1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
ফসল যখন ‘লন কার্পেট’ - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

ফসল যখন ‘লন কার্পেট’

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৮৭ বার পঠিত

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি:
নেত্রকোনার কলমাকান্দায় নতুন ফসল হিসেবে চাষাবাদ শুরু হয়েছে সবুজ ‘লন কার্পেট’! পতিত জমিতে সবুজ ‘লন কার্পেট’ ঘাস বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছেন কৃষক সাইকুল ইসলাম (৩৮)। চার বছর ধরে তিনি এই ঘাস চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন। ঘাসগুলো দেখলে মনে হয় সত্যিকারের কার্পেট। বাড়ি বা অফিসের আঙিনায়, বাগানে, সৌন্দর্য বাড়াতে দিন দিন এর চাহিদা আর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। উপজেলার সেহড়াউন্দ গ্রামের এই কৃষককে দেখে এখন অনেকেই এমন ঘাস চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও সাইকুলের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০২০ সালের মার্চে সাইকুল ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায় এক আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে যান। সেখানে তিনি প্রথম লন কার্পেট ঘাস দেখেন। করোনাকাল বলে তখন কাজ পাচ্ছিলেন না। এই ঘাস চাষে তার আগ্রহ জমে। সেখানে তিনি ঘাসের চাষ শেখেন। বাড়ি ফিরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ১২ শতাংশ পতিত জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে ঘাস চাষ শুরু করেন। এতে বেশ কিছু টাকা লাভ হয় তাঁর। স্থানীয়ভাবে ঘাসের চাহিদা থাকায় ও অল্প খরচে লাভের মুখ দেখায় তিনি আরও বড় পরিসরে এই ঘাস চাষের উদ্যোগ নেন। এ বছর তিনি ৭০ শতাংশ জমিতে এই ঘাস চাষ করেছেন। পরিচর্যার কাজে যুক্ত আছেন স্থানীয় ১২ জন যুবক। তাঁদের জনপ্রতি দৈনিক দিতে হয় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। বর্তমানে তিনি এই ঘাস প্রতি বর্গফুট বিক্রি করছেন ৮০ টাকায়। সব খরচ শেষে গত বছর তাঁর প্রায় ছয় লাখ টাকা লাভ হয়েছে বলে জানালেন।

স্থানীয় যুবক সবুজ মিয়া বলেন, এলাকার পতিত জমি ইজারা নিয়ে সাইকুল ঘাস চাষ শুরু করেন। এই ঘাস স্থানীয় শৌখিন মানুষ ছাড়াও দূর থেকে অনেকে এসে কিনে নিয়ে যান। ঘাস চাষে তেমন কষ্ট নেই, খরচও কম। তিনি নিজেও আগামী মাস থেকে বাড়ির সামনে উঁচু জায়গায় ঘাস চাষ করার কথা ভাবছেন। এ ব্যাপারে তিনি সাইকুলের পরামর্শ নিচ্ছেন।

সাইকুলের এখানে ঘাস পরিচর্যার কাজ করেন শ্রমিক আবু রায়হান। তিনি বলেন, ‘আমাদের এলাকায় কেউ এভাবে ঘাস চাষ করেন না। সাইকুল প্রথম এই উদ্যোগ নিয়েছেন। আমরা ১০-১২ জন মজুরিভিত্তিতে এখানে কাজ করি।’

সাইকুল ইসলাম বলেন, তিনি প্রথম যখন ঘাস চাষ শুরু করেন, তখন এলাকার অনেকেই তাকে দেখে হাসিঠাট্টা করছিলেন। এখন অনেকেই এই ঘাস চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। এই ঘাস চাষে এক বছরের মতো সময় লাগে। সব খরচ বাদ দিয়ে গত বছর ছয় লাখ টাকার মতো আয় হয়েছে তাঁর। এ বছর আয় আরও বাড়বে।

কলমাকান্দা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, কলমাকান্দায় এই প্রথম লন কার্পেট ঘাসের চাষ হয়েছে। কৃষক সাইকুল ইসলামের মতো আরও কেউ এই ঘাস চাষ করতে চাইলে কৃষি বিভাগ থেকে তাঁদের সহযোগিতা করা হবে। এই ঘাস সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য শৌখিন মানুষ কিনে থাকেন। এই ঘাস চাষে কম খরচে বেশি লাভ হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park