1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
ভোলার চরাঞ্চলে স্বপ্ন দেখাচ্ছে ব্রি ধান-১০৩ - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

ভোলার চরাঞ্চলে স্বপ্ন দেখাচ্ছে ব্রি ধান-১০৩

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৬৪ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি ভোলা:

ভোলা জেলার চরাঞ্চলে নতুন জাতের ব্রি ধান-১০৩ স্বপ্ন দেখাচ্ছে। অন্যান্য জাতের তুলনায় এ ধান ঘরে তোলা যায়। ভোলার লালমোহন উপজেলায় প্রথমবারের মতো কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ, সার ও বালাইনাশক ওষুধসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়ে বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যে ব্রি ধান-১০৩ এর আবাদ করানো হয়েছে।

জেলার লালমোহন উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পার্টনার প্রকল্পের আওতায় উপজেলার কালমা ইউনিয়নের চরছকিনা এলাকার ৩ জন এবং পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের কলেজ পাড়া এলাকার ৩ জন কৃষকসহ মোট ছয়জন কৃষক উচ্চ ফলনশীল ব্রি ধান-১০৩ আবাদ করেছেন। এরমধ্যে কালমা নামক ইউনিয়নের কৃষকরা আগামী ১০ দিনের মধ্যে এসব ধান কাট শুরু করবেন। এছাড়া উপজেলা পশ্চিম চরউমেদ ইউপির চাষীরা দেরিতে আবাদ করায় তারা আগামী ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে ধান কাটা শুরু করতে পারবেন। এসব কৃষকরা এ বছর প্রথমবারের মতো মোট চারশত শতাংশ জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের এ ধানের আবাদ করেছেন। এসব ধান বাজারে বীজ হিসেবে বিক্রি করা হবে। বাজারে এসব ধানের বীজ পাইকারি প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং খুচরা ৮০ থেকে ৯০ টাকা করে বিক্রি করতে পারবেন কৃষকরা।

উপজেলার কালমা ইউনিয়নের চরছকিনা এলাকার চাষী মো. বাবুল, মো. সেলিম এবং শেখ সাদি বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় চলতি আমনের মৌসুমে ২০০ শতাংশ জমিতে উচ্চ ফলনশীল ব্রি ধান-১০৩ চাষ করেছি। কৃষি অফিস থেকে এজন্য আমাদেরকে বিনামূল্যে ধানের বীজ, সার, কীটনাশক ও বীজ সংরক্ষণের জন্য ড্রাম দেওয়া হয়েছে।

এ জমিতে ধানের চাষ করতে জমি চাষাবাদ, শ্রমিক ও বালাইনাশক এবং অন্যান্য খরচসহ প্রায় ৪০ হাজার টাকার মতো ব্যয় হয়েছে। তবে সবকিছু ঠিক থাকলে আশা করছি এ ২০০ শতাংশ জমি থেকে দেড় লাখ টাকার ধানের বীজ বিক্রি করতে পারবো। আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ক্ষেতের ধান কাটা শুরু করবো ইনশাআল্লাহ।

অন্যদিকে লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের কলেজ পাড়া এলাকার চাষী মো. নান্নু, মোস্তফা কামাল এবং কাকলি রাণী জানান, আমরাও উচ্চ ফলনশীল জাতের ব্রি ধান-১০৩ এর চাষ করেছি। আমাদের জমির পরিমাণও ২০০ শতাংশ। তবে অতিবৃষ্টির কারনে আমাদের এলাকায় ধান আবাদ করতে কিছুটা দেরি হয়েছে। তাই আমরা আগামী ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে ক্ষেত থেকে ধান কাটা শুরু করতে পারবো বলে আশা করছি। এসব ধান বাজারে বীজ হিসেবে বিক্রি করবো। যার মূল্য হতে পারে অন্তত দেড় লাখ টাকা। এ ধান চাষ করতে কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে আমাদের ধানের বীজ, সার, কীটনাশক ও বীজ সংরক্ষণের জন্য ড্রাম দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবু হাসনাইন বলেন, আমাদের দেশের জনসংখ্যা বেড়েই চলেছে। এ জনসংখ্যার মুখে খাবার তুলে দিতে এখন থেকে আমাদের উচ্চ ফলনশীল জাতের ফসল আবাদ করতে হবে। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর আমনের মৌসুমে ব্রি ধান- ১০৩ জাত আবাদের জন্য লালমোহন উপজেলার দুইটি ব্লকের মোট ৬ জন কৃষককে বিনামূল্যে সার, বীজ, কীটনাশক এবং বীজ সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়া হয়েছে। প্রথমবার তারা এ ধান চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন। এসব চাষীরা এ ধান থেকে বীজ সংরক্ষণ করবেন। যার মাধ্যমে আগামীতে এ উপজেলায় উচ্চ ফলনশীল জাতের এ ধানের আবাদ আরো বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে কৃষকরা যেন ফসল আবাদ করে ক্ষতির সম্মুখীন না হন। সে জন্য আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা প্রতিটি এলাকায় গিয়ে কৃষকদের নিয়মিত খোঁজ-খবর নেয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park