কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি:
অমর একুশে বইমেলা উপলক্ষে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-মামুনের বই ‘সবুজ ঘাস ও গো-খাদ্য ব্যবস্থাপনা’। বইটি প্রকাশ করছে অনুজ প্রকাশন।
প্রকাশক জানান, বইটি মেলায় এশিয়া পাবলিকেশনের স্টলে পাওয়া যাবে। এরই মধ্যে ২৫ শতাংশ ছাড়ে বইটি রকমারিতে প্রি-অর্ডার শুরু হয়েছে। বইটির মূল্য ৩০০ টাকা। অমর একুশে গ্রন্থমেলার এশিয়া পাবলিকেশন্সের 561-564 নং স্টলে পাওয়া যাবে। এছাড়াও রকমারি ডট কমেও পাওয়া যাচ্ছে।
বইটিতে গবাদি প্রাণির জন্য সবুজ ঘাসের উপকারিতা, সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং উৎপাদন বৃদ্ধিতে সবুজ ঘাসের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের খামারিরা স্বল্প এবং বৃহৎ পরিসরে সবুজ ঘাসের চাষ করলেও ঘাস চাষের সঠিক জ্ঞানের অভাবে ঘাসের গুণগত মান বজায় থাকে না যা গবাদি প্রাণির উৎপাদন বৃদ্ধিতে অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। গ্রন্থটিতে খামারিদের এসব ভুল ধারণা ভাঙিয়ে ঘাস চাষের সঠিক পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে।
এখানে গবাদি প্রাণির জন্য সবুজ ঘাসের উপকারিতা, সবুজ ঘাসের প্রকারভেদ, ঘাস চাষের বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি, ঘাস চাষের সমস্যাবলি, সমস্যা সমাধানের উপায়, সবুজ ঘাস সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং গবাদি প্রাণিকে খাওয়ানোর নিয়মাবলি সহজ ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে খামারিরা গবাদি প্রাণির জন্য প্রয়োজনীয় সবুজ ঘাস উৎপাদনের পাশাপাশি তা সংরক্ষণ এবং খাওয়ানোর নিয়ম সম্পর্কেও একটি পরিপূর্ণ ধারণা পাবে যা গবাদি প্রাণির উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সর্বোপরি দেশের মানুষের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে।
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-মামুন বলেন, বাংলাদেশের খামারিরা স্বল্প এবং বৃহৎ পরিসরে সবুজ ঘাসের চাষ করলেও সঠিক জ্ঞানের অভাবে গুণগত মান বজায় থাকে না। যা গবাদিপশুর উৎপাদন বৃদ্ধিতে অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। বইটিতে খামারিদের এসব ভুল ধারণা ভাঙিয়ে ঘাস চাষের সঠিক পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে।
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-মামুন ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপালন অনুষদ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করে স্নাতক শেষ করেন এবং গোল্ড মেডেল লাভ করেন। ২০০০ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে এনিম্যাল নিউট্রিশন বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। পরে অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন।
তিনি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গবেষণার সঙ্গে যুক্ত। তরুণ এ বিজ্ঞানী ‘বেস্ট পাবলিকেশন অ্যাওয়ার্ড’, ‘গ্লোবাল রিসার্চ ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড’, ‘স্ট্যান্ডার্ড চার্টাড-চ্যানেল আই এগ্রো অ্যাওয়ার্ড ২০২৩’ সহ নানা সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। এ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে কাজ করছেন।