1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে সার সরবরাহে সংকটের আশঙ্কা, খাদ্য নিরাপত্তায় দ্বৈত ঝুঁকি: ডব্লিউটিও - কৃষি সংবাদ
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অভিযান, ৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা জরিমানা ৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ভ্যাকসিন উৎপাদনে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার তাগিদ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শ্রমিক বিক্ষোভে রণক্ষেত্র সাভার, ওসির গাড়িতে আগুন ডিসেম্বরেই পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ, কার্যকর জানুয়ারিতে ফল, গরুর মাংস ও পোল্ট্রিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দেশব্যাপী অভিযান রাজস্ব বৃদ্ধিতে চিংড়ি মহাল পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত পদ্মা-যমুনায় দ্বিতীয় সেতু ও ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা ব্যারাজ, পদ্মা ও যমুনা দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত লাখ টাকার ঘুষসহ লালবাগের সার্ভেয়ার আটক

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে সার সরবরাহে সংকটের আশঙ্কা, খাদ্য নিরাপত্তায় দ্বৈত ঝুঁকি: ডব্লিউটিও

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬৯ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ ডেস্ক:

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সার সরবরাহে বিঘ্ন বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তার জন্য দ্বৈত হুমকি তৈরি করছে। সংকট ও উচ্চমূল্য— দুই দিক থেকেই ঝুঁকি বাড়ছে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) এক শীর্ষ কর্মকর্তা।

ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। এতে তেল ও গ্যাসের পাশাপাশি সারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের পরিবহন পথ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ সার সাধারণত এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন হয়। এই বিঘ্ন খাদ্য উৎপাদনের ওপর প্রভাব নিয়ে একাধিক সতর্কতার জন্ম দিয়েছে।

ডব্লিউটিও’র উপ-মহাপরিচালক জ্যাঁ-মারি পগাম এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো সার। সার না থাকলে শুধু উৎপাদনের পরিমাণই নয়, দামেও প্রভাব পড়ে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এর প্রভাব পরের বছর আরও বাড়ে। ফসল কমে যায়, দাম বেড়ে যায়।’
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রাচুর্যের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চল কৃত্রিম সারের বড় উৎপাদক। গ্যাস সারের একটি প্রধান উপাদান।

কিন্তু যুদ্ধের কারণে উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। বড় কিছু কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।
ভারত, থাইল্যান্ড ও ব্রাজিলের মতো বড় খাদ্য রফতানিকারক দেশগুলো ইউরিয়া সারের জন্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপর নির্ভরশীল। এতে তারা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

ক্যামেরুনের ইয়াউন্ডে থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

পগাম বলেন, যুদ্ধ এখনও কয়েক সপ্তাহের হওয়ায় আপাতত সারের ঘাটতি দেখা যায়নি।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে সার চলাচল বন্ধ থাকলে, বড় উৎপাদনকারী দেশগুলোতে সরবরাহে সরাসরি প্রভাব পড়বে, আর ঠিক তখনই পরের বছরের ফসলের জন্য বপন মৌসুম শুরু হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী তিন মাস বন্ধ থাকলে এর প্রভাব হবে উল্লেখযোগ্য।’
-মজুতের ঝুঁকি-

পগাম বলেন, নিট খাদ্য আমদানিকারক দেশগুলো সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়বে। বিশেষ করে পশ্চিম আফ্রিকা ও উত্তর আফ্রিকার বড় অংশ।

দেশগুলো যদি মজুত শুরু করে, তাহলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। কোভিড-১৯ মহামারিকালে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিঘ্ন ঘটলে, তখন এমনটি দেখা গিয়েছিল।

কোভিডের কারণে বিশ্বজুড়ে ক্ষুধা মোকাবিলার প্রচেষ্টা পিছিয়ে যায়। এরপর বিশ্ব আবার ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধা নির্মূলের লক্ষ্যে অগ্রসর হচ্ছিল।
এই লক্ষ্য জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো ২০১৫ সালে নির্ধারণ করে।

তবে পগাম সতর্ক করে বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ-ঘনিষ্ঠ ঝুঁকির কারণে, আবারও সেই লক্ষ্য থেকে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।’

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park