1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা, পরিস্থিতি দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে: কৃষিমন্ত্রী - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা, পরিস্থিতি দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে: কৃষিমন্ত্রী

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪৪ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক:

দেশে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আমিন উর রশিদ। কয়েকদিনের মধ্যে সারের পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে বলেও জানান তিনি।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‌‘সারের কোনো সংকট নেই। কিছু লোক চেষ্টা করছিল সারের ইমিটেশন ক্রাইসিস (কৃত্রিম সংকট) তৈরি করার। আপনি নিজেই বলেন, আপনি নিজেই দেখছেন সার পাওয়া যাইতেছে। বর্ডারে সার পাওয়া যাইতেছে, রাইস মিলে সার পাওয়া যাইতেছে, অন্য গুদামঘরে পাওয়া যাইতেছে, যেখানে সার থাকার কথা না।’

তিনি বলেন, ‘যারা এই কাজটা করেছে তারা ইনটেনশনালি করেছে, এখানে একটা ইমিটেশন ক্রাইসিস তৈরি করার জন্য। মানুষ সচেতন হয়ে গেছে। প্রায় প্রতিটা উপজেলাতেই সার মনিটরিং বা জেলা পর্যায়ে সার মনিটরিং কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। ইনশাআল্লাহ কয়েকদিনের ভিতরে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।’

সারের মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘লাখ টন সার বেশি আছে। প্লাস, সারের টোটাল নিয়মটাই হলো এভরি উইকেই জাহাজ আসে। আমাদের একটা রিজার্ভ থাকে ১০ থেকে ১২ লাখ টন। কোনো কোনো সময় পিক সিজনের আগে ওইটা ১৫ লাখ টনও আমরা করে ফেলি।’

তিনি বলেন, ‘বাকি সময়টুকু এভরি ডে, এভরি উইকে এক বা একাধিক জাহাজ আসে। আমাদের চাহিদা অনুযায়ী ওই ইনপুটগুলো করা হয়। আর স্টোরেজে যেটা রাখা, ওইটা রিজার্ভ সার। এটা হলো ইন কেস অব ইমার্জেন্সি। আল্লাহ না করুন, একটা জাহাজ ডুবে গেলো, একটা জাহাজের প্রবলেম হলো, তখন কী হবে? তখন যেন প্রবলেম না হয়, এই জন্য আমরা মিনিমাম দুই থেকে তিন মাসের স্টোরেজ আমাদের কাছে রাখি।’

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষি মন্ত্রণালয় রিলেটেড যেসব কাজ অতীতে হয়েছে, এখন হচ্ছে এবং আগামী দিনে হবে- এগুলো সম্পর্কে উনি জানতে চেয়েছেন। নতুন আরও কিছু কী কী অ্যাড করা যায় এবং আমরা কী কী অ্যাড করছি, দেশে কিসের শর্ট আছে, কোন বিষয় নিয়ে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি- সব বিষয়ে উনি আলোচনা করেছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park