1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
জাতীয় বাজেটে কৃষিখাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

জাতীয় বাজেটে কৃষিখাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্টের

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০২৫
  • ৬৪ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক:

জাতীয় বাজেটে কৃষিখাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট। এ দাবিতে সংগঠনটি অর্থ উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক সমাবেশ ও মিছিল শেষে অর্থ উপদেষ্টা বরাবর এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়। কৃষকদের ন্যায্য অধিকার, খাদ্য নিরাপত্তা এবং কৃষি খাতকে জাতীয় অগ্রগতির কেন্দ্রে আনতে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বজলুর রশীদ ফিরোজ। বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস, সহসভাপতি জয়নাল আবেদীন মুকুল, শফিউর রহমান শফি, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পল্টু, অ্যাডভোকেট আসাদুল ইসলাম, রবিউল টুডু, দেবাশীষ রায় এবং আদিবাসী নেতা আশানি তিরকি। সমাবেশ পরিচালনা করেন সহকারী সাধারণ সম্পাদক নিখিল দাস।

বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, কৃষি হচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম খাত, কিন্তু এই খাতটি দীর্ঘদিন ধরেই চরম অবহেলার শিকার। দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫ শতাংশ এবং গ্রামীণ নারীদের প্রায় ৬০ শতাংশ কৃষিতে নিয়োজিত। কৃষি খাত দেশের জিডিপিতে ১১ দশমিক ২ শতাংশ অবদান রাখলেও সরকারিভাবে এর গুরুত্ব নেই বললেই চলে। কৃষি ও কৃষক ক্ষেতমজুর না বাঁচলে দেশ বাঁচবে না। কৃষি ও কৃষকের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত না হলে, দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়বে।

তিনি বলেন, কৃষি উপকরণের দাম যেমন বেড়েই চলেছে, তেমনি কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর ফলে প্রতিবছর প্রায় ১১ লাখ কৃষক জমি হারিয়ে ভূমিহীন হয়ে পড়ছে। বাজার ভরে গেছে ভেজাল সার, বীজ ও কীটনাশকে, যার ফলে কৃষকরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। ক্ষেতমজুরদের বছরে গড় কাজ থাকে ১৮০ দিনেরও কম। ‘আর্মি রেটে’ গ্রামীণ রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবিও বছরের পর বছর ধরে উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে।

ফিরোজ আরও বলেন, দেশের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে হলে খাদ্য নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে তিনি জাতীয় বাজেটে কৃষি খাতে উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০ শতাংশ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।

সমাবেশে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বলেন, এনজিওগুলোর চড়া সুদের ঋণে কৃষক পরিবারগুলো দিশেহারা। আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি নেই, নেই ভূমি ও জানমালের নিরাপত্তা। সমতলের আদিবাসীদের জন্য স্বাধীন ভূমি কমিশনের দাবি আজও অবহেলিত। সরকার যদি কৃষি ও কৃষকের সমস্যাগুলোর সমাধানে যথাযথ উদ্যোগ না নেয়, তবে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।

সমাবেশ শেষে আব্দুল কুদ্দুস, নিখিল দাস, শফিউর রহমান শফি এবং জুলফিকার আলীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল অর্থ উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেন। এরপর মিছিল প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে পল্টন, গুলিস্তান, মতিঝিল হয়ে গোপীবাগ সাদেক হোসেন খোকা সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্রে গিয়ে শেষ হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park