জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক :
ভোজ্যতেলের আমদানিতে আমদানি পর্যায়ে বিদ্যমান শুল্ক ৫ শতাংশ করা এবং উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে আরোপিত সমুদয় মূল্য সংযোজন কর অব্যাহতির প্রস্তাব জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ভোজ্য তেল ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ প্রস্তাব করা হয়।
সবশেষ গত ১৮ এপ্রিল সয়াবিন তেল ও পাম তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। বিশ্ববাজারে গত কয়েকমাস ধরে ধারাবাহিকভাবে সয়াবিন তেল ও পাম তেলের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের দাম ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ এবং আরবিডি পাম তেলের মূল্য ১৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়েছে।
স্থানীয় পর্যায়ে দাম না বাড়িয়ে আমদানি পর্যায়ে বিদ্যমান শুল্ক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা ও স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে সব ধরনের শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব জানানো হয়েছে বৈঠকে।
এ ধরনের শুল্ক অব্যাহতির ফলে ভোজ্যতেলের দাম বাড়বে না, বিদ্যমান দাম বহাল থাকবে বলে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানায়। এর আগে তারা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দাম সমন্বয়ের আবেদন করে।
এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) প্রস্তাব বা সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। পরে এনবিআর করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মইনুল খানসহ ভোজ্য তেল ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।