1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
নদী ভাঙনের মধ্যেই পদ্মায় চলছে বালু উত্তোলনের মহাকর্মযজ্ঞ - কৃষি সংবাদ
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অভিযান, ৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা জরিমানা ৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ভ্যাকসিন উৎপাদনে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার তাগিদ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শ্রমিক বিক্ষোভে রণক্ষেত্র সাভার, ওসির গাড়িতে আগুন ডিসেম্বরেই পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ, কার্যকর জানুয়ারিতে ফল, গরুর মাংস ও পোল্ট্রিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দেশব্যাপী অভিযান রাজস্ব বৃদ্ধিতে চিংড়ি মহাল পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত পদ্মা-যমুনায় দ্বিতীয় সেতু ও ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা ব্যারাজ, পদ্মা ও যমুনা দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত লাখ টাকার ঘুষসহ লালবাগের সার্ভেয়ার আটক

নদী ভাঙনের মধ্যেই পদ্মায় চলছে বালু উত্তোলনের মহাকর্মযজ্ঞ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৬৭ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি পাবনা:

পাবনার পদ্মায় নদী ভাঙনের মাঝেও থেমে নেই বালুখেকোরা। বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকার পর পদ্মায় আবারও বালু উত্তোলনের মহাকর্মযজ্ঞ শুরু করেছে তারা। এতে নদীর তীরে আরও তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে, বিলীন হচ্ছে কৃষকের শত শত বিঘা কৃষি জমি। বালু উত্তোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের সাবেক বিএনপিপন্থি চেয়ারম্যান হযরত আলী।

পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের চর ভবানিপুরের পদ্মা নদীতে বালু উত্তোলনের এই কর্মযজ্ঞ চলছে। সশস্ত্র বাহিনীর পাহারায় দিনভর বালু উত্তোলন চলে সেখানে। আর ভাড়াটে সেসব সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্ব দেন নাটোরের লালপুরের ইঞ্জিনিয়ার কাকন আলী।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এর আগে পাবনার ভাঁড়ারায় আওয়ামী লীগ নেতাদের নেতৃত্বে বালু উত্তোলন চলছিল। কিন্তু গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর দুই দফায় সেটি বন্ধ ছিল। পরে সেটির নিয়ন্ত্রণ নেন দোগাছী ইউনিয়নের বিএনপিপন্থি সাবেক চেয়ারম্যান হযরত আলীসহ কয়েকজন বিএনপি নেতা। দুই সপ্তাহ আগে তারা চর ভবানিপুরের পয়েন্টে এই কর্মযজ্ঞ শুরু করেন। শতাধিক নৌকার মাধ্যমে প্রতিদিন ১৫-২০ লাখ টাকার বালু উত্তোলন হয়। আর এর ভাগবাটোয়ারার অংশ চলে যায় সংশ্লিষ্ট সব মহলে। চর ভবানীপুরের পাশাপাশি তারা আবার দোগাছী ও ভাড়ারা এলাকায় বালু উত্তোলনের জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন।

মনিরুল মোল্লা, সুমন প্রমাণিক, সিরাজুল ইসলামসহ একাধিক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা বলেন, আমাদের শত শত বিঘা কলার বাগান নদীতে ধসে যাচ্ছে। আমরা কোথায় যাবো? সবাই তো জানে কিন্তু ব্যবস্থা নেয় না। আমরা সেখানে গিয়ে কিছু বললে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। আমাদের জমি, আমাদেরই বাগান এই বালু কাটার জন্য নদীতে চলে যাচ্ছে। আমাদের চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই বলার নেই।

অভিযোগ উঠেছে বিশাল এই বালু সিন্ডিকেটের সঙ্গে বিএনপির প্রভাবশালী এক কেন্দ্রীয় নেতার এক আত্মীয় ও জেলা বিএনপির সাবেক এক নেতাও জড়িত। এছাড়া কুষ্টিয়ার একটি সিন্ডিকেটও এর সঙ্গে জড়িত। আর এর মূল নেতৃত্বে দেন দোগাছী ইউনিয়নের বিএনপিপন্থি সাবেক চেয়ারম্যান হযরত আলী।

তবে সাবেক চেয়ারম্যান হজরত আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি পাবনার মধ্যে কাটা হচ্ছে না, কুষ্টিয়ার হরিপুর এলাকায় হচ্ছে। আমিও গিয়ে দেখেছিলাম। কৃষকরা ভুলভাবে আমার নাম বলছেন।

এ বিষয়ে লক্ষীকুণ্ডা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আকিবুল ইসলাম বলেন, কবে থেকে কারা বালু উত্তোলন করছেন আমি কিছুই জানি না। আপনার কাছ থেকে শুনলাম। এর বেশি কিছু জানি না। আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।

পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা সুলতানা বলেন, আমরা বিষয়টি জানি না। জানলে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতাম। এখন যেহেতু জানলাম আমরা অভিযান চালাবো। অবৈধ বালু মহলের ব্যাপারে আমাদের ডিসি স্যারের কঠোর নির্দেশনা আছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park