1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
শেরেবাংলা নগরই হচ্ছে সচিবালয়ের স্থায়ী ঠিকানা, পেল অনুমোদন - কৃষি সংবাদ
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শেরেবাংলা নগরই হচ্ছে সচিবালয়ের স্থায়ী ঠিকানা, পেল অনুমোদন যে হাটে বিক্রি হয় কোটি টাকার কলা ! ইলিশ রক্ষা : ৩৮ জেলায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর ১১১ ডিও দুর্নীতির মামলায় বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান কাতারে গ্রেফতার তরুণদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী সচিবের আবেদন, সাগরে মাছ ধরার সুযোগ হারালেন ১৫ লাইসেন্সধারী দেশের প্রতিটি জায়গায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দেশের ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ খাদ্য ঝুঁকিতে চিংড়ি রপ্তানিতে গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

শেরেবাংলা নগরই হচ্ছে সচিবালয়ের স্থায়ী ঠিকানা, পেল অনুমোদন

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৫ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক:

রাজধানীর আবদুল গনি রোড থেকে সচিবালয় যাচ্ছে শেরেবাংলা নগরে। সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

২০২৯ সালের মধ্যে শেরেবাংলা নগরে সচিবালয়ে অফিস করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সরকার এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি বলেন, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরোনো বাণিজ্যমেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ঢাকার আগের মাস্টারপ্ল্যানে এ এলাকার জন্য জায়গা বরাদ্দ রয়েছে। সেখানে প্রায় ৩১ একর জায়গাজুড়ে নতুন সচিবালয় নির্মাণ করা হবে। এটি নান্দনিক স্থাপনা হবে, যার নকশায় স্থপতি লুই আই কানের মূল ভাবনার সঙ্গে যোগসূত্র থাকবে। তবে পুরোপুরি একই নকশায় এটি তৈরি হবে না। সেই ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ সচিবালয় নির্মাণ করা হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী পুরোনো বাণিজ্যমেলার মাঠে ৩১ দশমিক ৫৮ একর জায়গায় প্রায় ৩৩ লাখ ১৬ হাজার বর্গফুট আয়তনের ভবন ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করা হবে। এতে তিনটি বেজমেন্ট, ৩ হাজার ৮০০ গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা এবং ১২ তলাবিশিষ্ট ১৪টি ভবন থাকবে। এছাড়া মসজিদ, দুটি মাল্টিপারপাস হল, ক্যাফেটেরিয়া ও ডাকঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সচিবালয়ের আশপাশে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বেশকিছু ভূগর্ভস্থ সড়ক ও আন্ডারপাস নির্মাণ করতে হবে। সব অবকাঠামোর মাধ্যমে ওই এলাকার যানবাহন চলাচলের প্রবাহ ঠিক রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নাসিমুল গনি বলেন, সচিবালয়ের মূল নকশার ধারণাটি অনুমোদন করা হয়েছে। তবে এখনো বৈদ্যুতিক, প্লাম্বিং, স্থাপত্য ও কাঠামোগত প্রকৌশল নকশাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কাজ বাকি। এসব কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি। আরও কিছু বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষের প্রত্যাশার সঙ্গে কতটা সংগতিপূর্ণ- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সচিবালয়ের ১৬টি মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে মূল ভবনের বাইরে। প্রধানমন্ত্রীও বর্তমানে সচিবালয়ের এই অংশে অফিস করছেন। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী এখানে অফিস করছেন। প্রধানমন্ত্রী চান, পুরো সরকার যেন সমন্বিতভাবে আরও দ্রুত কাজ করতে পারে। এ লক্ষ্যেই সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘২০২৯ সালে ইনশাল্লাহ সেখানে অফিস করা যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। কাজ শুরু হবে ইনশাল্লাহ শিগগির।’

নতুন সচিবালয় নির্মাণের অর্থায়ন কোথা থেকে হবে, জানতে চাইলে নাসিমুল গনি জানান, বাংলাদেশ সরকারই এ প্রকল্পের অর্থায়ন করবে। তবে এজন্য কত টাকা ব্যয় হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এ প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে যে ইকোনমিক প্রায়োরিটি, সেই প্রায়োরিটিতে এই টাকা এবং এই কন্সন্ট্রেশন এটা সার্টেনলি একটা প্রায়োরিটি।’

সরকারের কাজের গতি বাড়াতে কার্যকর অবকাঠামোর প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আপনার মেশিনটা যদি ভোতা হয়, আপনি গরু জবাই করবেন, গরু জবাই করতে গেলে যদি দা ভোতা হয়, তাহলে তো আর কাজ হবে না।’

নতুন সচিবালয় নির্মাণে মোট ব্যয় কত হতে পারে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো ব্যয়ের হিসাব নির্ধারণ করা হয়নি। এ বিষয়ে প্রাক্কলন তৈরির কাজ চলছে। ভবনের মোট আয়তনের তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্গফুটের হিসাব থেকে ব্যয়ের একটি ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

বর্তমানে আবদুল গনি রোডে সচিবালয়ের যে স্থাপনা রয়েছে, স্থানান্তরের পর সেখানে কী করা হবে, জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ওই জায়গায় ভবিষ্যতে ভালো কিছু করা হতে পারে। পুরান ঢাকায় প্রশাসনের বিভিন্ন কার্যক্রম ও আদালত-সংক্রান্ত অনেক বিষয় আটকে রয়েছে। সেগুলোর কিছু সেখানে স্থানান্তর করা হতে পারে। তবে সেখানে ঠিক কী করা হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

সচিবালয় স্থানান্তরের ধারণাটি প্রধানমন্ত্রী নিজে দিয়েছেন, নাকি সরকারের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে প্রস্তাবটি এসেছে, এমন প্রশ্নের জবাবে নাসিমুল গনি বলেন, এটি সরকারেরই পরিকল্পনা। প্রধানমন্ত্রী এতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সরকারের আইডিয়া ছিল।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park