো হয়েছে। বিক্রি করে দামও ভালো পাচ্ছি। খরচও কম, দামও ভালো।

কোটালীপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দোলন রায় বলেন, ‘কোটালীপাড়া উপজেলায় এবছর ৪৩৪ হেক্টর জমিতে বাঙ্গি চাষ হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সার, বীজ ও পরামর্শ দিয়ে কৃষকদের সহযোগিতা করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাঙ্গির ফলন ভালো হয়েছে। কৃষকরা ভালো দাম পেয়ে খুশি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল কাদের সরদার বলেন, এ বছর বাঙ্গির বাম্পার ফলন হয়েছে। দামও ভালো পাচ্ছেন কৃষকরা। চাহিদা থাকায় জেলার উৎপাদিত বাঙ্গি বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে। বাঙ্গিতে শর্করা, ভিটামিন ও মিনারেল থাকায় এবং মিষ্টি কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের কাছে বাঙ্গি খুবই জনপ্রিয়।

বাঙ্গি এক ধরনের শসা জাতীয় ফল যার অন্য নাম খরমুজ, কাঁকুড় বা ফুটি। দেশের প্রায় সব এলাকাতেই গ্রীষ্মকালে বাঙ্গি জন্মে। তরমুজের পর এটিই অধিক প্রচলিত শসা গোত্রীয় ফল। বাঙ্গি গাছ দেখতে অনেকটা শসা গাছের মতোই লতানো।

বাঙ্গির ছোট এবং লম্বাটে জাতকে চিনাল বলা হয়। ফুটি বেশ বড় আকারের হয়, কাঁচা ফল সবুজ, পাকলে হলুদ রঙের হয় এবং ফেটে যায়। ফলের বাইরের দিকটা মিষ্টি কুমড়ার মতো হালকা ডোরা কাটা খাঁজযুক্ত। খেতে তেমন মিষ্টি নয়, অনেকটা বেলে বেলে ধরনের। এর ভেতরটা ফাঁপা থাকে। কাঁচা বাঙ্গি সবজি হিসেবে রান্না করে খাওয়া যায়। বাঙ্গিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য আঁশ, যা হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এতে চিনির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীরাও খেতে পারেন।

গ্রীষ্মকালে বাঙ্গি জন্মে। বাঙ্গি চাষের জন্য শুষ্ক ও উষ্ণ জলবায়ু সবচেয়ে উপযোগী। উর্বর বেলে দোআঁশ ও পলি মাটি বাঙ্গি চাষের জন্য সর্বোত্তম। মার্চ থেকে এপ্রিল বীজ বপনের সময়। তবে জাত ভেদে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারিতে বাঙ্গির বীজ বপন করা হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park