1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
বিনাধান-২২ বাণিজ্যিক চাষাবাদে লাভবান কৃষক - কৃষি সংবাদ
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অভিযান, ৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা জরিমানা ৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ভ্যাকসিন উৎপাদনে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার তাগিদ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শ্রমিক বিক্ষোভে রণক্ষেত্র সাভার, ওসির গাড়িতে আগুন ডিসেম্বরেই পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ, কার্যকর জানুয়ারিতে ফল, গরুর মাংস ও পোল্ট্রিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দেশব্যাপী অভিযান রাজস্ব বৃদ্ধিতে চিংড়ি মহাল পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত পদ্মা-যমুনায় দ্বিতীয় সেতু ও ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা ব্যারাজ, পদ্মা ও যমুনা দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত লাখ টাকার ঘুষসহ লালবাগের সার্ভেয়ার আটক

বিনাধান-২২ বাণিজ্যিক চাষাবাদে লাভবান কৃষক

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৮৩ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ:

বালাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত বিনাধান-২২ আমন মৌসুমের একটি আগাম জাত। জাতটি উচ্চ ফলনশীল। স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন এ ধানের দানা লম্বা ও চিকন। নাজিরসাইল টাইপের বিনাধান-২২ এর বাণিজ্যিক আবাদ করে গোপালগঞ্জের কৃষকরা লাভবান হয়েছেন ।

প্রতি বিঘায় এ জাতের ধান ২০ থেকে ২২ মণ ফলন দিয়েছে। বিঘা প্রতি এ ধান আবাদে খরচ হয়েছে ১০ হাজার টাকা। বিক্রি নেমেছে ২৪ হাজার টাকা থেকে ২৬ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত । বিঘায় লাভ হয়েছে ১৪ হাজার টাকা থেকে ১৬ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত । বাণিজ্যিক সাফল্যে জেলায় এ ধানের আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

বিনা গোপালগঞ্জ উপ-কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উদ্বর্তন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ কামরুজ্জামান এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ওই কর্মকর্তা বলেন, আমন মৌসুমে গোপালগঞ্জ জেলায় ২৫টি প্রদর্শনী প্লটের কৃষক বিনাধান-২২ জাতের আবাদ করেন। এছাড়া কৃষকের কাছে সংরক্ষিত বীজে জেলার আরো অন্তত ২৫ হেক্টর জমিতে এ ধানের আবাদ হয়েছে । বিঘায় এ ধান ২০ থেকে ২২ মণ ফলন দিয়েছে। হেক্টরে ফলেছে ৬ টন। এ ধানে রোগ বালাই তেমন নেই। উৎপাদন খরচ বিঘায় মাত্র ১০ হাজার টাকা। ১ বিঘা জমির ধান বিক্রি করে কৃষক ১৪ হাজার টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ করেছেন । জেলায় বাণিজ্যিক চাষাবাদে লাভজনক এ ধানের আবাদ প্রতি বছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

উচ্চ ফলনশীল এ ধানের জীবন কাল ১১২ দিন থেকে ১১৫ দিন। ক্ষেত থেকে এ ধান কটে কৃষক মসুর বা সরিষা আবাদ করতে পারেন। এ ধানের বদৌলতে কৃষক একই জমিতে বছরে ৩ থেকে ৪টি ফসল করতে পারছেন।

কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর গ্রামের কৃষক হাসান মৃধা বলেন, আমি ১ বিঘা জমিতে প্রদর্শনী প্লট করেছি। বীজ, সার, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়েছে বিনা গোপালগঞ্জ উপকেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা। তাদের পরামর্শে আবাদ করে বিঘায় ২২ মণ ফলন পেয়েছি। হিসেব করে দেখেছি ১ বিঘা জমিতে এ ধান চাষে ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ১ হাজার ২শ’ টাকা মণ দরে ধান বিক্রি করেছি। এতে আমার নীট লাভ হয়েছে ১৬ হাজার ৪শ’ টাকা। এ ধানের চাল নাজিরসাইলের মতো। খেতে সুস্বাদু। তাই বাজারে এ ধান একটু বেশি দামে বিক্রি করতে পেরেছি।আগামীতে এ ধানের চাষাবাদ বৃদ্ধি করব।

একই গ্রামের কৃষক রাজ্জাক খন্দকার বলেন, আমরা লাভজনক আগাম জাতের এ ধানের আবাদ বেশি করে করতে চাই। সেজন্য বিএডিসিকে পর্যাপ্ত বীজ সরবরাহ করতে হবে। আগাম এ জাতের ধান করার পর একই জমিতে বছরে ৩/৪ টি ফসল করতে পারি । এতে ফসলের উৎপাদন বাড়ে । সেই সঙ্গে আমাদের আয় বৃদ্ধি পায়।

বিনা গোপালগঞ্জ উপ-কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৌরভ অধিকারী বলেন, এ ধানের গাছ শক্ত বলে হেলে পড়ে না। ভালো পরিচর্যা পেলে এ ধান হেক্টর প্রতি ৬.১ টন থেকে ৬.৫ টন পর্যন্ত ফলন দিতে সক্ষম। স্থানীয় জাত সেখানে বিঘাপ্রতি মাত্র ৬ থেকে ৮ মণ ফলন দেয়। আবাদে সময় লাগে ১৫০ দিন। আগাম ও স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন এ ধানের আবাদ করে কৃষক বিঘাপ্রতি ২০/২২ মণ ফলন পেয়ে লাভবান হন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park