1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
মানহীন বালাইনাশক নিয়ন্ত্রণে স্বোচ্চার ডিএই, ১৩২ টির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

মানহীন বালাইনাশক নিয়ন্ত্রণে স্বোচ্চার ডিএই, ১৩২ টির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০২ বার পঠিত

সুমন ইসলাম :

দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিশ্বের ১৬০টির বেশি দেশে বাংলাদেশ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ রপ্তানি করলেও কৃষিনির্ভর এই দেশে কীটনাশকের চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশই আমদানিনির্ভর । হাজার হাজার কোটি টাকার ওষুধ রপ্তানি করলেও অপেক্ষাকৃত সহজ প্রযুক্তির কীটনাশক উৎপাদনে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। গত পাঁচ দশকে দেশে কৃষি উৎপাদন যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি এ সময়ে কীটনাশকের ব্যবহারও বেড়ে হয়েছে প্রায় ১০ গুণ। এ সুযোগে দেশে ফুকছে মনিহীন ও নিম্নমানের কীটনাশক।ফলে কীটনাশক বাবদ কৃষকের খরচ বাড়ছে। বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি।

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফসল আবাদের পরিধি ও ধরন পরিবর্তনে বেড়েছে ফসলের জন্য ক্ষতিকর রোগজীবাণু ও কীটপতঙ্গ। এসব দমনে এ সুযোগে কোম্পানিগুলো কাটছে কৃষকের পকেট। কৃষিতে কীটনাশক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে শক্ত নজরদারি দরকার বলে মনে করেন তারা।

পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক নাজমা শাহীন বলেন, স্বাস্থ্যকর খাদ্য বা ‘হেলদি ডায়েট’ নিশ্চিত করার জন্য খাদ্য ব্যবস্থায় নিরাপত্তা অপরিহার্য। কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এই খাদ্য নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলেছে। কীটনাশকের ক্রমবর্ধমান ব্যবহারে গভীর উদ্বেগের। খাদ্যের মাধ্যমে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ শরীরে প্রবেশ করে দীর্ঘস্থায়ী ও মারাত্মক রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।

দেশের কীটনাশক উৎপাদনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাগ্রো কেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বামা)। সংগঠনটির হিসাবে, বর্তমানে দেশে কীটনাশকের বাজার সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার। যার ৫৫ শতাংশ বা ৪ হাজার ১২৫ কোটি টাকার বাজার রয়েছে সাতটি বহুজাতিক কোম্পানির হাতে। আর স্থানীয় আমদানিকারকেরা চাহিদার প্রায় ৪১ শতাংশ বা ৩ হাজার ৭৫ কোটি টাকার কীটনাশক আমদানি করছে। কীটনাশকের বাজারে দেশি উৎপাদনকারীদের হিস্যা মাত্র ৪ শতাংশ বা ৩০০ কোটি টাকার।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সূত্রে জানা যায়, ১৯৭২ সালে দেশে চার হাজার টন বালাইনাশকের ব্যবহার ছিল; ১৯৮০ সালে তা ছিল পাঁচ হাজার টন। ২০০০ সালে তা আট হাজার টনে দাঁড়ায়। প্রায় দুই দশকের ব্যবধানে (২০২২ সালের হিসাব) বালাইনাশকের ব্যবহার অস্বাভাবিক বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার টনে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সারাদেশে আবাদকৃত ফসল ও ফলমূলের ক্ষতিকারক রোগবালাই থেকে ফসলকে রক্ষা করার জন্য বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, রোগবালাই দ্বারা ফসল আক্রান্ত হলে ফসল রক্ষার জন্য তাৎক্ষনিকভাবে সঠিক কারিগরী পরামর্শদান ও সঠিক দমন ব্যবস্থা গ্রহণে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে কৃষককে সহায়তা দান, সমন্বিত বালাই ব্যবস্হাপনার মাধ্যমে ফসল উৎপাদন কলাকৌশল নিরুপন, রোগ বালাই সম্পর্কে জরিপ ও আগাম ব্যবস্থা গ্রহণে কৃষককে সতর্ক করা। এছাড়াও মাঠ ফসলে ও জনস্বাস্থ্যে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরণের বালাইনাশকের নিবন্ধন, উৎপাদন ও বিপণনে লাইসেন্স প্রদান এবং বালাইনাশকের মান-নিয়ন্ত্রনে ও বিধিবদ্ধ ব্যবহারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে এ উইং এর প্রধান কাজ। বিভিন্ন যৌথ ধারণা ও বিষয়ে জাতীয়, আন্তর্জাতিক, এনজিও ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোথাযোগ রক্ষা করা। সকল প্রকার বালাইনাশকের রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট প্রদান ও নবায়ন সহ সকল ধরণের লাইসেন্স (আমদানী, পাইকারী, রি-প্যাকিং, ফরমুলেশন, বিজ্ঞাপনী ইত্যাদী) প্রদান ও নবায়ন করা; কীটনাশকের মান নিরুপণের প্রক্রিয়া দেখাশোনা এবং এর উৎপাদন, বিক্রয় ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা; কীটনাশক ব্যবহারের পরিবেশগত প্রভাব নিরুপণ ও পরিবীক্ষণ করা এবং পরিবেশ রক্ষার কাজ উন্নয়নের জন্য যথাযথ কার্যক্রম ও নীতিমালার সুপারিশ প্রদান করা অন্যতম কাজ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের উপপরিচালক (বালাইনাশক ও মাণ নিয়ন্ত্রণ) কাজী শফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার জনস্বাস্থ্য ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে জোর দিচ্ছে এরই ধারাবাহীকতায় দেশে মাণহীন কীটনাশক ব্যবহারে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে কৃষি সম্প্রসারণ আধিদপ্তর। এরই ধারাবাহীকতায় দেশের প্রতিটি উপজেলা থেকেই প্রতি নিয়তই নমুনা আসছে আমাদের পরীক্ষাগারে। অক্টোরব পর্যন্ত ৯৭৫ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৩৭ টি পণ্যে মান ভালো পাওয়া গেছে। ১৩২ টির মান খারাপ হওয়ায় এগুলো মাঠ থেকে প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আগে যেখানে মানহীন কীটনাশক কৃষকদের ওপরে বোঝা হয়েছিল। সে ব্যবস্থা থেকে এখন পরিত্রাণ পেতে শুরু করেছে। আশা করা যায়, মাঠ কর্মকর্তারা সেভাবে নমুনা পাঠাচ্ছেন, তাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে মাণহীন পণ্য ব্যবহার ও প্রতাড়না বন্ধ করা সম্ভব হবে। এটি আমাদের চলমান প্রক্রিয়া। ভেজাল ওমানহীন পণ্য উৎপাদন ওবিপনান না করার জন্য কীটনাশক ব্যবসায়ীদের চিঠি দিয়ে সতর্ক করা হচ্ছে। ক্ষেত্র বিশেষে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে জেল-জরিমানাও করা হচ্ছে। কোনো কোম্পানির কীটনাশক ভেজাল প্রমাণিত হলে নিবন্ধন বাতিল করা হচ্ছে। নিষিদ্ধ কীটনাশক বিক্রির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চলমান। মাঠ পর্যায় থেকে আসা নমুনা ল্যাবে পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দিতে আগে সময় বেশি লাগলেও এখন সময় কম লাগছে। একারণে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

সম্প্রতি রাজশাহীতে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে, মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধানমূলক সমীক্ষা করেছে ‘বারসিক’ নামের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। তারা রাজশাহীর আটটি উপজেলার ১৯টি কৃষিপ্রধান অঞ্চলে এই সমীক্ষা চালান। এতে তারা দেখতে পান, সেখানকার ৬৮ ভাগ মানুষ নিষিদ্ধ কীটনাশক ব্যবহার করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিষিদ্ধ কীটনাশক সেখানকার ৯৯ ভাগ কীটনাশকের দোকানেই পাওয়া গেছে। ৯৩.৩৭ ভাগ মানুষ জানে না, এসব কীটনাশক নিষিদ্ধ। তাদের ভাষ্যমতে, নিষিদ্ধ কীটনাশকগুলো এমনভাবে বিক্রি হচ্ছে যে, দেখে বোঝার উপায় নেই যে, এসব নিষিদ্ধ। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের একজন অধ্যাপকের নেতৃত্বে দেশে প্রথমবারের মতো, বেশি বিপজ্জনক বালাইনাশক চিহ্নিত করেছেন একদল গবেষক। তারা জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আটটি মানদণ্ড অনুযায়ী, ২৫টি বিপজ্জনক বালাইনাশক শনাক্ত করেছেন। এই ২৫টি বালাইনাশকের ১১টি কীটনাশক, ৭টি ছত্রাকনাশক, ৫টি আগাছানাশক, ২টি ইঁদুর নাশক। এই ২৫টি বালাইনাশকের মধ্যে ৯টি বিপজ্জনক কীটনাশক বেশি ব্যবহৃত হয়। এগুলো হলো এবামেকটিন, ক্লোরপাইরিফস, প্যারাকুয়াট, গ্লাইফসেট, গ্লুফোসিনেট অ্যামোনিয়াম, কার্বেন্ডাজিম, প্রোপিকোনাজোল, জিঙ্ক ফসফাইড ও ব্রোমাডিওলন। মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্যমতে, আমাদের দেশে ব্যবহৃত রাসায়নিক কীটনাশকের ৬০শতাংশ চরম বিষাক্ত, ৩০শতাংশ কম বিষাক্ত ও ১০শতাংশ বিষাক্ত নয়।

অর্গানোক্লোরিন, পাইরিথ্রয়েড, অর্গানোফসফেট ও কার্বনেট গ্রুপের কীটনাশক মাছের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। নিওনিকোটিনয়েডস, ফিপ্রোনিল, ডিডিটি পরিবেশের জন্য এতটাই ক্ষতিকারক যে, এসব এখন আমাদের দেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাসায়নিক কীটনাশক শুধু পরিবেশ ও মানুষের অনেক ক্ষতি করে না, এর ব্যবহারে উৎপাদন বাড়লেও মাটি, পানি, বাতাস দূষিত হয়। পোকামাকড় মেরে ফেলার কারণে হ্রাস পায় জীববৈচিত্র্য। সবচেয়ে মারাত্মক প্রভাব পড়ে মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর। এর ফলে ক্যানসারসহ নানাবিধ রোগ দেখা যায়। ডিডিটি, অর্গানোফসফেট ব্যবহারে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। এটি ফুসফুসে গিয়ে মারাত্মক প্রদাহ সৃষ্টি করে, যা শ্বসনতন্ত্রের ক্ষতি করে। শ্বাসকষ্টের এসব সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে, গ্রামের কৃষকদের। সাধারণত লিভার, ফুসফুস ও পাকস্থলীতে ক্যানসার হচ্ছে। তারা শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমার মতো সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন।

কীটনাশক ব্যবহার থেকে পুরুষদের বীর্য উৎপাদন হ্রাস ও শুক্রাণু কমে যেতে পারে ও নারীদের মাসিক সমস্যা, গর্ভধারণ ও গর্ভপাতের সমস্যা হতে পারে। ভূমিষ্ঠ শিশুর জন্মগত সমস্যা দেখা দিতে পারে। শিশুর বুদ্ধিমত্তা হ্রাস হতে পারে। এমনকি শিশুর আচরণগত নানা সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া পারকিনসন রোগ, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, স্নায়বিক দুর্বলতা প্রভৃতিও হতে পারে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই)সাবেক মহাপরিচালক মো. ছাইফুল আলম বলেন, গণমাধ্যমসহ ডিএইএর নানা কর্মকান্ডের ফলে কীটনাশক ব্যবহার কমাতে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে। এখন কীটনাশক ব্যবহারের আগে তারা চিন্তা করে। অনেক ক্ষেত্রে তারা কীটনাশকের অযথা ব্যবহার কমাচ্ছে। আমাদের খাদ্য উৎপাদন বাড়লেও নিরাপদ খাদ্যের উৎপাদন সেভাবে বাড়েনি। তাই আমাদের ২০৫০ সালের মধ্যে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদনে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অনুকূল আবহাওয়া না থাকা, কীটপতঙ্গের টিকে থাকার সক্ষমতা বাড়া ও ভেজালের কারণে কীটনাশক প্রয়োগ করেও ফল পাচ্ছেন না কৃষক। এ অবস্থায় ব্যবহৃত রাসায়নিকের পরিবর্তে জৈব বালাইনাশক ব্যবহার বাড়াতে হবে। এ বিসয়ে সচেতনতাও প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

অপর এক সাবেক মহাপরিচালক আব্দুল মুঈদ বলেন, কীটনাশকের ব্যবহার পোকা-মাকড় নিয়ন্ত্রণের জন্য হলেও এটি মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কেননা কীটনাশক ব্যবহারের কারণে অনেক রোগবালাইয়ের জন্ম হচ্ছে। তাই আমাদের খাদ্যনিরাপত্তার সঙ্গে স্বাস্থ্যের বিষয়টিও দেখতে হবে। কৃষিখাতে উন্নতির ফলে সারা বছর শাক-সবজি পাওয়া গেলেও সেগুলো কতটুকু নিরাপদ তা নিয়ে চিন্তা করতে হবে। কেননা ক্যানসারে আক্রান্ত ৬৪ শতাংশই কৃষক। তারা কীটনাশক স্প্রে করতে গিয়ে ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন।

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park