1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
আট মাস পর উৎপাদনে চিটাগাং ইউরিয়া সার কারখানা - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

আট মাস পর উৎপাদনে চিটাগাং ইউরিয়া সার কারখানা

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৯৭ বার পঠিত

চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

দীর্ঘ আট মাস বন্ধ থাকার পর উৎপাদনে ফিরেছে দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় সার কারখানা চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)। রবিবার (১৩ অক্টোবর) রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে এ কারখানাটিতে উৎপাদন শুরু হয় বলে জানিয়েছে সিইউএফএল কর্মকর্তারা।

এর আগে, চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি যান্ত্রিক ত্রুটি ও গ্যাসসংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। রবিবার (১৩ অক্টোবর) পর্যন্ত কারখানাটি ২৪৮ দিন বন্ধ ছিল।

এ প্রসঙ্গে সিইউএফএল’র অতিরিক্ত প্রধান রসায়নবিদ ও উৎপাদন বিভাগীয় প্রধান উত্তম চৌধুরী বলেন, ‘দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর রবিবার রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে সিইউএফএল চালু করা হয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটি এবং গ্যাসসংকটের কারনে কারখানাটি এত দিন বন্ধ ছিল। তবে এখনও চাহিদা মতো গ্যাস মিলছে না। কারখানাটি পুরোপুরি সচল রাখতে ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন। তবে এখনও পরিপূর্ণ গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না।’

সিইউএফএল সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প করপোরেশনের (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রণাধীন এ কারখানায় প্রতিদিন গড়ে ১১০০ টন ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। ইউরিয়া সারের বাইরে এই কারখানায় দৈনিক ৭০০ টন অ্যামোনিয়াও উৎপাদিত হয়। কারখানার উৎপাদিত এসব সার বিসিআইসির ডিলারদের মাধ্যমে প্রতিটন ইউরিয়া সার ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এতে ইউরিয়া সার থেকে প্রতিদিন আয় হয় পৌনে তিন কোটি টাকা। আর প্রতিটন অ্যামোনিয়া বিক্রি হয় ৫৪ হাজার টাকা করে। এতে মোট ৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকার দৈনিক অ্যামোনিয়া উৎপাদন হয়। এই হিসাবে দিনে ৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকার ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদিত হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park