1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
স্বপ্ন দেখাচ্ছে নোনা ইলিশ - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

স্বপ্ন দেখাচ্ছে নোনা ইলিশ

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৯৩ বার পঠিত

নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:

ইলিশ কিনে তাতে লবণ দিয়ে সংরক্ষণ ই নোনা ইলিশ নামে পরিচিত। তাই প্রতি বছর মৌসুম এলেই নোনা ইলিশ তৈরির আড়তগুলোতে চলে ব্যস্ত সময়। তিন মাসের এ মৌসুমে প্রায় কোটি টাকার নোনা ইলিশ বিক্রি হয় বলে জানা গেছে। সেগুলো দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহসহ রপ্তানি হয় বিদেশেও। নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নতুন সম্ভাবনা হয়ে উঠেছে এই নোনা ইলিশ।

নোনা ইলিশ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যায়। হাতিয়াতে এটি একটি নতুন সম্ভাবনা। আর এতেই স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছেন অনেকে ব্যবসায়ী ও জেলে পরিবার।ভালোভাবে প্রস্তুত ও ব্র্যান্ডিং করা গেলে এই ইলিশ বিদেশে রপ্তানি আরও বাড়ানো সম্ভব।

জানা গেছে, ব্যবসায়ীরা মৌসুমে কমমূল্যে বড় ও মাঝারি আকারের ইলিশ কিনে সেগুলোর পেট পরিষ্কার ও আঁশ ছাড়িয়ে নেন। সেগুলো বিশেষ কায়দায় কেটে পরিষ্কার করা হয়। এরপর সামুদ্রিক বা মোটা লবণ দিয়ে কিছুদিনের জন্য তা ড্রামে প্রক্রিয়াজাত করে রাখা হয়। পরে ইলিশের মৌসুম শেষ হলে সেগুলো খোলা বাজারে বেশি দামে বিক্রি করেন তারা। ভোজনরসিকরা দৈনন্দিন খাবারে অথবা অতিথি আপ্যায়নে এই নোনা ইলিশ পরিবেশন করে থাকেন। এটি ঘ্রাণ ও স্বাদে অতুলনীয় এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ।

সরেজমিন হাতিয়ার চেয়ারম্যানঘাটে দেখা যায়, মাছঘাটে আসা ইলিশ কিনছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। পরে সেগুলো প্রক্রিয়া করে নোনা ইলিশে পরিণত করবেন তারা। কয়েকমাস মাছঘাটের স্থানীয় কিছু ঘরে স্তূপ করে ও ড্রামের মধ্যে নোনা ইলিশগুলো সংরক্ষণ করা হবে। এরপর বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসে এসব ইলিশ বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হবে দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে।

নোনা ইলিশ প্রস্তুতকারী সোহরাব আলী ব্যাপারী বলেন, নোনা ইলিশ প্রক্রিয়াজাত করার সময় প্রথমে ইলিশের পেট থেকে ডিম আলাদা করে ফেলা হয়। এরপর ইলিশ মাছটি ফালি ফালি করে কেটে ভালোভাবে লবণ দিয়ে ৬ থেকে ৭ মাস রেখে দেওয়া হয়। সবশেষে লবণ মেশানো ইলিশগুলো ড্রামে করে সংরক্ষণ করা হয়। বৈশাখ মাসে সেগুলোর ভালো দাম পাওয়া যায়। নোনা ইলিশের চাহিদা জামালপুর, ময়মনসিংহে বেশি। তাই মাছগুলো সেখানে পাঠানো হয়।

আরব আলী ব্যাপারী নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, প্রতি মৌসুমে প্রায় কোটি টাকার নোনা ইলিশ বিক্রি হয়। তবে স্থানীয় বাজারে এ মাছের ক্রেতা খুবই কম। বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ক্রেতারাই লবণ ইলিশ কেনেন। এছাড়া উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এ মাছের চাহিদা রয়েছে।

মাছ কাটা শ্রমিক জালু মিয়া বলেন, অনেক শ্রমিক এই পেশায় জড়িত। মৌসুমে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়লে আমাদের ব্যস্ততা বেশি থাকে। যখন নিষেধাজ্ঞা থাকে তখন মাছ কাটার কাজ থাকে না। সব সময় নরম মাছ কাটা হয় না। তাজা মাছও কাটা হয়।

আড়তদার আকবর হোসেন বলেন, নোনা ইলিশ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যায়। হাতিয়াতে এটি একটি নতুন সম্ভাবনা। ভালোভাবে প্রস্তুত ও ব্র্যান্ডিং করা গেলে এই ইলিশ বিদেশে রপ্তানি আরও বাড়ানো সম্ভব। এক্ষেত্রে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা দরকার।

নোয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন, অঞ্চলভেদে খাদ্যাভাসে ভিন্নতা রয়েছে। কোথাও তাজা ইলিশ আবার কোথাও নোনা ইলিশ পছন্দ করেন ভোজনরসিকরা। বর্তমানে ইলিশের দাম বেশি। তবে লবণ দিয়ে রাখলে যারা মৌসুম ছাড়া ইলিশ খান তারা স্বাদের ভিন্নতায় এটি খেতে পারেন। চেয়ারম্যান ঘাটের ব্যবসায়ীরা নোনা ইলিশ বিক্রি করে ভালো আয় করছেন। এটি যেন তারা আরও ভালোভাবে প্রসেস করে সরবরাহ করতে পারেন তার জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park