1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
হাতিয়ে নেওয়া হলো ৩৫৭ মণ ইলিশ - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

হাতিয়ে নেওয়া হলো ৩৫৭ মণ ইলিশ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫
  • ৮৭ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ ডেস্ক:

নিয়ম-কানুনের কোন বালাই নাই। চাঁদাবাজি স্টাইলে প্রতিমণ ইলিশ বিক্রিকালে ৪২-৪৩ থেকে ৪৪ কেজি পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। দক্ষিনের বৃহৎ ইলিশের মোকাম পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আলীপুর-মহিপুরে ফ্রি-স্টাইলে এসব চলছে। ওজন করা হচ্ছে পুরনো লোহা কিংবা কাঠের দাড়িপাল্লায়। শতকরা ৯৫ জনের আড়তে নেই ডিজিটাল পদ্ধতির মিটার। ফলে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ জীবনের নানা ঝুঁকি নিয়ে সাগরবক্ষে জেলেদের আহরিত সোনার দামের ইলিশ বিক্রি করতে গিয়ে চরমভাবে প্রতারিত হচ্ছেন।

মণপ্রতি গড়ে ২-৩ কেজি বেশি ইলিশ নেওয়া হচ্ছে। এক শ্রেণির আড়ত মালিকসহ মাপ দেওয়ার সরদাররা জেলেদেরও এমন সর্বনাশ করছে। এক শ’ মণ ইলিশ বিক্রি করলে অন্তত চার-থেকে পাঁচ মণ ইলিশ বিনা টাকায় হাতিয়ে নিচ্ছে ক্রেতারা। বর্তমান বাজারে ৫০০ গ্রাম থেকে শুরু করে এক কেজি পর্যন্ত সাইজের ইলিশের মণ কমপক্ষে ৬০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা। এর বেশিও রয়েছে বড় সাইজের ইলিশ। মৎস্য বিভাগের দেওয়া তথ্যমতে গত ১১ জুন অবরোধ শেষ হওয়ার পওে ১২ জুলাই পর্যন্ত এক মাসে মহিপুর-আলীপুর মোকামে ২৬৫ টন ইলিশের আমদানি হয়েছে। জেলেদের হিসাবে ২৭ মনে এক টন। সেই হিসাবে কমপক্ষে সাত হাজার এক শ’ ৫৫ মণ ইলিশ আমদানি হয়েছে।

মণ প্রতি কমপক্ষে দুই কেজি করে বেশি নেওয়া হলেও ৩৫৭ মণ ইলিশ বিনামূল্যে মধ্যসত্বভোগী চক্র হাতিয়ে নিয়েছে। যা টাকার অংকে কমপক্ষে তিন কোটি টাকা। গত একমাসে দরিদ্র জেলেদের কাছ থেকে এ পরিমাণ টাকার ইলিশ ওজনের গ্যাড়াকলে আটকে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। জেলেরা দাদনসহ নানা বেড়াজালে আটকে থাকার কারণে ওজনে মণ প্রতি দুই-তিন কেজি বেশি দিতে বাধ্য হচ্ছে। চোখের সামনেই তাদের জীবনঝুঁকির উপার্জনের অন্তত তিন কোটি টাকা গত এক মাসে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। মৎস্য বিভাগসহ প্রশাসনের সকল স্তরের সামনেই এভাবে জেলেদের সর্বনাশ করা হচ্ছে। ঠকানো হচ্ছে মহিপুর-আলীপুরেও অন্তত ১১০ টি মাছের আড়ত রয়েছে। যার ৯৫ ভাগ আড়তে মাপ চলে দাড়িপাল্লায়।

ভুক্তভোগী ট্রলার মালিক ও মাঝি সমিতির উপদেষ্টা মোঃ আবু হানিফ বলেন, আমরা জুলুমের মধ্যে আটকা আছি। কেউ মিটারে মাপ দেয় না। ওজনে মণ প্রতি ২-৩ থেকে চার কেজি পর্যন্ত বেশি নেয়। আড়ত মালিকরা কোন নিয়ম-কানুন মানেন না।

এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের জেলে আশরাফ আলী জানান, ২২-২৩ জন জেলে নিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইলিশ ধরে বিক্রি করতে আনলে পুরনো কাটায় (দাড়িপাল্লায়) মাপার সময় একটু করে ঝুল দেলেও মণ প্রতি দুই-তিন কেজি মাছ বেশি চলে যায়। মাছের মাপের সরদাররা এই অমানবিক কাজটা করেন। দিন শেষে বাড়তি মাছের টাকা আড়ত মালিকের সঙ্গে ভাগ করে নেয়। এমন অমানবিকভাবে তাদের ঠাকানো ঠিক নয় বলেও জেলেরা হতাশা প্রকাশ করেন। ভুক্তভোগী জেলে ও ট্রলার মালিকরা এর থেকে পরিত্রাণ চেয়েছেন। তারা এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি চেয়েছেন।

মহিপুর মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজু আহম্মেদ রাজা জানান, ওই নির্দেশনার পরে আমরা অনেকেই ডিজিটাল পদ্ধতির মাপ চালু করেছি। বিষয়টি আবার চালুর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

কলাপাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, গত ১১ জুন অবরোধ শেষ হওয়ার পরে গত এক মাসে মহিপুর-আলীপুর মোকামে ২৬৫ টন ইলিশের আমদানি হয়েছে। এছাড়া আরও ১৩২ মেট্রিকটন সামুদ্রিক মাছের আমদানি হয়েছে। আর যাতে ইলিশসহ সকল মাছ বেচাকেনার ক্ষেত্রে ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার নিশ্চিতে তারা ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

খবর: জনকষ্ঠ

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park