1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
চাল-ডাল-তেলসহ ১৩ পণ্য মিলছে প্লাস্টিকের বিনিময়ে - কৃষি সংবাদ
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অভিযান, ৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা জরিমানা ৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ভ্যাকসিন উৎপাদনে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার তাগিদ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শ্রমিক বিক্ষোভে রণক্ষেত্র সাভার, ওসির গাড়িতে আগুন ডিসেম্বরেই পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ, কার্যকর জানুয়ারিতে ফল, গরুর মাংস ও পোল্ট্রিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দেশব্যাপী অভিযান রাজস্ব বৃদ্ধিতে চিংড়ি মহাল পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত পদ্মা-যমুনায় দ্বিতীয় সেতু ও ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা ব্যারাজ, পদ্মা ও যমুনা দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত লাখ টাকার ঘুষসহ লালবাগের সার্ভেয়ার আটক

চাল-ডাল-তেলসহ ১৩ পণ্য মিলছে প্লাস্টিকের বিনিময়ে

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১০৪ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি নীলফামারী:

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সময়ে ভয়াবহ পরিবেশ দূষণের উপকরণ পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বিনিময়ে চাল, ডাল, তেল, চিনি ও লবণসহ ১৩ ধরনের নিত্যপণ্য দিচ্ছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। পরিবেশ দূষণরোধে সারা দেশের মতো নীলফামারীতেও এমন উদ্যোগ নিয়েছে ফাউন্ডেশনটি।

পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জমা দিয়ে পণ্য পাওয়ায় খুশি এ অঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

রোববার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শহরের আশা কমিউনিটি সেন্টারে ৪০০ পরিবারকে পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বিনিময়ে নিত্যপণ্য দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

সারাদিন প্রায় ৩ শতাধিক নারী-পুরুষ প্লাস্টিকের বিনিময়ে নিত্যপণ্য কেনার কার্যক্রমে অংশ নেন।

প্লাস্টিক নিয়ে আশা শিউলি বেগম বলেন, আমাদের বাড়ির পাশে এসব পণ্য পড়ে থাকতো, এতে মশা জন্ম নিতো। সেখান থেকে এসব প্লাস্টিক তুলে এনে যে এতো সুন্দরভাবে এমন বাজার করার সুযোগ পাবো কখনো ভাবিনি।

নতুন বাজার থেকে রিকশা ভর্তি করে প্লাস্টিক নিয়ে এসেছেন রেজিয়া বেগম। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি এসব প্লাস্টিক বাইরে বিক্রি করতাম, তাহলে ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি পাইতাম। কিন্তু এখানে এনারা সুযোগ দিচ্ছেন, এই রকম সুযোগ কেউ কখনো দেয়নি। আমরা চাই, তারা মাঝে মধ্যেই এমন আয়োজন করুক।’

কাজলী আক্তার বলেন, ‘এটা খুব ভালো কাজ। এটা শোনার পর আমাদের বাড়ির আশপাশের সব প্লাস্টিক খুঁজে তুলে নিয়ে আসছি। এর ফলে আমাদের বাড়ির আশপাশও পরিষ্কার হইলো এবং এখানে এসে অনেকগুলো পণ্য পাইলাম। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য অনেক ভালো একটি বিষয়, যে দাম জিনিস পাতির, তেল, ডিম, ডাল নিলাম অনেকগুলো টাকা বাঁচলো।’

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবী রানা আহমেদ বলেন, প্লাস্টিক এক্সেঞ্জ স্টোর। এটার উদ্দেশ্য হচ্ছে, পুরাতন প্লাস্টিকের বিনিময়ে আমরা নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য দিচ্ছি। আমরা চাই, পরিবেশ সুন্দর হোক। এর পাশাপাশি বর্তমান বাজারে যে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সাধারণ মানুষ যাতে আমাদের কাছ থেকে কিছু পণ্য নিয়ে তারা কিছুটা স্বস্তিতে থাকতে পারে।

তিন আরও বলেন, চাল, ডাল, তেল, লবণসহ মোট ২৩টি পণ্য আমরা আজকে আমরা দিচ্ছি। ১ কেজি প্লাস্টিক দিলে ১ কেজি চাল পাবে, ৩ কেজি প্লাস্টিক দিলে ১ কেজি সয়াবিন তেল পাবে, ৩ কেজি প্লাস্টিক ১ কেজি চিনি, ৩ কেজি প্লাস্টিক দিলে ১ কেজি ডাল পাবে, ১ কেজি প্লাস্টিক দিলে ৬টি ডিম পাবে। এরকম ১৩টি পণ্য রয়েছে। যে যত বেশি প্লাস্টিক আনবে সে তত বেশি পণ্য পাবে।

পরিবেশ রক্ষায় নীলফামারীসহ ৬৪টি জেলায় ‘প্লাস্টিক এক্সেঞ্জ স্টোর’ স্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। ২০২২ সালে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্লাস্টিক দূষণ কমানোর জন্য একটি উদ্যোগ গ্রহণ করে যার নাম ‘প্লাস্টিক এক্সেঞ্জ স্টোর’। যেখানে মানুষ তাদের ব্যবহৃত প্লাস্টিক পণ্যের খালি পাত্র, বোতল বা পলিথিন এক্সচেঞ্জ করে নিতে পারেন চাল, ডাল, তেল, চিনি ও লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি। এতে স্থানীয়দের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের চাহিদা যেমন পূরণ হয়েছে, ঠিক তেমনই কমেছে পরিবেশ দূষণ।

স্থানীয় অধিবাসীরা নিজেরাই সমুদ্র সৈকত থেকে কুড়িয়ে প্লাস্টিক বিদ্যানন্দের স্টোরে জমা দিয়ে নিত্যপণ্য নিয়ে যান।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park