1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
ভোজ্যতেলের ঘাটতি নেই, আমদানি বেড়েছে ৩৫ শতাংশ - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

ভোজ্যতেলের ঘাটতি নেই, আমদানি বেড়েছে ৩৫ শতাংশ

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৭৩ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক:

দেশে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন। তারা বলেছে, গত দুই মাসে ভোজ্যতেলের আমদানি প্রায় ৩৫ শতাংশ বেড়েছে।

রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশনে আসন্ন পবিত্র রমজানে ভোজ্যতেলের বাজারে সার্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ কথা জানানো হয়েছে। সভায় বর্তমানে বাজারে বোতলজাতকৃত সয়াবিন তেলের ঘাটতি রয়েছে কি না তা নিয়ে আলোচনা হয়।

কমিশনের চেয়ারম্যান (সচিব) ড. মইনুল খান সভাপতিত্বে বণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) আবদুর রহিম খানসহ দেশের শীর্ষ ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বাজারের দোকানগুলোতে সম্প্রতি তেল সরবরাহ কম দেখা যাওয়া প্রসঙ্গে সভায় কমিশন থেকে বলা হয়, যেটি হয়েছে তা কৃত্রিম এবং প্রকৃত তথ্যের ঘাটতি থেকে সৃষ্ট। তাই পণ্য ক্রয়ের শর্তে ভোজ্যতেল বাজারজাত করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্য হচ্ছে কি না তা প্রতিরোধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ভোক্তাসাধারণের স্বার্থরক্ষায় উৎপাদন ও বিপণনের সব পর্যায়ে বাজার মনিটরিং করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সভায় বর্তমানে বাজারে ভোজ্যতেলের পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীরা জানান, রমজান উপলক্ষে পাইপলাইনে বেশ কিছু ভোজ্যতেলভর্তি জাহাজ চট্টগ্রামের বন্দরে নোঙ্গর করার অপেক্ষায় আছে। এগুলো অচিরেই স্থানীয় সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত হবে। পাইপলাইনে থাকা ভোজ্যতেলের পরিমাণ প্রায় এক লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। সাবির্কভাবে, ভোজ্যতেলের সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে মর্মে জানানো হয়।

ব্যবসায়ীরা আরও জানিয়েছেন, মাঠ পর্যায়ে কেউ কেউ অতিরিক্ত মজুদ করে থাকতে পারে। আবার কেউ কেউ অধিক লাভের আশায় বোতল কেটে খোলা তেলে পরিণত করে তা বিক্রয় করতে পারে।

এছাড়া পাশের দেশে মূল্য অধিক হওয়ায় অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্য হওয়ার আশঙ্কার কথাও বলেন ব্যবসায়ীরা।

সভায় উৎপাদনকারীরা জানান, পূর্বের বছরগুলোর তুলনায় তারা সাম্প্রতিক মাসগুলোয় বাজারে সরবরাহ বাড়িয়েছেন।

সিটি গ্রুপের প্রতিনিধি (উপদেষ্টা) অমিতাব চক্রবর্তী জানান, সিটি গ্রুপ জানুয়ারি ২০২৫-এ মোট তেল সরবরাহ করেছে প্রায় ৫০ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ২২ হাজার ২৪২ টন বোতলজাতকৃত। ২০২৪-এর একই মাসে বোতলে তারা সরবরাহ করেন ১৪ হাজার ২৬২ টন তেল।

মেঘনা গ্রুপের প্রতিনিধি জিএম তসলিম শাহরিয়ার জানান, চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোট ৪৭ হাজার ৬৬৮ হাজার টন তেল সরবরাহ করেন তারা। এর মধ্যে ১৫ হাজার মেট্রিক টন বোতলজাত। পূর্ববর্তী বছরের জানুয়ারি সরবরাহ ছিল ২৫ হাজার মেট্রিক টনের মধ্যে ১২ হাজার টন বোতলজাত।

টিকে গ্রুপের পরিচালক শফিউল আতাহার তসলিম জানান, চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোট ১১ হাজার ৮১০ মেট্রিক টন বোতলজাত সয়াবিন তেল সরবরাহ করেছেন তারা, যা গতবছরের একই সময়ে ছিল ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন।

অন্যান্য উৎপাদনকারীরা জানান, তারাও পূর্বের মাসগুলোর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে সরবরাহ বাড়িয়েছেন। উপস্থিত সবার তথ্যাদি নিয়ে দেখা যায়, আগের বছরের জানুয়ারির তুলনায় এবারের জানুয়ারিতে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ।

বর্তমানের আন্তর্জাতিক বাজার ও আমদানি পরিস্থিতি স্থানীয় বাজারেও এর সরবরাহ ও দামের ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতার নিশ্চয়তা দেয় বিধায় সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ভোক্তাসাধারণের স্বার্থ রক্ষায় উৎপাদন ও বিপনণের সকল পর্যায়ে বাজার মনিটরিং করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

প্রাপ্ত তথ্যাদি পর্যালোচনায় দেখা যায়, কেউ কেউ অন্যান্য পণ্য ক্রয়ের শর্তে ভোজ্যতেল বাজারজাত করে থাকে। উৎপাদক বা অন্যান্য কোনো পর্যায়ে এ ধরনের শর্তযুক্ত বিক্রয় বা বাজারজাত করা প্রচলিত আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ ধরনের কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।

ভোজ্যতেলের অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্য হচ্ছে কি না তা সীমান্ত সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও সংস্থাগুলো খতিয়ে দেখবে এবং তা প্রতিরোধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park