1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
কৃষিতে বাড়ছে নারীর অংশগ্রহণ, ৭৭ ভাগই কৃষি শ্রমিক - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

কৃষিতে বাড়ছে নারীর অংশগ্রহণ, ৭৭ ভাগই কৃষি শ্রমিক

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫
  • ১১৪ বার পঠিত

তরিকুল ইসলাম সুমন:

কৃষিতে নারী কেবল উপযুক্ত শস্য এবং চাষ পদ্ধতিই আবিষ্কার করেনি পাশাপাশি জমি চাষ, শস্য কাটার যন্ত্র, শস্য থেকে খাদ্য তৈরির পদ্ধতি, সারাবছর ধরে শস্য জমা রাখার ব্যবস্থা, কুমোরের চাক, চাকা, মাটিরপাল ইত্যাদি তৈরীর কৌশল নারীরাই আবিষ্কার করেছিল। সৃষ্টির আদি পেশা এই কৃষিকাজের সূচনা হয় যেমন নারীর হাত দিয়ে তেমনি প্রথম কৃষিসমাজও গড়েউঠে নারীর নেতৃত্বেই। ফলশ্রুতিতে মানবসভ্যতার ইতিহাসে নবযুগের উন্মেষ ঘটে। সেই প্রচীনকালের গিরি-গুহা থেকে উপত্যকায়-সমতলে নেমে আসা নারী আজও বিশেষ করে বাংলাদেশে বপন, রোপন, নিড়ানিসহ ফসল পরিচর্যার সকল ¯ংর এবং তা ঘরে তোলা পর্যন্ত সবকিছুই করছে।

পেশার বিকেন্দ্রীকরণ ঘটলেও শ্রমশক্তি জরীপ অনুযায়ী বিভিন্ন পেশার পাশাপাশি কষি ক্ষেলেও নারীশ্রমিকের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী গত একদশকে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে অংশ গ্রহণের নিমিত্ত্বে এক কোটি ৩০ লক্ষ বাড়তি শ্রমশক্তিযুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৫০লাখই নারী শ্রমিক। এই বাড়তি নারীশ্রমিকের প্রায় ৭৭ভাগই কৃষি শ্রমিক।

বাংলাদেশে কৃষির গুরুত্বঃ

গ্রামপ্রধান বাংলাদেশে কষিই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি। কষির অগ্রগতির সাথে এদেশের বিপুল জনগোষ্ঠির খাদ্যনিরাপত্তা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। এছাড়া দারিদ্রবিমোচন, জীবনযালার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থানবৃদ্ধি, কৃষি নির্ভর শিল্পোন্নয়ন ইত্যাদি সকল ক্ষেলেইকষি খাতের অগ্রগতির প্রত্যক্ষ যোগসূল বিদ্যমান। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী ২০১০-১১ অর্থবছরে জিডিপিতে এখাতের অবদানছিল ২০.০১ শতাংশ।
বিগত তিনদশকে গ্রামীন অর্থনীতি এখন অনেক বৈচিলময়ওগতিশীল। চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনসহকৃষিতে কর্পোরেট উপস্থিতিআজ স্পষ্টদৃশ্যমান। অগ্রসরপুঁজিবাদী দেশগুলোর মত বাংলাদেশেও সুপারমার্কেটের উত্থান কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নকষি ও গ্রামীন জীবনকে দিচ্ছেগতি। সুতরাং দেশেকৃষি উৎপাদনবৃদ্ধি, কৃষিও কৃষিনির্ভর শিল্পেকর্মসংস্থান এবং কষি থেকে কৃষকের আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা বিধানেকষির ভূমিকা সর্বাধিক।

গত একদশকে কষি, বন, মৎসচাষ, পশুপালন ও হাঁসমুরগি পালন প্রভৃতি কৃষিজাত কাজে নিয়োজিত নারী শ্রমিকের সংখ্যা ৩৭ লাখ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৮০ লাখ হয়েছে। ২০০৮ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কৃষি খাতে নিয়োজিত পুরুষের চেয়ে নারীর অবদান শতকরা ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ বেশি। এক জরিপে দেখা যায়, কর্মক্ষম নারীদের মধ্যে কৃষি কাজেই সর্বাধিক নারী নিয়োজিত। ফসলের প্রাকবপন থেকে শুরু করে, ফসল উত্তোলন, বীজসংরক্ষণ পর্যন্ত কৃষি কাজের ২১টি কাজের ধাপের মধ্যে ১৭টি ধাপেই নারীর অংশগ্রহণ বিদ্যমান।

বাংলাদেশের কৃষিতে নারীর অবদানঃ

১৯৯৫-৯৬ সালের শ্রমজরিপে নারী যেকৃষক এবং কষিকাজ করে তা প্রথম বিবেচন করা হয়েছে। জরিপে গৃহপালিত পশু, হাঁস-মুরগীর খামার, ধানভানা, সিদ্ধ করা, শুকানো, ঝাড়া, প্রক্রিয়াজাতকরণ, খাদ্য সংরক্ষণ ইত্যাদি কাজকে অর্থনৈতিক কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গ্রমাঞ্চলে নারীরাই এ কাজগুলোকরে থাকে। এগুলোর বাইরে আরো অনেক কাজ আছে যা অর্থনৈতিক কর্মকান্ড হিসেবে বিবেচিত হয়না। এই স্বীকৃতি হীনতার জন্য রাষ্ট্রীয় সকল কৃষি পরিকল্পনার টার্গেটহয় পুরুষ। কষি উপকরণ, সার, বীজ, কৃষক কার্ড, ঋণসুবিধা সবই পায় কৃষক। নারীকৃষক সকল ধরণের রাষ্ট্রীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়।

শ্রমশক্তিজরিপ ২০০৫-০৬ অনুযায়ী বাংলাদেশে ১৫বছরের ওপরের জনশক্তির ৪৮.১ শতাংশ কৃষিতে নিয়োজিত। এইজরিপ অনুসারে শ্রমশক্তির ৪১.৮শতাংশ পুরুষ এবং ৬৮.১ শতাংশ নারী সরাসরি কৃষির সাথে যুক্ত। অর্থাৎ কৃষি কেবল মালকর্মসংস্থানের বৃহত্তম ক্ষেলই নয়, নারীর অংশ গ্রহণ ও সামাজিকগতিশীলতারও প্রধানতম এলাকা। গত একদশকে কৃষিখাতে পুরুষ শ্রমিকের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে ১০.৪শতাংশ, সেই ছেড়ে যাওয়া কাজের খাত গুলি কিন্তু অব্যবহৃত পড়ে থাকেনি সেই শূণ্যস্থান পুরণ করেছে নারী কৃষি শ্রমিকেরা।

১৯৯৯-২০০০ থেকে ২০০৯-২০১০ সময়ে দেশে কৃষি, বন ও মৎস্য, পশুপালন, হাঁস-মুরগি পালন, মাছ চাষ, কৃষিকাজে নিয়োজিত নারী শ্রমিকের সংখ্যা ৩৭ লাখ থেকে বেড়ে প্রায় ৮০দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ কৃষিতে যুক্ত (১৫ ও তদূর্ধ্ব বয়সী)। এর মধ্যে ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ নারী। মোট কর্মজীবী নারীদের মধ্যে ৫৯ দশমিক ৭ শতাংশ কৃষিতে যুক্ত, যেখানে মোট কর্মজীবী পুরুষদের ৩২ দশমিক ২ শতাংশ কৃষিজীবী। শ্রমশক্তি জরিপ ২০১৬-১৭ অনুযায়ী, দেশে মোট নারী শ্রমশক্তি আছে দুই কোটি। এ বৃদ্ধির হার ১১৬ শতাংশ। যদিও এসব নারী শ্রমিকের ৭২ শতাংশই অবৈতনিক পারিবারিক নারী শ্রমিক। ৭৭ শতাংশ গ্রামীণ নারী কৃষিসংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত থাকলেও তাদের স্বীকৃতি সেভাবে নেই। কৃষিতে কিষাণীর অবদান কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। কৃষিখাতের ২১টি কাজের ধাপের মধ্যে নারীর অংশগ্রহণ ১৭টি ধাপে। কৃষি কাজে নারীর স্বীকৃতি মর্যাদা, সম্মান, জাতীয় কৃষকনীতি ও নারী কৃষক এবং নারী কৃষক সংগঠন তৈরি এখন সময়ের দাবি।

কৃষিকাজে শ্রম বিভাজন দৃশ্যমান। ফসলের প্রাক-বপন প্রক্রিয়া হতে শুরু করে ফসল সংরক্ষণ পর্যন্ত সর্বত্র নারীর ভূমিকা বিদ্যমান। ধানের বীজ সংরক্ষণ, রোদে শুকানো, বীজতলা তৈরি, ফসল সংগ্রহোত্তর যাবতীয় কার্যক্রম মাড়াই, ঝাড়াই, বাছাই, সেদ্ধ করা, সংরক্ষণ, খড় শুকানো প্রভৃতি সব কাজই গ্রামীণ নারীরা করে থাকে। ধান উৎপাদন থেকে গোলায় তোলা পর্যন্ত ২৪ ধাপের মধ্যে ১৮টিতে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ বিদ্যমান। সার্বিক কৃষির ২১টি কাজের মধ্যে ১৭টিই করে থাকে নারীরা। এতসবের পরও কৃষক বলতে আমাদের মনস্তাত্ত্বিক দৃশ্যপটে একজন পুরুষের ছবিই ভেসে উঠে। বাংলাদেশের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পেছনে অদৃশ্যমান অংশটি হলো কৃষিতে গ্রামীণ নারীর অবদান।

গ্রামীণ নারীর সব কাজকে কেবল গৃহস্থালি কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পাহাড়ি অঞ্চলে জুমচাষ, চা বাগানে চাষবাসও করে থাকে নারীরা। উপকূলীয় অঞ্চলে চিংড়ি চাষ, পোনা উৎপাদন, জেলে পল্লীতে শুঁটকি ও নোনামাছ প্রক্রিয়াজাত, জাল বোনার কাজটিও নারীরা করে থাকে। এছাড়া গ্রামীণ নারীরা বসতবাড়ির পুকুরের মাছের খাবার দেয়া, পাহারা দেয়া, বড়শি দিয়ে মাছ ধরে পারিবারিক চাহিদা মেটানোর কাজ করে থাকে। বসতবাড়িতে হাঁস-মুরগি, কোয়েল, কবুতর পালন, গরু-মহিষ, ছাগল, ভেড়া প্রতিপালনের কাজটিও গ্রামীণ নারীরা করে থাকে। যা থেকে পরিবারের সদস্যদের পুষ্টিচাহিদা নিশ্চিত হয়। আবার এ থেকে প্রাপ্ত আয় দিয়ে সন্তানদের পড়াশোনার খরচ মেটান, ভবিষ্যতের সঞ্চয় করেন। আবার ‘মুষ্টি চাল’ সঞ্চয়ের মাধ্যমে পরিবারের ভবিষ্যতের খাদ্যনিরাপত্তার বিষয়টিও ভাবতে হয় গ্রামীণ নারীকে। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডিম বিক্রি কিংবা দুধ বিক্রির টাকা পুরুষরা নিয়ে নেয় এবং নারীদের বঞ্চিত করে। স্বামী পরিবারের ভরণপোষণ করে বলে এ অর্থ তার প্রাপ্য হিসেবে ধরে নেয়া হয়। পরিবারের এ অর্থ উপার্জনের পেছনে নারীর শ্রম-সময়কে অস্বীকার করা হয়, অবহেলা করা হয়।

ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। কৃষিই বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। সময়ের আবর্তনে শিল্প-কারখানার বিকাশ ঘটলেও গ্রামীণ জীবিকা ও অর্থনীতি কৃষিকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে। স্বাধীনতা-পরবর্তী ৫০ বছরে কৃষিতে যে নীরব বিপ্লব ঘটেছে তা হলো নারীদের ব্যাপক হারে কৃষিতে অংশগ্রহণ। শুধু যে অংশগ্রহণের হার বেড়েছে তা কিন্তু নয়। নারীরা আজ কৃষিকাজের পরোক্ষ ভূমিকায় নেই, অংশ নিচ্ছে চাষাবাদের শুরু থেকে ফসল সংরক্ষণ এবং বিপণনকাজেও। আর এ পরিবর্তিত ভূমিকায় নারীর সরব উপস্থিতি খুব সহজে বা স্বেচ্ছায় হয়নি। অনেকগুলো পরিপ্রেক্ষিত ও কার্যকারণের ধারাবাহিকতায়, যেমন ভূমিহীনতা, অলাভজনক কৃষি, পুরুষ সদস্যদের শহরমুখী বা ভিন দেশে অভিবাসন ইত্যাদি কারণে বিগত বছরে নারী ধীরে ধীরে জায়গা করে নিয়েছে, হাল ধরেছে গ্রামীণ কৃষির। তাই বলা চলে, কৃষি ও এর উপখাতের মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে নারী।

মজুরি বিবেচনায় দেশের কৃষিতে নারীর দুই ধরনের অংশগ্রহণ বিদ্যমান। প্রথমটি হলো, সম্পূর্ণ অবৈতনিক কিংবা মজুরিবিহীন পারিবারিক নারী কৃষি শ্রমিক। অন্যটি স্বল্প মজুরিভিত্তিক নারী কৃষি শ্রমিক বা দিনমজুর। আমরা ওপরে গ্রামীণ নারীর প্রাত্যহিক কৃষিকাজের যে বিবরণ তুলে ধরেছি তা সম্পূর্ণভাবেই মজুরিবিহীন ও অবৈতনিক। এসব কাজকে নারীর প্রাত্যহিক পারিবারিক কাজের অংশ বলে বিবেচনা করা হয়। যেখানে মজুরি নেই, সেখানে স্বীকৃতির বিষয়টি অবান্তর। আর দ্বিতীয়টি হলো বৈষম্যমূলক মজুরি ব্যবস্থা। কৃষিজমিতে ফসল উৎপাদন, সংগ্রহ কিংবা সংগ্রহোত্তর কার্যক্রমে নারী-পুরুষ একই কাজ করলেও পুরুষ শ্রমিকের তুলনায় নারীর পারিশ্রমিক কম। গত বছর কৃষিতে একজন পুরুষ শ্রমিকের গড় মজুরি ছিল ৪১৮ টাকা, সেখানে নারী পেয়েছে ৩১৬ টাকা। বড় জেলা শহরগুলোয় নারীদের পারিশ্রমিক একটু বেশি। কিন্তু বাকি জেলায় তা ২০০-২২০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। সাধারণত নারীরা বাড়ি থেকে দূরে কাজে যেতে চায় না, তারা বাড়ির আশপাশে চাতালকল কিংবা কৃষিজমিতে কাজ করে থাকে। এ অসহায়ত্বকে পুঁজি করে মালিক পক্ষ তাদের ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত করে থাকে। শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, ১৫ থেকে ৬৫ বছর বয়সী মানুষ যারা কাজ করছে, কাজ করছে না কিন্তু কাজ খুঁজছে— জনগোষ্ঠীর এমন অংশকে শ্রমশক্তি হিসেবে ধরা হয়। শ্রমশক্তির সংজ্ঞানুযায়ী, ২৯ শতাংশ নারী কেবল শ্রমশক্তির অংশ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। বাকিরা নিশ্চিতভাবে নানা অবৈতনিক পারিবারিক কাজে নিয়োজিত থাকার পরও শ্রমশক্তির অংশ হিসেবে অদৃশ্য থাকছে।

দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪০ দশমিক ৬ শতাংশ কৃষিতে যুক্ত (১৫ ও তদূর্ধ্ব বয়সী)। এর মধ্যে ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ নারী। মোট কর্মজীবী নারীদের মধ্যে ৫৯ দশমিক ৭ শতাংশ কৃষিতে যুক্ত, যেখানে মোট কর্মজীবী পুরুষদের ৩২ দশমিক ২ শতাংশ কৃষিজীবী।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park