1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
গাছের মর্যাদা নির্ধারণের উদ্যোগ, তথ্যসহ আবেদন চেয়েছে মন্ত্রণালয় - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

গাছের মর্যাদা নির্ধারণের উদ্যোগ, তথ্যসহ আবেদন চেয়েছে মন্ত্রণালয়

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ১৯৭ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ ডেস্ক:

বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর ধারা ২৩ (১) অনুযায়ী বিশেষ ধরনের গাছ ও বন সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীন বন অধিদপ্তর। এ লক্ষ্যে জাতীয় ঐতিহ্য, স্মারক বৃক্ষ, পবিত্র বৃক্ষ, প্রাচীন বৃক্ষ এবং কুঞ্জবন ঘোষণার আবেদন পাঠাতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রয়োজনীয় তথ্যসহ সম্ভব হলে বৃক্ষ বা কুঞ্জবনের স্পষ্ট ছবিসহ আবেদন ৩০ মার্চের মধ্যে পাঠাতে হবে। আবেদন ইমেইলে cf-wildlife@bforest.gov.bd অথবা ডাকযোগে পাঠানো যাবে। ডাকযোগে আবেদন পাঠানোর ঠিকানা- প্রধান বন সংরক্ষক, বন অধিদপ্তর, বন ভবন, আগারগাঁও, ঢাকা-১২০৭।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ‘কুঞ্জবন’ হলো কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষরাজি ও লতাগুল্মের সমাহার, যা জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কাছে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও প্রথাগত মূল্যবোধ রয়েছে। এছাড়া সংরক্ষণের স্বার্থে ৫০ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী গাছের তালিকা প্রস্তুত করবে সরকার।

‘স্মারক বৃক্ষ’ হলো যেসব বৃক্ষের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও প্রথাগত মূল্য রয়েছে এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী বৃক্ষ বা পুরাতন বয়স্ক দেশীয় উদ্ভিদ বা শতবর্ষী বৃক্ষ। ‘পবিত্র বৃক্ষ’ বলতে কোনো ধর্ম ও গোত্রের জনগোষ্ঠীর কাছে ধর্মীয় পবিত্র উদ্ভিদ হিসেবে স্বীকৃত কোনো বৃক্ষকে বুঝায়।

স্মারক বৃক্ষ, পবিত্র বৃক্ষ, প্রাচীন গাছ বা কুঞ্জবন চিহ্নিত করতে চাইলে-
১. বৃক্ষের নাম/কুঞ্জবনের নাম (স্থানীয় নামসহ যদি সাধারণ নাম থাকে)
২. এলাকার নাম- গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা
৩. কোনো হাওর-জলাভূমি, বনভূমি, পাহাড়ে অবস্থিত হলে তার নাম
৪. ক্যাটাগরি- স্মারক বৃক্ষ বা পবিত্র বৃক্ষ বা প্রাচীন বা শতবর্ষী বৃক্ষ বা কুঞ্জবন
৫. বৃক্ষ বা কুঞ্জবনের আনুমানিক বয়স

৬. যে বা যারা সংরক্ষণ করছেন তার বা তাদের নাম
৭. স্মারক বৃক্ষ বা পবিত্র বৃক্ষ বা প্রাচীন বা শতবর্ষী বৃক্ষ বা কুঞ্জবন হলে তার কারণ
৮. বৃক্ষ বা কুঞ্জবনের মালিকানা সংক্রান্ত তথ্য
৯. বৃক্ষ বা কুঞ্জবন সংরক্ষণ বা টিকে থাকার জন্য কোনো চ্যালেঞ্জ বা সমস্যা থাকলে এবং
১০. প্রস্তাবকারীর নাম, যোগাযোগের ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর ইত্যাদি তথ্যসহ আবেদন পাঠানোর জন্য সবাইকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

জাতীয় ঐতিহ্য, স্মারক বৃক্ষ, পবিত্র বৃক্ষ, প্রাচীন বৃক্ষ এবং কুঞ্জবন বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষকের টেলিফোন নম্বরে (৫৫০০৭১১১) যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park