1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
এক মণ ধানেও মিলে না একজন শ্রমিক - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

এক মণ ধানেও মিলে না একজন শ্রমিক

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫
  • ১৬৮ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি, শেরপুর:

চলতি অর্থবছরে বোরো ধানের আশানুরূপ ফলন হয়েছে। তারপরও শেরপুরে হতাশার ছায়া কৃষকের মুখে। ধান পেকে যাওয়ায় সবাই কাটা শুরু করেছেন। এতে দেখা দিয়েছে তীব্র শ্রমিক সংকট। এক মণ ধানেও মিলছে না একজন শ্রমিক। ফলন ভালো হলেও মজুরির কারণে লোকসান গুনতে হতে পারে বলছেন কৃষকরা। টানা বৃষ্টি শুরু হলে ফসল ঘরে তুলতে ভোগান্তিতে পড়তে হবে, এমন আশঙ্কাও করছেন অনেকে।

কদিন আগেও শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ছিল ৬০০-৭০০ টাকা। বর্তমানে মজুরি বেড়ে হয়েছে ৯০০-১০০০ টাকা। এরসঙ্গে যুক্ত রয়েছে দুইবেলা খাবার, চা-নাশতা ও এককেজি চাল। আবার একটু বৃষ্টির দেখা দিলে মজুরি হাজার টাকাতেও মেলে না। অথচ তার বিপরীতে একমণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৮৫০-৯০০ টাকায়।

শেরপুর সদর উপজেলার কুমরী মুদিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সারোয়ার কবির। তিনি বলেন, ‌এবার ফলন ভালো হলেও শ্রমিক মজুরি বেশি হওয়ায় লোকসান হতে পারে। ধান চাষে আমাদের উদ্বুদ্ধ করতে একটা ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে হবে। তা নাহলে অনেকেই নিজের প্রয়োজনের বেশি ধান চাষ করবেন না। ঝিনাইগাতী উপজেলার মরিয়মনগরের বিল্লাল হোসেন বলেন, ১০০ শতক জমিতে ধান চাষ করেছি। শ্রমিকের মজুরি এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। কিন্তু ধানের দাম মণ ৮০০-৯০০ টাকা।

ঝিনাইগাতী উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন জানান, এবার ১৪ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তা অর্জন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উপজেলার চারদিকে ধান পেকে আসছে। নিম্ন এলাকায় ধান কাটা শুরু হয়েছে।

শ্রমিক সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, একযোগে মাঠে ধান পেকে যাওয়ায় সংকট দেখা দিয়েছে। সব কৃষক ক্ষেত থেকে ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত থাকায় শ্রমিকদের কদর বেড়েছে। তারা নিজেদের ইচ্ছামতো দাম হাঁকাচ্ছেন। তবে এ সংকট দ্রুত কেটে যাবে।

শেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন জানান, জেলায় এবছর ৯১ হাজার ৯৪৯ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৭৭ হাজার ৪৫৭ মেট্রিক টন। এখন পর্যন্ত ৭০ শতাংশ ধান কর্তন করা হয়েছে।  ধানের দামের তুলনায় শ্রমিকের মজুরি কিছুটা বেশি। আমরা শিগগির কৃষকের কাছ থেকে বোরো ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু করবো। তখন কৃষক সরকারি রেট ১৪০০ টাকা মণ দাম পাবেন।

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park