1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
গামা ইরেডিয়েশনের মাধ্যমে দেশের কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে আরো প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে: কৃষিমন্ত্রী - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্লাস্টিক বর্জ্যে মিলবে চিড়িয়াখানায় প্রবেশের সুযোগ মধ্যরাত থেকে ৮ মাস জাটকা আহরণে নিষেধাজ্ঞা নভেম্বর থেকে প্যাকেটজাত মসলা ও চা বিক্রি করবে টিসিবি গামা ইরেডিয়েশনের মাধ্যমে দেশের কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে আরো প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে: কৃষিমন্ত্রী প্রথম দিনে বাজারে ঢুকেছে হাজার টন ইলিশ গরুকে বিশ্বমাতা হিসেবে অভিহিত, জবাই করায় তিনজনের যাবজ্জীবন প্রাণিসম্পদ খাতে প্রয়োজনীয় টিকার শতভাগ দেশে উৎপাদনের তাগিদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সহিংসতার শিকার ৪৫.৫ শতাংশ নারী: মহিলা পরিষদ মেঘনায় নৌ-পুলিশ-জেলেদের সংঘর্ষ, গুলিতে জেলে নিহত আগামী ৭ দিনের মধ্যে মজুরি বোর্ডের গেজেট প্রকাশ

গামা ইরেডিয়েশনের মাধ্যমে দেশের কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে আরো প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে: কৃষিমন্ত্রী

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি, গাজীপুর:

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণক্ষমতা বাড়ানো, জীবাণুমুক্তকরণ এবং গুণগত মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশের কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে আরো প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।

আজ গাজীপুরের ভবানীপুরে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) আঞ্চলিক গবেষণা স্টেশনে নবনির্মিত গামা ইরেডিয়েশন সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আন্তর্জাতিক মানের কৃষিপণ্য রপ্তানিতে দেশে গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তির ভূমিকা রাখবে মন্তব্য করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ কৃষির সাথে সম্পৃক্ত। বর্তমান সরকার কৃষিপণ্যকে দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করছে। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আমের গুণগত মান ভালো। গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তির মাধ্যমে এসব আমের সংরক্ষণক্ষমতা বাড়ানো ও জীবাণুমুক্ত করা সম্ভব হলে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির পরিমাণ বাড়বে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

চীনের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের আম আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁঠালেরও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তবে এসব পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা জরুরি। এলক্ষ্য পূরণে গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার সময়োপযোগী উদ্যোগ।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্যের পচন ও অপচয় রোধ এবং কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের সুরক্ষায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতেও পর্যায়ক্রমে এ ধরনের সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যয় কিছুটা বেশি হলেও প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে এসব কেন্দ্রের কার্যকারিতা বাড়ানো এবং দক্ষ কারিগরি দল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, কৃষির অর্থনীতি শক্তিশালী হলেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার কৃষি খাতকে সহযোগিতা করবে।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) মহাপরিচালক ড. শরিফুল হক ভূঁঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খান, বাংলাদেশে জাতিসংঘের খাদ্য এবং কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিনিধি ডা. জিয়াওকুন শি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, কৃষিপণ্য পরিশোধনে এ পরমাণু প্রযুক্তি নির্ভর সেন্টারটি স্থাপনে ৮৯ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park