1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
এনবিআরকে ছাড়া আদানির সঙ্গে চুক্তি : সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি - কৃষি সংবাদ
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অভিযান, ৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা জরিমানা ৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ভ্যাকসিন উৎপাদনে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার তাগিদ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শ্রমিক বিক্ষোভে রণক্ষেত্র সাভার, ওসির গাড়িতে আগুন ডিসেম্বরেই পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ, কার্যকর জানুয়ারিতে ফল, গরুর মাংস ও পোল্ট্রিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দেশব্যাপী অভিযান রাজস্ব বৃদ্ধিতে চিংড়ি মহাল পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত পদ্মা-যমুনায় দ্বিতীয় সেতু ও ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা ব্যারাজ, পদ্মা ও যমুনা দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত লাখ টাকার ঘুষসহ লালবাগের সার্ভেয়ার আটক

এনবিআরকে ছাড়া আদানির সঙ্গে চুক্তি : সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১১৯ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক:

বিদ্যুৎ আমদানিতে ভারতের আলোচিত প্রতিষ্ঠান আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের চুক্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) পাশ কাটিয়ে শুল্ক ও কর অব্যাহতির মাধ্যমে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা ফাঁকির অভিযোগ আমলে নিয়ে এবার তদন্তে শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ চুক্তির জন্য সাবেক মুখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস (চুক্তির সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সচিব ছিলেন) ও তার নেতৃত্বাধীন কর্তৃপক্ষ এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিরুদ্ধেও তদন্ত করতে দুদকের উপপরিচালক রেজাউল করিমকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, ড. আহমেদ কায়কাউস, সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর বিরুদ্ধে এনবিআরকে পাশ কাটিয়ে আদানির সঙ্গে চুক্তি করে সরকারের সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ রয়েছে। উপর্যুক্ত অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে নিম্নবর্ণিত রেকর্ডপত্র/তথ্যাদি সরবরাহ করে পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন।

যেসব নথি চাওয়া হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে- আদানি গ্রুপের সঙ্গ বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তির শুরু হতে শেষ অবধি যাবতীয় রেকর্ডপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে কি না এ সংক্রান্ত রেকর্ড, বিদ্যুৎ ক্রয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারী গণের নাম, পদবি, বর্তমান ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর ও বর্ণিত বিষয়ে কোন বিভাগীয় তদন্ত করা হয়েছে কিনা, হয়ে থাকলে তদন্ত প্রতিবেদনসহ বিস্তারিত তথ্যাদি/রেকর্ডপত্রাদি ।

এর আগে তদন্তে নেমে আদানির বিদ্যুৎ আমদানিতে প্রায় ৪০ কোটি ডলারের শুল্ক ‘ফাঁকির’ প্রমাণ পায় এনবিআর; বহুল আলোচিত এ চুক্তির সময় সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে পাশ কাটিয়ে শুল্ক ও কর অব্যাহতি দেওয়ার তথ্যও উঠে এসেছে সংস্থাটির তদন্তে। ২০২৩ সালের ৯ মার্চ ঝাড়খণ্ডের গড্ডায় স্থাপিত আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ আমদানি শুরু করে বাংলাদেশ। তখন থেকেই আমদানি করা এ বিদ্যুতের শুল্কসহ অন্যান্য কর পরিশোধ করা হয়নি।

আক্তার হোসেন বলেন, সাবেক মুখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস (চুক্তির সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সচিব ছিলেন) এনবিআরকে পাস কাটিয়ে আদানি গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি করে সরকারের সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তথ্য সংগ্রহ করছেন। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ হলে বিস্তারিত বলা জানা যাবে বলে উল্লেখ করেন দুদকের মহাপরিচালক।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park