1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
আমের দাম কমে বাজার এলোমেলো - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

আমের দাম কমে বাজার এলোমেলো

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬
  • ১০৭ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি, রাজশাহী:

ঈদের ছুটির মন্দা প্রভাব পড়েছে রাজশাহীর আমের বাজারে। এতে গুটি আমের দাম কমে মণপ্রতি ৭০০ টাকায় নেমে এসেছে। গোপালভোগ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায়। তবে হিমসাগরের দাম এখনো তুলনামূলক বেশি রয়েছে-মণপ্রতি ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের ছুটিতে পরিবহন ও ক্রেতাসংকটের কারণে বাজার কার্যত এলোমেলো হয়ে গেছে। সোমবার ও মঙ্গলবার রাজশাহীর সবচেয়ে বড় আমের মোকাম পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর হাটে গিয়ে দেখা যায়, চাষিরা ভ্যানে করে আমের ক্যারেট নিয়ে আসছেন।

আড়তদারেরা ভ্যানের ওপর থেকেই আম কিনছেন। নতুন ভ্যান এলেই ব্যবসায়ীরা গিয়ে আম দেখে দাম বলছেন।ফলে চাষিদেরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে কম দামে আম বিক্রি করতে হচ্ছে।
হাটে গোপালভোগ আম বিক্রি হচ্ছে মণপ্রতি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায়, যা গত ২২ মে বাজারে ওঠার সময় ছিল প্রায় ২ হাজার টাকা পর্যন্ত। ১৫ মে থেকে বাজারে আসা গুটি জাতের আম তখন ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হলেও গতকাল তা নেমে আসে ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকায়।

২৫ মে থেকে বাজারে উঠছে রানিপছন্দ ও লক্ষ্মণভোগ আম। বর্তমানে রানিপছন্দ খুবই সীমিত পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে। লক্ষ্মণভোগ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা মণ দরে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

৩০ মে থেকে বাজারে আসা ক্ষীরশাপাতি বা হিমসাগর আম বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায়। পুঠিয়ার ভুবননগর গ্রামের আমচাষি জাহিদুল ইসলাম বলেন, এক মণ গুটি আম এখন বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়। সার, কীটনাশক ও শ্রমিক খরচ মিলিয়ে এখন আর লাভ তো দূরের কথা, খরচও উঠছে না। চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, কোরবানির ঈদের ছুটির কারণে বাজারে ক্রেতাসংখ্যা কমেছে। পাশাপাশি পরিবহন সেবা সীমিত থাকায় ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় আম পাঠানোও ব্যাহত হয়েছে, যার প্রভাব সরাসরি বাজারে পড়েছে। ব্যবসায়ী হযরত আলী বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার দাম অনেক কম। কোরবানির ঈদের কারণে বাজারে চাহিদা কমে গেছে।

ব্যবসায়ী মো. রনি বলেন, ঈদের সময় মানুষ মাংস নিয়ে ব্যস্ত থাকায় আমের চাহিদা কমে গেছে। পরিবহন সমস্যাও বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার আমচাষি আজিবুর রহমান বলেন, বর্তমান দামে উৎপাদন খরচও উঠছে না। তিনি বলেন, এই দামে আম বিক্রি মানে সরাসরি লোকসান।

অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ঈদের ছুটি শেষ হলে পরিবহন ও বাজার স্বাভাবিক হলে দাম কিছুটা স্থিতিশীল হতে পারে।রাজশাহীতে চলতি মৌসুমে বিভিন্ন জাতের আম সংগ্রহের সময়সূচি ঘোষণা করেছে কৃষি বিভাগ।

ঘোষণা অনুযায়ী, ১০ জুন থেকে ব্যানানা ম্যাংগো ও ল্যাংড়া, ১৫ জুন থেকে আম্রপালি ও ফজলি, ৫ জুলাই থেকে বারি আম-৪, ১০ জুলাই থেকে আশ্বিনা এবং ১৫ জুলাই থেকে গৌড়মতি আম সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া পেকে গেলে সারা বছরই কাটিমন ও বারি আম-১১ সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এ বছর রাজশাহীতে ১৯ হাজার ৬২ হেক্টর জমির আমবাগান থেকে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৯৯৩ টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাজশাহী জেলার উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, চলতি মৌসুমে বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় বেশির ভাগ মুকুল টিকে গেছে। ফলে উৎপাদন ভালো হয়েছে। উৎপাদন বেশি হওয়ায় বাজারে সরবরাহও স্বাভাবিক রয়েছে। এতে দাম নিয়ে বড় কোনো সমস্যা হয়নি। দাম বর্তমানে যেটা থাকা দরকার, বাজারে সেটাই রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park