1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
পনিতে সুপারি মজুদ, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

পনিতে সুপারি মজুদ, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ৫৭ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি বাগেরহাট:

কচুয়ায় পানির নিচে রেখে কোটি টাকার সুপারি বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। পানির নিচে রেখে সুপারি বিক্রি সনাতন পদ্ধতি হলেও এ পদ্ধতি চলে আসছে বহুদিন ধরে। এ পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাতকরণ সুপারি সাধারণত মজা সুপারি কোথাও ঢোপ সুপারি নামে পরিচিত হলেও পরিবেশ ও পানি দূষণ হচ্ছে। এক্ষেত্রে সুপারিকে প্রক্রিয়াজাত করে বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগ কিংবা সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাব রয়েছে।

কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় কাঁচা পাকার মৌসুমে সুপারি মজুদ করে বিশেষ পদ্ধতিতে পানির ভিতর নির্দিষ্ট একটি সময় পর্যন্ত রেখে এক সময় ভালো মূল্যে বিক্রি করা হয়। এ পদ্ধতিতে সুপারি বিক্রি করে লাভের সম্ভাবনা অনেক বেশি। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভাষ্য অনুযায়ী প্রতিবছর পানির নিচে রাখা কোটি টাকার সুপারি এখান থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রপ্তানি করা হয়।

তবে এ ধরনের পদ্ধতিতে সুপারি বিক্রি করা লাভজনক হলেও দূষিত হচ্ছে পানি। আর এ পানি দূষণের হাত থেকে রক্ষার জন্য সুপারি প্রক্রিয়াকরণের জন্য সুপারিকে চৌবাচ্চা অথবা সংরক্ষিত ডোবায় রাখা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কচুয়া উপজেলা কৃষি অফিসার আকাশ বৈরাগী বলেন, কচুয়া উপজেলায় মোট ১১৫৩ হেক্টর জমিতে সুপারি চাষ হয়। এ বছর ফলন হয়েছে প্রায় ৮ হাজার ৭১ মেট্রিকটন। সুপারিকে ভিজিয়ে বেশিক্ষণ কাঁচা রাখার জন্য একটি বিশেষ পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। যা স্থানীয় বাজারসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনেক চাহিদা রয়েছে। মদা সুপারি দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে ব্যবসায়ীরা ভালো লাভবান হচ্ছেন।

পানি ও পরিবেশ দূষণের ক্ষেত্রে তিনি বলেন, প্রশাসনসহ সবার সহায়তা নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের যদি এ ব্যাপারে সচেতন করা যায় তবে এ ধরনের সমস্যা সমাধান হবে এবং কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park