1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
কমছে কাঞ্চন পেয়ারার উৎপাদন - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

কমছে কাঞ্চন পেয়ারার উৎপাদন

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ৭৯ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম:

পেয়ারা উৎপাদনে বিশ্বে এখন সপ্তম অবস্থানে বাংলাদেশ। পুষ্টিকর ও ঔষধি গুণসম্পন্ন এই ফল বিকিকিনির জন্য গড়ে ওঠা চন্দনাইশের বাজার পরিচিতি পেয়েছে সারাদেশে।

তবে পাহাড় কেটে মৎস্য খামার, হাইব্রিড জাতের বিভিন্ন ফলের বাগান করার কারণে পেয়ারা বাগানের সংখ্যা কমে আসছে, পাশাপাশি ইটভাটার কারণে ফলনও কমে আসছে বলে জানান চাষিরা।

চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে উপজেলার প্রায় ৭৫০ হেক্টর পাহাড়ি জমিতে পেয়ারার চাষ হয়। ২০২৩ সালে চাষ হয় ৭৫৫ হেক্টর জমিতে। ২০২৪ সালে ৭৩০ হেক্টর এবং চলতি বছর ৭২০ হেক্টর জমিতে পেয়ারার চাষ হয়েছে।

উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চল কাঞ্চননগর, হাশিমপুর, দোহাজারী, ধোপাছড়ি পেয়ারা গ্রাম হিসেবে পরিচিত। এরমধ্যে কাঞ্চননগর এলাকায় সর্বাধিক পেয়ারা উৎপাদন হওয়ায় এখানকার পেয়ারার নাম হয়ে গেছে ‘কাঞ্চন পেয়ারা’। পেয়ারা বাগান করে কয়েক হাজার মানুষ ঘুরিয়েছেন ভাগ্যের চাকা। পাশাপাশি পেয়ারা সংগ্রহ, পরিবহনেও কয়েক হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতি বছর জুলাই থেকে অক্টোবর মাসজুড়ে বিক্রি হয় চন্দনাইশের পাহাড়ি অঞ্চলে উৎপাদিত এসব সুস্বাদু পেয়ারা। এক মৌসুমেই বিক্রি হয় প্রায় শত কোটি টাকার পেয়ারা। প্রতি হেক্টরে ১৫ মেট্রিক টন পেয়ারা উৎপাদন হয়। প্রতি কেজি পেয়ারা ১০০ টাকা হিসেবে দাঁড়ায় ১০৮ কোটি টাকা। বর্তমানে প্রতি দুই পুটলি (৭০ থেকে ৮০ কেজি) পেয়ারার দাম পড়ছে গড়ে ৩ হাজার টাকার বেশি। খুচরা বাজারে প্রতি ডজন পেয়ারা ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কাঞ্চনাবাদ এলাকার ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, কাঞ্চনাবাদ মৌজার পাহাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে কাঞ্চন পেয়ারার চাষ হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন এলাকায় বাগান ছড়িয়ে পড়ে। পেয়ারা পরিপক্ব হলে শ্রমিক দিয়ে বাগান থেকে পেয়ারা সংগ্রহ করে ভোরে বাজারে নিয়ে আসা হয়। বাজার থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা পেয়ারা কিনে ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে যায়।

ছৈয়দাবাদ এলাকার পেয়ারা বাগানি আবদুল আলীম জানান, চলতি মৌসুমে ১০ কানি বাগানে তিন মাস পর্যন্ত পেয়ারা বিক্রির চুক্তি করেছেন ১ লাখ টাকায়। অবকাঠামোগত দুর্বলতা, সংরক্ষণের অভাব ও বিভিন্ন সময় পোকার আক্রমণ পেয়ারার উৎপাদন বাধাগ্রস্ত করছে। এখানকার পেয়ারা বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।

চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আজাদ হোসেন বলেন, উপজেলার হাশিমপুর, জঙ্গল হাশিমপুর, ছৈয়দাবাদ, লট এলাহাবাদ, দোহাজারী ও ধোপাছড়ি এলাকার পাহাড় ও পাহাড়ের পাদদেশে ৭২০ হেক্টর জায়গায় পেয়ারা বাগান আছে। চলতি মৌসুমে প্রায় ১১ হাজার টন পেয়ারা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে পূর্বের তুলনায় কাঞ্চন পেয়ারার উৎপাদন কমছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park