1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
৪০ লাখ টাকায় বিক্রি এক ট্রলার ইলিশ - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

৪০ লাখ টাকায় বিক্রি এক ট্রলার ইলিশ

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১১৫ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি পটুয়াখালী:

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় আলীপুর মৎস্য বন্দরে ১৯৫ মণ ইলিশ নিয়ে ঘাটে এসেছে একটি মাছ ধরার ট্রলার। মাছগুলো ডাকের মাধ্যমে ৪০ লাখ ১৪ হাজর টাকায় বিক্রি করা হয়।

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে আলীপুর মৎস্য বন্দরের মেসার্স ফাইভ স্টার নামের একটি আড়তে এ মাছগুলো নিয়ে আসা হয়। মাছগুলো মূলত গত মঙ্গলবার ও বুধবার কুয়াকাটা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ দিকে ৯০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এফ বি বিসমিল্লাহ-১ নামের মাছ ধরা ট্রলারটি গত ৬ জানুয়ারি আলীপুর ঘাট থেকে ১৭ জন জেলে নিয়ে সমুদ্রে ফিশিং করতে যায়। চার দিন সমুদ্রের বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলে কাঙ্ক্ষিত মাছগুলো ধরা পড়েছে। মাছগুলো আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে এসে তিনটি সাইজে আলাদা করা হয়। তবে মাছের সাইজ ছোট হওয়ায় দাম কম পেয়েছে। ৬০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতি মণ ৪০ হাজার টাকা, ৪০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতিমণ মাছ ২৫ হাজার টাকা এবং ছোট সাইজের প্রতি মণ মাছ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ৫৪ হাজার টাকা বিক্রি হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪০ লাখ ১৪ হাজার টাকা বিক্রি হয়েছে।

ট্রলারের মাঝি একলাস গাজী বলেন, গত রোববার আলীপুর ঘাট থেকে ১৭ জন জেলে সমুদ্রে যাই। ফিশিং করতে করতে কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে জাল ফেলে মাছগুলো পেয়েছি। বর্তমানে সমুদ্রে মাছ ধরা পড়েছে না‌। এরমধ্যেও মহান আল্লাহ মাছ দিয়েছেন।

এফবি বিসমিল্লাহ-১ ট্রলারের মালিক খলিলুর রহমান খান বলেন, অনেক দিন ধরে সাগরে খুব কম মাছ ধরা পড়ছে। আমাদের লোকসান গুণতে হচ্ছিল। এই মাছ বিক্রি করে আগের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারবো।

মেসার্স ফাইভ স্টার মৎস্য আড়তের পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, সচরাচর শীত মৌসুমে এত ইলিশ মাছ ধরা পড়ে না। তবে অনেকদিন পর ঘাটে এতো পরিমাণ মাছ আসায় খুশি ট্রলার মালিক জেলে ও মৎস্য আড়তদার সবাই। ডাকের মাধ্যমে মাছগুলো একাধিক পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়।

এ বিষয় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, শীতকাল ইলিশের ভরা মৌসুম না হলেও মোটামুটি ইলিশের দেখা মেলে সব ট্রলারগুলোতে। তবে একটি ট্রলারে এত পরিমাণ মাছ এটা সত্যিই অবাক করার মতো। বছরের দুইবার সমুদ্রে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালন হওয়ার জ্বলন্ত প্রমাণ হচ্ছে এরকম ট্রলার ভর্তি মাছ।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park