কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক:
ভূমির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন অধ্যাদেশটি ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভূমি উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘ভূমির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়ার ওপর মতবিনিময় সভায় খসড়াটি চূড়ান্ত হয়।
সভা সূত্রে জানা গেছে, আজকের সভায় চারজন উপদেষ্টার উপস্থিতিতে ভূমির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়। এখন অধ্যাদেশটি ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর খসড়া অধ্যাদেশটি উপদেষ্টা পরিষদে পাঠানো হবে। সেখানে আলোচনার পর অনুমোদন পেলেই তা চূড়ান্ত করা হবে।
অধ্যাদেশে মোট ১৮টি ভূমির জোন করা হয়েছে। সরকারি সংস্থাসমূহ ভূমির প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ব্যবহারভিত্তিক শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তিতে ভূমি সুরক্ষার ব্যবস্থা করবে। কৃষিভূমি শুধু ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্র নয়, এটি পরিবেশের ভারসাম্য, জলাধার সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কৃষিভূমি রক্ষা মানে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা। অনেক ক্ষেত্রে কৃষিভূমি অনুমতি ছাড়াই ভরাট করে বাড়ি, ফ্যাক্টরি বা ইটভাটা তৈরি করা হয়। আইন থাকলে এসব কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এই অধ্যাদেশে প্রতিকারের বিচার ও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা।