1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
অভ্যন্তরীণ উৎস্য থেকে সংগ্রহ হবে টুনার জাহাজ - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

অভ্যন্তরীণ উৎস্য থেকে সংগ্রহ হবে টুনার জাহাজ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৩৪২ বার পঠিত

সুমন ইসলাম :

ফের আশার আলো দেখা যাচ্ছে লং লাইনার টুনা জাহাজ সংগ্রহে। গভীর সমুদ্র থেকে টুনাসহ সমজাতীয় মাছ সংগ্রহ ও গবেষণার জন্য এবার দেশীয় উৎস্য থেকে জাহাজ সংগ্রহ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে।

‘গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ ও সমজাতীয় পেলজিক মাছ আহরণ’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. জুবায়েদুল আলম বলেন, সিঙ্গাপুরভিত্তিক জাহাজ সরবরাহকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইউনিমেরিন সার্ভিসেস পিটিই লিমিটেডের সঙ্গে দুটি লং লাইনার ধরনের জাহাজ সরবরাহে ২১ কোটি ১৬ লাখ টাকার চুক্তি করা হয়েছিল। কিন্তু সেই প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সময় ও স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী জাহাজ না দেওয়ায় চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। এখন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উৎস্য থেকে এ জাহাজ সংগ্রহ করা হবে।

প্রকল্প পরিচালকের দপ্তর ও বিশেষজ্ঞরা জানান, টুনার গবেষণায় সহযোগিতা করার জন্য জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং জাপানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল, কিন্তু তারা রাজি হয়নি। মৎস্য অধিদপ্তরের যে জাহাজ আছে, সেটি দিয়েও গবেষণা করা সম্ভব নয়। গভীর সমুদ্রে গবেষণার জন্য দেশে এ ধরনের কোনো জাহাজ নেই। তাই বাধ্য হয়ে টুনা গবেষণার জন্য দুটি জাহাজ কিনতে চেয়েছিল বাংলাদেশ। প্রতিবছর আগস্ট থেকে অক্টোবরে শুরু হয় টুনা মাছের মৌসুম। আর বাংলাদেশের জলসীমায় শুধু মাত্র আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে এ মাছের দেখা মিললেও পরে আর দেখা যায় না।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক জলসীমায় মাছ ধরতে লং লাইনার ও পার্সসেইনার ধরনের জাহাজের প্রয়োজন হয়। এ ধরনের জাহাজ বাংলাদেশে নেই। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে সামুদ্রিক মৎস্য আহরণের লক্ষ্যে টুনা ও টুনা জাতীয় পেলাজিক মাছ আহরণে সক্ষম নৌযান নির্মাণ বা আমদানির অগ্রগতিবিষয়ক পর্যালোচনা সভা হয়। ওই সভা সূত্র জানায়, গভীর সমুদ্রে বা আন্তর্জাতিক জলসীমায় মাছ ধরার জন্য ১৯টি লং লাইনার ও পার্সসেইনার ধরনের জাহাজ কেনার অনুমতি দিয়েছিল মৎস্য অধিদপ্তর। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ এ ধরনের জাহাজ কেনেনি।

মৎস্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক বলেন, টুনা ও সমজাতীয় মাছ সংগ্রহের জন্য বেসরকারি বিনিয়োগ আহ্বান করা হয়েছিল। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসেনি। পরবর্তীতে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। আর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানও সময় ক্ষেপন করেছিল। যাতে করে অর্থমন্ত্রণালয় আমাদের গুরুত্ব ও প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ ছাড় দেয়নি। পরে শুনেছি স্পেসিফিকেশন ঠিক না থাকায় জাহাজ দুটি আর সংগ্রহ করা হয়নি।

তিনি আরও জানান, বঙ্গোপসাগরে এক লাখ ৩১ হাজার ৯৮ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকার একচ্ছত্র অর্থনৈতিক এলাকার (ইইজেড) জলসম্পদের মালিক হলেও আমাদের এই সীমায় টুনার উপস্থিতি নেই। টুনার জন্য আরো ১৫০ মাইল শ্রীলংকার দিকে যেতে হবে। তবে আগে দু’একটি জাহাজ থেকে বড়শি দিয়ে টুনা মাছ শিকারের তথ্য আসলেও এখন সে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। আর পৃথিরীর কোনো দেশেই টুনা নিয়ে পূণাঙ্গ জরিপ নেই।

মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ২৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ বঙ্গোপসাগরে মৎস আহরণ করে। গভীর সমুদ্রে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মিলিয়ে প্রায় ৬৭ হাজার মাছ ধরার নৌকা রয়েছে। এছাড়া বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক সম্পদের অনুসন্ধান পরিচালনায় কাজ করছে মালয়েশিয়া থেকে আনা গবেষণা জাহাজ আরভি মিন সন্ধানি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park