1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সমবায় ভিত্তিক কৃষি ব্যবস্থাপনা জরুরি - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে সমবায় ভিত্তিক কৃষি ব্যবস্থাপনা জরুরি

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৮৯ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি:

কৃষক সমবায়সমূহ টেকসই কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশের মোট খাদ্যের ৬০-৭০শতাংশ উৎপাদন করে ক্ষুদ্র কৃষকেরা, অথচ এদেরঅনেকেই পুষ্টিহীনতা ও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে থাকে।

শনিবার ঢাকার একটি হোটেলে সমবায় ভিত্তিক কৃষি উন্নয়ন ও আর্থিক সক্ষমতাবৃদ্ধি শীর্ষক জাতীয় পর্যায়ের একটি সমাপনী কর্মশালায় বক্তারা এ বথা বলেন। কোস্ট ফাউন্ডেশন এ কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, একাডেমিয়া, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং দেশেরবিভিন্নপ্রান্তেরকৃষক সংগঠন (এফও)-এর নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালার উদ্দেশ্য ছিল অর্জিত অগ্রগতির মূল্যায়ন, ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা, নিরাপদকৃষি, এবং সারাদেশে ক্ষুদ্র কৃষকদের উন্নয়নে যৌথ প্রতিশ্রুতি আরও সুদৃঢ় করা।

অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এস এম সোহরাব উদ্দিন তার বক্তব্যে চাষাবাদের আগে যথাযথ ফসল পরিকল্পনা এবং পণ্য নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।মিসম্যারিয়েল জিমারম্যান, প্রোগ্রাম অফিসার, ইফাদ(IFAD) এশিয়া ও প্যাসিফিক ডিভিশন বলেন, কর্মসূচির সফল কেইসস্টাডিগুলো সুসংগঠিতভাবে লেখাথাকলে তা ব্যাপকভাবে অনুকরণ ও সম্প্রসারণে সহায়ক হবে।মোঃমোহসিন আলী, নির্বাহী পরিচালক, ওয়েভ ফাউন্ডেশন বলেন, পরিবেশগত কৃষি, জৈব সার এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের মাধ্যমে কৃষকের জীবন-জীবিকা ও ভোক্তার স্বাস্থ্যউভয়ই সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন এম রেজাউল করিম চৌধুরী, নির্বাহীপরিচালক, কোস্ট ফাউন্ডেশন। তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদে রাসায়নিকভিত্তিক কৃষির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে আমাদের আবারও পরিবেশগত কৃষির চর্চায় ফিরতে হবে। সনত কুমার ভৌমিক, উপনির্বাহী পরিচালক, কোস্ট ফাউন্ডেশন এইআয়োজনেরমূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, কর্মসূচির আওতায় ৬টি কৃষক সংগঠনকে ঘূর্ণায়মানতহবিল ভিত্তিতে ২.০৮ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে,এইকর্মসূচি বাস্তবায়নেরফলে যুবসমাজের কৃষিতে সম্পৃক্ততার হার ২৫%(কর্মএলাকায়, নির্বাচিতকৃষকসংগঠনসমূহে) বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

নঈম ওয়াহরা, সদস্য সচিব, র্ডিজাস্টার ফোরাম ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন, কোস্ট ফাউন্ডেশন বলেন, এ ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তনের গল্পগুলো দেশব্যাপী প্রচার করলে তরুণদের কৃষিতে আগ্রহ ও সম্পৃক্ততা বাড়বে। ক্ষুধামুক্ত বিশ্বের কান্ট্রি ডিরেক্টর আতাউর রহমান মিটন বলেন, সমবায় কাঠামো কৃষকদের ক্ষমতায়ন করে, যার মাধ্যমে তারা ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পারে, যৌথভাবে বাজারে প্রবেশ করতে পারে এবং ধাক্কা মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়াতে পারে।

আহমেদ বোরহান, পরিচালক, সেন্টার ফর সোশ্যাল রিসার্চ গ্রামীণ জনসংখ্যার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে বলেন যে গ্রামের ২০-২৫% মানুষ প্রবীণ। তিনি কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে গবেষণা ও সচেতনতা অভিযান পরিচালনার সুপারিশ করেন। আলাউদ্দিন সিকদার, সভাপতি, গৈয়াতলা সমবায় বলেন, দেশীয় বীজ উৎপাদন করার লক্ষ্যে স্থানীয় কৃষক সংগঠনগুলো মূখ্যভূমিকা পালন করতে পারে। তিনি জোরালোভাবে জানান, সরকারের কৃষিবিষয়ক বিভিন্ন অঙ্গসংস্থান রয়েছে। সার ও কীটনাশকের মূল্য পর্যবেক্ষণ, এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সমন্বয়ে এই সংস্থাগুলো বা অধিদপ্তরগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

মাহফুজা আক্তার, সভাপতি, যুব কমিটি, গৈয়াতলা সমবায় বলেন, উপকূলীয় এলাকায় জলবায়ু অভিযোজনের অংশ হিসেবে লবণাক্ততাসহিষ্ণু বীজের বিস্তার জরুরি।তিনি সরকারের কাছ থেকে এই বিষয়ে প্রণোদনার দাবি জানান।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী যুবকৃষকরা ও উদ্যোক্তারাতাদের নিজ নিজ অনুপ্রেরণাদায়ক ও সফলতারগল্প উপস্থাপন করেন।

কর্মশালা শেষে সবাই এক অভিন্ন অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন, কৃষক সমবায়কে আরও শক্তিশালী করা, সমবায়কেকৃষি মন্ত্রণালয়ের আইনিআওতায় নিয়ে আসা, নারী ও তরুণ কৃষকদের অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণকে স্বীকৃতিএবংআরও বিস্তৃত করা।র্

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park