1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
কিশোরগঞ্জে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে আলু ও মেটে আলু - কৃষি সংবাদ
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অভিযান, ৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা জরিমানা ৪ ডিসেম্বর হচ্ছে না মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ভ্যাকসিন উৎপাদনে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনার তাগিদ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শ্রমিক বিক্ষোভে রণক্ষেত্র সাভার, ওসির গাড়িতে আগুন ডিসেম্বরেই পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ, কার্যকর জানুয়ারিতে ফল, গরুর মাংস ও পোল্ট্রিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দেশব্যাপী অভিযান রাজস্ব বৃদ্ধিতে চিংড়ি মহাল পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত পদ্মা-যমুনায় দ্বিতীয় সেতু ও ব্যারেজ নির্মাণ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা ব্যারাজ, পদ্মা ও যমুনা দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত লাখ টাকার ঘুষসহ লালবাগের সার্ভেয়ার আটক

কিশোরগঞ্জে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে আলু ও মেটে আলু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১০৩ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ :

জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলায় পুষ্টিগুণে ভরপুর গাছ আলু ও মেটে আলু বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে। চলতি মৌসুমে পাকুন্দিয়া উপজেলায় ৪০২ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে এই দু’ধরনের আলুর। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ২০ কোটি টাকা।

স্থানীয়রা জানান, গাছ আলু চাষের জন্য আলাদা জমি, সার ও বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয় না। এটি অন্যান্ন ফসলের সাথী ফসল হিসেবে ফলন দেয়। এপ্রিল মাসের প্রথমে গাছ আলু রোপণ করা হয়। তখন জমির মাচায় কুমরা, চিচিঙ্গা ও ঝিঙা ফলন উঠতে থাকে। সেই সাথে একই মাচায় আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে গাছ অলুর ফলন আসে। আর তখন বর্ষা মৌসুম থাকায় বাজারে অন্য সবজি কম থাকায় এ আলুর বেশ চাহিদা ভালো থাকে। ফলে কৃষকের কাছে এটি আপদকালীন সবজি হিসেবেও পরিচিত। এছাড়াও মেটে আলুর গাছে মাটির নিচেও ৩ কেজি থেকে ২০ কেজি ওজনের আলু হয়। গাছ আলু অন্যান্য ফসলের তুলনায় কম খরচে ও বিনা পরিশ্রমে অধিক লাভজনক হওয়ায় পাকুন্দিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

পাকুন্দিয়া উপজেলার চরতেরটেকিয়া কৃষক আলাউদ্দিন (৫২) ও রায়হান মিয়া (৪৮) জানান, প্রতি একরে এই গাছ আলু চাষের খরচ মাত্র দুইহাজার টাকা থেকে তিনহাজার টাকা।

প্রতি ১০ শতাংশ জমিতে মাটির উপর ৩০ থেকে ৩৫ মণ ফলন হয় যার প্রতি কেজির বাজারমূল্য ৪০-৪৫ টাকা। আবার মাটির নিচে ২৫ থেকে ৩০ মণ ফলন হয় যা একহাজার চারশ’ টাকা থেকে একহাজার ছয়শ’ টাকা মণ দরে বিক্রি করা যায়।

পাকুন্দিয়া উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. বজলুল রহমান বলেন, উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকার মাটি দোআঁশ ও বেলে-দোআঁশ হওয়ায় এবং উপযোগী পরিবেশ থাকায় গাছ বা মেটে আলু মিশ্রও রিলে পদ্ধতিতে বিনাখরচে আবাদ হচ্ছে। তাই স্থানীয় কৃষক বাণিজ্যিকভাবে এ আলু চাষে দিন দিন আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

পাকুন্দিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নূর-ই-আলম জানান, অধিক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এই গাছ আলু ও মেটে প্রজাতির আলুর কদর বর্তমানে কৃষক ও ভোক্তা পর্যায়ে বাড়ছে। চলতি মৌসুমে পাকুন্দিয়া উপজেলায় ৪০২ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে এই আলু। এর উৎপাদন বাড়াতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে নানাভাবে কৃষকদেরকে সহযোগীতা করা হচ্ছে। এছাড়াও এ আলু চাষে রোগবালাই কম থাকায় খরচও কম হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park