1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
১০০ বছর পর সৌদিতে জন্ম নিল বিলুপ্তপ্রায় গাধা - কৃষি সংবাদ
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ভ্যাকসিন উৎপাদনে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার তাগিদ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শ্রমিক বিক্ষোভে রণক্ষেত্র সাভার, ওসির গাড়িতে আগুন ডিসেম্বরেই পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ, কার্যকর জানুয়ারিতে ফল, গরুর মাংস ও পোল্ট্রিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দেশব্যাপী অভিযান রাজস্ব বৃদ্ধিতে চিংড়ি মহাল পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত পদ্মা-যমুনায় দ্বিতীয় সেতু ও ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা ব্যারাজ, পদ্মা ও যমুনা দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত লাখ টাকার ঘুষসহ লালবাগের সার্ভেয়ার আটক ৪ দিন গ্যাস বন্ধের খবরটি গুজব: পেট্রোবাংলা

১০০ বছর পর সৌদিতে জন্ম নিল বিলুপ্তপ্রায় গাধা

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ১৪১ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ ডেস্ক:

সৌদি আরবে ১০০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো বিশ্বের বিরল বুনো গাধা (ওনাগার) জন্ম নিয়েছে। এটিকে আরব উপদ্বীপে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া প্রাণী পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টায় একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এশীয় বুনো গাধা বা ওনাগার এশিয়া অঞ্চলের আদি বাসিন্দা। এদের বৈজ্ঞানিক নাম ‘ইকুয়াস হেমিওনাস’। এরা ঘোড়ার চেয়ে কিছুটা ছোট এবং আকারে গৃহপালিত গাধার সমতুল্য হলেও এদের গায়ের রং ফ্যাকাসে এবং খাড়া কেশর থাকে।

প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান রয়্যাল রিজার্ভ জানিয়েছে, তাদের ‘অ্যারাবিয়ান রিওয়াইল্ডিং’ কর্মসূচির আওতায় ২০২৫ সালের জুন মাসে একটি পুরুষ ওনাগার জন্ম নিয়েছে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো আরব উপদ্বীপের ২৩টি স্থানীয় প্রাণী প্রজাতিকে তাদের ঐতিহাসিক আবাসস্থলে আবার ফিরিয়ে আনা।

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বন্য পরিবেশে ৬০০টিরও কম ওনাগার অবশিষ্ট রয়েছে। এদের সংখ্যা দ্রুত কমে যাওয়ার আশঙ্কার কারণে ২০২৫ সালে প্রজাতিটিকে ‘মহাবিপন্ন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ওনাগারের সংখ্যা বাড়াতে এবং তাদের জিনগত বৈচিত্র্য বজায় রাখতে সংরক্ষিত এলাকাটি তাদের প্রজনন কর্মসূচি আরো সম্প্রসারণ করছে। এর অংশ হিসেবে চলতি বছরের শেষ দিকে জর্দান থেকে একটি স্ত্রী ওনাগার আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগ শুধু ওনাগার সংরক্ষণের জন্য নয়, এটি সৌদি আরবজুড়ে জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার এবং স্থানীয় বন্য প্রাণীর সংখ্যা বাড়ানোর বৃহত্তর পরিবেশগত পরিকল্পনার অংশ। এর মাধ্যমে বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীদের আবারও তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park