1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
পায়রা বন্দর প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম পেয়েছে দুদক - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

পায়রা বন্দর প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম পেয়েছে দুদক

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৬০ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক:

পায়রা বন্দর প্রকল্পের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় অর্থের ক্ষতিসাধনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), প্রধান কার্যালয়, ঢাকা থেকে আজ একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে বলে দুদক সূত্রে জানাগেছে।

দুদকের জনসংযোগ দপ্তর জানায়, প্রকল্পের নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১ জুলাই ২০১৫ সালে ১১২৮.৪৩ কোটি টাকায় বন্দরটির অবকাঠামো ও সাপোর্ট ফ্যাসিলিটি নির্মাণের জন্য মূল ডিপিপি অনুমোদিত হয়। প্রকল্পটি ২০১৮ সালের ৩০ জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে সময় ও ব্যয়—উভয়ই একাধিকবার বাড়ানো হয়। অবকাঠামো ও সাপোর্ট ফ্যাসিলিটি নির্মাণ প্রকল্পের- ১ম সংশোধিত ডিপিপি (২০২০): ৩৩৫০.৫১ কোটি টাকা, ২য় সংশোধিত ডিপিপি (২০২৩): ৪৩৭৪.৪৭ কোটি টাকা, প্রকল্পের সমাপ্তি: ৩০ জুন ২০২৪
এছাড়া, পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল প্রকল্প ২০১৯ সালে শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ -এ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা এখন ২০২৬ সাল পর্যন্ত গড়িয়েছে। এই প্রকল্পের ব্যয়ও ৫৪২৭.৯৪ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

প্রকল্প এলাকাজুড়ে প্রায় ৭৫ কিমি দীর্ঘ রাবনাবাদ চ্যানেলের ড্রাফট কম থাকায় ফিডার ভেসেল চলাচল নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক ড্রেজিং প্রয়োজন হচ্ছে মর্মে টিম তথ্য পায়, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। অথচ বন্দরটি দিয়ে এখনো উল্লেখযোগ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়নি। ফলে এ প্রকল্পের মাধ্যমে ফলে সরকারের আয় না হয়ে বরং সচল রাখার জন্য ব্যয় হচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য নেতিবাচক মর্মে টিমের নিকট প্রতীয়মান হয়।

এনফোর্সমেন্ট টিম সংগৃহীত রেকর্ডপত্রের প্রাথমিক বিশ্লেষণ শেষে কমিশন বরাবর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park