কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল:
টাঙ্গাইল জেলার ক্ষুদ্র নৃ -গোষ্ঠী ৫০ পরিবারের মধ্যে ২ টি করে ছাগল বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও বিতরণকৃত ছাগলের জন্য ৫০ কেজি করে দানাদার খাদ্য,গৃহ নির্মাণ সামগ্রী,ঔষধ ও ভিটামিন দেওয়া হয়েছে।
শনিবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ক্ষুদ্র নৃ – গোষ্ঠী উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এসব ছাগল বিতরণ করা হয়েছে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের এ প্রকল্পটির মাধ্যমে পিছিয়ে পরা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের দৃশ্যমান ও টেকসই উন্নয়ন হয়েছে। প্রকল্পের সুবিধা থেকে নৃ- গোষ্ঠীদের বিরাট একটি অংশ বাদ পড়েছে। তারা যেন বৈষম্যের শিকার না হয় তার জন্য সরকার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রকল্পটির মেয়াদ বৃদ্ধির মাধ্যমে বাদপরা নৃ-গোষ্ঠীদের প্রকল্প সুবিধা প্রদানের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান। যা বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের বাস্তবায়নের একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এছাড়াও একই অনুষ্ঠানে প্রধানঅতিথি ১০ জন খামারীর মাঝে ১০ টি ষাড় মহিষ বিতরণ করেন। মহিষ পালনের মাধ্যমে দেশে দুধ উৎপাদন এবং মাংস উৎপাদনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে সম্প্রসারণ কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধকরনের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহজামান খান বলেন, জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় এর নতুন ভবন জেলার খামারিদের প্রাণিসম্পদ বিষয়ক আধুনিক সুযোগ সুবিধা প্রদানে বিরাট ভূমিকা রাখবে। প্রধানমন্ত্রী সকল শ্রেণীর মানুষের উন্নয়নের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধশালীদের দেশ গঠনে অঙ্গীকার বদ্ধ। এরই ধারাবাহীকতায় পিছিয়ে পরা নৃগোষ্ঠীদের উন্নয়নে মৎস্য ও প্রাণিসম্পন্ন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর নৃ- গুষ্ঠীর উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এই মহতী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে । তিনি আরও বলেন, পিছিয়ে পরার জনগোষ্ঠীকে মূলধারার সাথে যুক্ত করে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে আমাদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও দায়বদ্ধতা আছে। ইতিমধ্যে বাস্তবায়নকৃত কার্যক্রমের মাধ্যমে নৃ- গোষ্ঠীর জীবন মানোয়ন্নয়, পুষ্টির উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে।
নতুন ভবন ও গবাদি পশু বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার। এছাড়াওপ্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক, সম্প্রসারণ, উপ-পরিচালক (প্রশাসন), জেলা প্রাণিসম্পদ সম্পদ কর্মকর্তাসহ টাঙ্গাইলের রাজনীতির ব্যক্তি ও খামারিরা।
সুবিধাভোগী রীনা কোচ জানান, সরকারের কাছ থেকে একটা বকনা গরু পেয়েছিলাম। তা থেকে একটা বকনা বাছুর হয়। সেটি বিক্রি করে মেয়ের বিয়ে দিয়েছি। সেই বকনা গরু থেকে আর একটা ষার গরু হয় তাহা বিক্রি করে স্বামীর চিকিৎসা করিয়েছি।এখন গাভীসহ একটি বাছুর আছে। যার বর্তমান মূল্য প্রায় ৭০-৮০ টাকা।
অপর সুবিধাভোগী রাজপতি বলেন, তান স্বামী নেই।
সরকারি অনুদান হিসেবে আমি একটি বকনা গরু পাই। তা থেকে একটা ষার গরু হয়। সেটি
বিক্রি করে মেয়ে বিবাহ ও ঘর মেরামত করি।
এখন বর্তমানে একটা গরু ও বকনা বাছুর আছে
তাহারা মূল্য ৮০-৯০ হাজার টাকা