1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
করিম সুপার মার্কেটে ৩ ঘণ্টায় বিক্রি ২ কোটি টাকার রেণু - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

করিম সুপার মার্কেটে ৩ ঘণ্টায় বিক্রি ২ কোটি টাকার রেণু

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫
  • ২০৫ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরা শহরের করিম সুপার মার্কেটে প্রতিদিন তিন ঘণ্টায় বিক্রি হয় প্রায় ২ কোটি টাকার চিংড়িংর রেণু পোনা। কক্সবাজারের রেণু পোনা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানই মূলত এখানের মূল বিক্রেতা। সকাল থেকেই রেণু বহনকারী মিনি ট্রাকগুলো জড়ো হতে থাকে এখানে। একইভাবে রেণু কিনতে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের ঘের মালিকেরা ছুটে আসেন সেখানে।

ট্রাকভর্তি ককসিটে পানি ভর্তি পলিথিনের প্যাকেটে থাকে বাগদা চিংড়ির রেণু। ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। এ স্বল্প সময়েই বিক্রি হয় প্রায় দুই কোটি টাকার রেণু পোনা।

ব্যবসায়ীরা জানান, রেণু পোনা বিক্রির জন্য সাতক্ষীরা শহরের করিম সুপার মার্কেট প্রসিদ্ধ হয়ে উঠেছে। এ মার্কেটে প্রতিদিন কক্সবাজারের ১৫-২০টি কোম্পানির রেণু আসে। ব্র্যান্ডের ভিন্নতায় দামেও থাকে পার্থক্য। যে যার পছন্দ মতো রেণু কিনে নিয়ে যান করিম সুপার মার্কেট থেকে।

করিম সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ী আইয়ুব হোসেন জানান, ভালোমানের বাগদা চিংড়ির রেণুর মূল্য হাজার প্রতি ৩৮৫ টাকা থেকে ৪০০ টাকা। এছাড়া নন ব্র্যান্ডের রেণুর মূল্য ২৮৫ টাকা থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

সাতক্ষীরা থেকে এ রেণু পোনা চলে যায় জেলার শ্যামনগর, আশাশুনি, কালিগঞ্জ, দেবহাটাসহ পাশের জেলা খুলনার পাইকগাছা ও কয়রার বিভিন্ন অঞ্চলে।

আগে স্থানীয় নদ-নদী থেকে সংগৃহীত রেণু পোনা দিয়ে চাহিদা মিটলেও বর্তমানে সাতক্ষীরা অঞ্চলে চিংড়ি চাষ বাড়ায় রেণু পোনার চাহিদাও বেড়েছে কয়েকগুণ। এজন্য কক্সবাজারের রেণুর ওপরই নির্ভর করেন ঘের ব্যবসায়ীরা।

তবে, রেণু ঘেরে ছাড়ার পর অনেক সময় বাঁচে না বলে জানিয়েছেন ঘের ব্যবসায়ীরা।

আশাশুনির ঘের ব্যবসায়ী আজিজ মোল্লা জানান, যে পরিমাণ রেণু ঘেরগুলোতে ছাড়া হয়, তার প্রায় অর্ধেক টিকে থাকে আর অর্ধেক মারা যায়। কক্সবাজার থেকে আসা এসব রেণু একদিন আগে গাড়িতে লোড হয়, যা ঘেরে ছাড়তে পরদিন বেলা ১২টা/১টা বেজে যায়। এতে অক্সিজেন সংকটে অনেক রেণু পোনা মারা যায়। এছাড়া নন ব্র্যান্ডের রেণুও প্রায় অর্ধেক মারা যায়।

সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জি. এম. সেলিম বলেন, সাতক্ষীরা জেলার প্রায় ৫৫ হাজার হেক্টর জমিতে সাদা সোনা খ্যাত বাগদা ও গলদা চিংড়ি উৎপাদন হয়। এজন্য ৩৫০ কোটি রেণুর চাহিদা রয়েছে। এসব রেণু কক্সবাজারের হ্যাচারিগুলো থেকে আসে। সাতক্ষীরায় পোনার দুটি মার্কেট রয়েছে- একটি সাতক্ষীরা শহরে, অন্যটি শ্যামনগরের বংশীপুরে। চাষিদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে মান ও লেবেলহীন ভেজাল পোনা বিক্রি বন্ধে মৎস্য বিভাগ সব সময় তৎপর থাকে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park