1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
চীনে বাড়ছে বিপন্ন প্রাণীর সংখ্যা - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

চীনে বাড়ছে বিপন্ন প্রাণীর সংখ্যা

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
  • ৯১ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ ডেস্ক:

চীনে বিরল ও বিপন্ন বন্যপ্রাণীদের দেখা পাওয়া যাচ্ছে আগের চেয়ে বেশি। দেশটির জাতীয় বন ও তৃণভূমি প্রশাসন জানিয়েছে, ২০০টির বেশি বিপন্ন বন্যপ্রাণী এখন পুনরুদ্ধারের ধাপে প্রবেশ করেছে এবং ১০০টির বেশি হুমকির মুখে থাকা উদ্ভিদ জরুরি সুরক্ষার আওতায় এসেছে।

জীববৈচিত্র্য বিষয়ক আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে প্রশাসন জানায়, বহু বিরল প্রাণী ও উদ্ভিদের ক্ষেত্রে ‘পুনরুদ্ধার ও সংখ্যাবৃদ্ধির ইতিবাচক প্রবণতা’ দেখা যাচ্ছে।

২০২৫ সালে চীনের হাইনান দ্বীপে তিনটি নতুন হাইনান গিবনের জন্ম রেকর্ড করা হয়েছে। ফলে এ প্রজাতির মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪-এ। প্রশাসন জানিয়েছে, এটিই বর্তমানে বিশ্বের একমাত্র গিবন জনগোষ্ঠী, যার সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

উত্তর-পূর্ব চীনের বাঘ ও চিতাবাঘ জাতীয় পার্কে গত বছর প্রথমবারের মতো একটি বন্য আমুর বাঘিনীকে পাঁচটি শাবক লালন-পালন করতে দেখা গেছে। এটিকে দেশটিতে এ প্রজাতির প্রজননের নতুন রেকর্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, হ্যলান পর্বতমালায় অবমুক্ত করা দুটি তুষার চিতাবাঘকে সফলভাবে শাবক জন্মদান ও লালন-পালন করতে দেখা গেছে।

উদ্ভিদ সংরক্ষণেও ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। ১৯৬৩ সালে আবিষ্কারের সময় যেখানে অ্যাবিস বেসহানজুয়েনসিস নামের ফার গাছের সংখ্যা ছিল মাত্র তিনটি, এখন তা বেড়ে ৪ হাজারের বেশি হয়েছে। একইভাবে, ইয়ুননানের পুও’রে ২০০৩ সালে আবিষ্কৃত প্যাফিওপেডিলাম স্পাইসেরিয়ানাম অর্কিডের সংখ্যা ১০ থেকে বেড়ে দুই শতাধিক হয়েছে।

পাখি সংরক্ষণে চীনের অগ্রগতিও তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে। বর্তমানে দেশটির ৯৪ দশমিক ৫ শতাংশ পাখি প্রজাতি জাতীয় সুরক্ষা তালিকার আওতায় রয়েছে। এ ছাড়া পরিযায়ী পাখির জন্য এক হাজার ১৪০টি গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ৮২১টি আবাসস্থলে ব্যাপক সুরক্ষা ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম চলছে।

অবৈধ পাখি শিকার রোধে টানা ছয় বছর চালানো হয়েছে বিশেষ অভিযান। এতেও সংরক্ষিত পাখির অধিকাংশ প্রজাতির সংখ্যা স্থিতিশীল রয়েছে।

প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বেয়ারের পোচার্ড হাঁসের সংখ্যা ২০১২ সালের প্রায় এক হাজার থেকে বেড়ে এখন ২ হাজার ৫৫৫-এ পৌঁছেছে। ২০০৬ সালে নীল-মুকুট লাফিংথ্রাশ পাখির সংখ্যা ছিল ২০০, এখন তা বেড়ে ৬৬০-এর কাছাকাছি হয়েছে।

সূত্র: সিএমজি

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park