1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
দিনাজপুরে সুগন্ধি ধান-চালের আকাশছোঁয়া দাম - কৃষি সংবাদ
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অভিযান, ৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা জরিমানা ৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ভ্যাকসিন উৎপাদনে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার তাগিদ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শ্রমিক বিক্ষোভে রণক্ষেত্র সাভার, ওসির গাড়িতে আগুন ডিসেম্বরেই পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ, কার্যকর জানুয়ারিতে ফল, গরুর মাংস ও পোল্ট্রিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দেশব্যাপী অভিযান রাজস্ব বৃদ্ধিতে চিংড়ি মহাল পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত পদ্মা-যমুনায় দ্বিতীয় সেতু ও ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা ব্যারাজ, পদ্মা ও যমুনা দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত লাখ টাকার ঘুষসহ লালবাগের সার্ভেয়ার আটক

দিনাজপুরে সুগন্ধি ধান-চালের আকাশছোঁয়া দাম

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৮৯ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি, দিনাজপুর :

ধানের ভরা মৌসুমে দিনাজপুরে আকাশছোঁয়া দামে বিক্রি হচ্ছে সুগন্ধি ধান-চাল। বৈরী আবহাওয়ার কারণে ধানের ফলন কম হওয়ায় প্রভাব পড়েছে চালের বাজারে।

দেশের অন্যতম চাল প্রধান জেলা দিনাজপুর। বিশেষ করে সুগন্ধি চালের জন্য খ্যাতি রয়েছে এ জেলার। দেশের বাজারে প্রায় সবটুকু সুগন্ধি চালের চাহিদা পূরণ করে উত্তরের জেলা দিনাজপুর। এই জেলায় সুগন্ধি চিনিগুড়া চাল বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকায়। যা গত বছরের তুলনায় ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেশি।

শুধু তাই নয়, পিঠা বানানোর চালের গুড়ার জন্য চিনিগুড়া চালের খুদও বিক্রি হচ্ছে প্রায় দ্বিগুণ দামে। গত বছর ৩০-৩৫ টাকায় খুদ বিক্রি হলেও এবার বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা দরে।

অপরদিকে ব্রি-৩৪ (চিনিগুড়া) ধানের জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় বস্তাপ্রতি বিক্রি হচ্ছে গত বছরের তুলনায় ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা বেশি দামে।

ক্রেতা আঞ্জুমান আরা বলেন, গত বছর ৩০-৩৫ টাকায় খুদ বিক্রি হলেও এবার ৬০ টাকা দরে কিনতে হেচ্ছ। এতে করে পিঠার বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।

কৃষক আব্দুর রহমান জানান, গত বছর এক বিঘায় (৪৮ শতাংশ) ধান হয়েছিল কমপক্ষে ২০ মণ। এবার সেই জমিতে ধান হয়েছে ১২ থেকে ১৪ জন। বৈরী আবহাওয়ায় ধানের গাছ পড়ে গিয়ে ফলনে বিপর্যয় ঘটেছে। সে কারণে ধানের দাম বেশি। ধানের দাম বেশি হলেও ফলন কম হওয়ায় কৃষকের কোনো লাভ হয়নি।

ধানের বাজারে সরবরাহ কম এবং দাম বেশি থাকার কারণেই প্রভাব পড়েছে চালে। ধানের ভরা মৌসুম থেকেই বেশি দামে ধান কিনতে হচ্ছে বলে দাবি মিল মালিকদের।

ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদ জানান, গত বছর এই সময়ে ব্রি-৩৪ (চিনিগুড়া) ধান কিনেছিলেন ৭৬ কেজির বস্তা ৪২০০ থেকে ৪৩০০ টাকায়, এবার সেই ধান কিনতে হচ্ছে ৫৭০০ থেকে ৫৮০০ টাকায়। সে কারণে বাজারে প্রভাব পড়েছে।

আরেক ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেন বলেন, এবার ধানের উৎপাদন কম হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কম। তাই বেশি দামে ধান কিনে বেশি দামে চাল বিক্রি করতে হচ্ছে।

দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর দিনাজপুরে ১ লাখ হেক্টর জমিতে চিকন ও সুগন্ধি জাতের ধানের আবাদ হয়েছে। আর চাল উৎপাদন হয়েছে ২ লাক ৬০ হাজার মেট্রিক টন।

দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) আনিছুজ্জামান বলেন, এবার ফলন কম হলেও ধানের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা লাভবান হয়েছেন। খড়ও এবার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park