কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক :
বিদ্যুতের দাম গ্রাহক পর্যায়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। যেখানে প্রতি ইউনিটে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে পাইকারি পর্যায়েও বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ হারে বাড়ানো হয়েছে। আর সঞ্চালন চার্জ বাড়ানো হয়েছে ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
বুধবার (৩ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এ দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
সেখানে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ধাপের গ্রাহকদের মধ্যে সবচেয়ে কম ১৫ শতাংশ ও সর্বোচ্চ ১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে। জুন থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হচ্ছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, লাইফ লাইনের গ্রাহক অর্থাৎ ৫০ ইউনিট পর্যন্ত যারা বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন তাদের ইউনিটপ্রতি ৪ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে ৬৯ পয়সা বাড়িয়ে ৫ টাকা ৩২ পয়সা, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিদ্যুতের দাম ৫ টাকা ২৬ পয়সা থেকে ৯২ পয়সা বাড়িয়ে ৬ টাকা ১৮ পয়সা এবং ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৭ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১টাকা ৩০ পয়সা বাড়িয়ে ৮টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট ৭ টাকা ৫৯ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫১ পয়সা বাড়িয়ে ৯টাকা ১০ পয়সা৷ ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিট ৮টাকা ০২পয়সা ১ টাকা ৬০ পয়সা বাড়িয়ে ৯ টাকা ৬২ পয়সা। ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিট ১২ টাকা ৬৭ টাকা থেকে ২ টাকা ৩৪ পয়সা বাড়িয়ে ১৫ টাকা ০১ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের ওপরে ১৪ টাকা ৬১ থেকে ২ টাকা টাকা ৭৪ পয়সা বাড়িয়ে ১৭ টাকা ৩৫ পয়সা নির্ধারণ করা করা হয়েছে৷ এদিকে, কৃষি সেচে ইউনিট প্রতি ৫ টাকা ২৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ০৪ পয়সা করা হয়েছে। শিক্ষা, ধর্মীয়, হাসপাতাল ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ৭ টাকা ৫৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯টাকা ০৫ পয়সা করা হয়েছে। রাস্তার বাতি ও পানির পাম্পের ক্ষেত্রে ৯ টাকা ৭১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১টাকা ৪৬ পয়সা করা হয়েছে। ক্ষুদ্রশিল্পের ক্ষেত্রে ১১ টাকা ৭৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১২টাকা ৭৩ পয়সা করা হয়েছে। নির্মাণশিল্পে ১৫ টাকা ১৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৮টাকা ০৯ পয়সা করা হয়েছে। ইলেকট্রিক ভেহিকেল ও ব্যাটারিচার্জিং স্টেশনে ৯ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১টাকা ৩৬ পয়সা করা হয়েছে। বাণিজ্যিক ও অফিসে ১৩ টাকা ০১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৫টাকা ৩৬ পয়সা করা হয়েছে।
এর আগে সবশেষ ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম সাড়ে ৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল। তখন পাইকারিতে ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।