1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
সহিংসতার শিকার ৪৫.৫ শতাংশ নারী: মহিলা পরিষদ - কৃষি সংবাদ
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গরুকে বিশ্বমাতা হিসেবে অভিহিত, জবাই করায় তিনজনের যাবজ্জীবন প্রাণিসম্পদ খাতে প্রয়োজনীয় টিকার শতভাগ দেশে উৎপাদনের তাগিদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সহিংসতার শিকার ৪৫.৫ শতাংশ নারী: মহিলা পরিষদ মেঘনায় নৌ-পুলিশ-জেলেদের সংঘর্ষ, গুলিতে জেলে নিহত আগামী ৭ দিনের মধ্যে মজুরি বোর্ডের গেজেট প্রকাশ এক কোটি পিস পাটের বস্তা কিনবে সরকার কানাডা-রাশিয়া থেকে ৭০৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার আগামী বছর থেকে স্কুলে জাপানিসহ বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনা : প্রধানমন্ত্রী গুম প্রতিরোধে সংবিধানে নতুন কিছু যুক্ত করার প্রয়োজন নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমজানে বাজার স্থিতিশীল থাকবে, ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই

সহিংসতার শিকার ৪৫.৫ শতাংশ নারী: মহিলা পরিষদ

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৩ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি:

দেশে নারীদের ৪৫ দশমিক ৫ শতাংশ অনলাইন সহিংসতার শিকার হয়েছেন, সক্রিয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে এ হার ৬৩ দশমিক ৭ শতাংশ। তবে ভুক্তভোগীদের মাত্র ৪ দশমিক ৬ শতাংশ পুলিশের সহায়তা নিয়েছেন। পুলিশের কাছে যাওয়া নারীদের ৮১ দশমিক ৮ শতাংশ জানিয়েছেন, তাদের মামলায় সামান্য অগ্রগতি হয়েছে অথবা কোনো অগ্রগতিই হয়নি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও ডিজিটাল রাইটসের যৌথ গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। ‘বাংলাদেশে প্রযুক্তি-সহায়ক লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা বোঝা ও মোকাবিলা’ শীর্ষক গবেষণার তথ্য রাজধানীর মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থাপন করা হয়।

গবেষণায় বলা হয়, ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণী ও শিক্ষার্থীরা অনলাইন সহিংসতার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ঝুঁকিতে রয়েছেন। হয়রানি, অর্থনৈতিক প্রতারণা, ছবি ও যৌন নির্যাতন, ভুয়া পরিচয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা, সাইবার অনুসরণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ভুয়া ভিডিও এ সহিংসতার উল্লেখযোগ্য ধরন। ফেসবুক ও মেসেঞ্জার এ ধরনের সহিংসতার প্রধান মাধ্যম।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, প্ল্যাটফর্মে অভিযোগ জানানোর পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন ৫৬ শতাংশ ভুক্তভোগী। এ ছাড়া ৭১ দশমিক ৬ শতাংশ নারী মনে করেন, অনলাইন সহিংসতার ঘটনায় সমাজে ভুক্তভোগীদেরই দোষারোপ করা হয়। ৬৭ শতাংশ নারী কখনো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অনলাইন নিরাপত্তাবিষয়ক প্রশিক্ষণ পাননি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম। তিনি বলেন, গবেষণাটির লক্ষ্য সহিংসতার কাঠামোগত দুর্বলতা ও সংকট চিহ্নিত করা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের করণীয় তুলে ধরা। গবেষণার সুপারিশ বাস্তবায়নের পাশাপাশি প্রযুক্তির অপব্যবহারজনিত সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান গবেষক সায়েমা চৌধুরী বলেন, ডিজিটাল সচেতনতার অভাব ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে না জানার কারণে নারীরা অর্থনৈতিক শোষণ ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।উপপুলিশ কমিশনার লিজা বেগম বলেন, ভুয়া পরিচয়ে অপরাধীদের শনাক্ত করা, ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণ ও দ্রুত তদন্তে পুলিশকে নানান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়।

এসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও ডিজিটাল রাইটসের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন নারী অধিকার, মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park