1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
আমরা নিশ্চিত করেছি আমাদের খাদ্যের স্টক যেন যথেষ্ট থাকে : অর্থ উপদেষ্টা - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

আমরা নিশ্চিত করেছি আমাদের খাদ্যের স্টক যেন যথেষ্ট থাকে : অর্থ উপদেষ্টা

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৫ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক:

প্রয়োজনীয় রাজম্ব আদায় না হওয়ায় চলমান ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে প্রবৃদ্ধি কমানোসহ মূল্যস্ফীতি পরিবর্তন করা হচ্ছে। জাতিসংঘের খাদ্য সংকট মেকাবেলায় আমরা নিশ্চিত করেছি আমাদের খাদ্যের স্টক যেন যথেষ্ট থাকে। এছাড়াও বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নতুন পে-স্কেলের একটি ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

বুধবার (১২ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, আমরা যখন বাজেট দিয়েছিলাম তখন বাস্তবতার নিরিখেই দিয়েছিলাম। সংশোধিত বাজেটে বিরাট ব্যত্যয় ঘটবে, তা কিন্তু না। আমরা যখন বাজেট ইমপ্লিমেন্টে যাই, তখন নানা রকম ইস্যু আসে। প্রথম অর্থসংস্থানের ব্যাপার আছে। এখন দুইটা মেজর জিনিস আমরা রেখেছি। বাজেট সংশোধনের সময় হয়ে আসছে, আপনারা যখন বাজেট দিয়েছিলেন এবং এডিপির যে সাইজ দিয়েছিলেন তখন বলেছিলেন এটা রিয়েলিস্টিক, প্রেগমেটিক (বাস্তবধর্মী) উপায়েই করা হয়েছে। এখন শোনা যাচ্ছে স্যার বাজেটকে আবার কমিয়ে আনা হবে। তাহলে আগের যে প্রেগমেটিক উপায়ে রিয়েলিস্টিক বাজেট করা হয়েছিল সেটা কী আমাদের ভুল ছিল বা সমস্যা ছিল এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ওই সময়ের প্রেক্ষাপটে ওটা রিয়েলিস্টিক ছিল। আমরা যখন বাজেট বাস্তবায়নে যাই, তখন নানা রকম বিষয় আসে। প্রথমত অর্থসংস্থানের ব্যাপার আছে। এনবিআর বন্ধ থাকার পরে আপনারা দেখেছেন আমরা যাচাই করছি, তারপর যারা বাস্তবায়ন করছে তাদের ব্যাপারে কিছুটা বিষয় আছে, আর সবাই তো বাস্তবায়ন করতে পারেনি। অনেক রকম বিষয় চলে আসে। একেবারে ড্রাস্টিকালি (ব্যাপকভাবে) আমাদের বাজেট থেকে যে খুব একটা বিরাট ব্যত্যয় ঘটবে তা কিন্তু না। মোটামুটি আমরা শুধু প্রবৃদ্ধি বলেছি, প্রবৃদ্ধি আমরা কমিয়েছি, আর মূল্যস্ফীতি আমরা বলছি ৫, সেটা ৭ করেছি। এখন এই দুইটা মেজর জিনিস আমরা রেখেছি। আর বাকিগুলো টাকার অংকে খুব বেশি হেরফের হবে না মনে হয়। আমরা দেখি শেষ পদ্ধতিতে কতটুকু টেকে।

আপনারা পে-স্কেল দিতে পারবেন কি না? সাংবাদিকেদের এমন প্রশ্নের উত্তরে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, পে কমিশনের কাজটা কিন্তু অত্যন্ত জটিল। ওরা একেবারে স্বাধীনভাবে কাজ করবে। ওখানে কিন্তু আমাদের কোনো রকম ভূমিকা নেই। পে-কমিশনে- ওইখানে সিভিল পে কমিশন, আর্মিদের জন্য আলাদা একটা .. আছে। এখন ওই তিনটা রিপোর্ট পাওয়ার পরে ওটাকে আবার কনসিসটেন্ট লাগবে। একটা একরকম দেবে, সেটা একটু সময় লাগে। সে জন্য আমি বলেছি যে আমাদের সময় এটা করতে পারবো কি না, এটা কিছুটা আনসার্টেনটি। এর কারণ এটা আবার এই তিনটা রিপোর্ট দেখে ওটাকে আবার রিকনসাইল (সমন্বয়) করতে হবে। রিকনসাইল করার পরে অ্যাডমিনিস্ট্রেট কতগুলো প্রসেস আছে। সচিব কমিটি আছে ওরা দেখবে। তারপর ফাইনান্স দেখে- কত বিষয় সম্পৃক্ত রয়েছে। সেজন্য আমি বলেছি যে আমরা পুরাপুরি একটা সেটআপ, রিপোর্টটা পাওয়ার পর মোটামুটি একটা ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে যাবো। কারণ আমরা এই সময়ের মধ্যে যদি এটা রিকনসাল করতে পারি করবো। এখানে সবচেয়ে বড় হলো অর্থের সংস্থান। আপনারা যদি না পারেন রাজনৈতিক সরকার আসলে ঝুলে যাবে কি না, সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্ন করা হলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এটাতে ক্ষোভের সৃষ্টি হওয়া অপ্রত্যাশিত। এটা তো আমি ইনিশিয়েটিভ নিয়ে, আমরাই ইনিশিয়েটিভ করেছি। ৮ বছর ওরা (সরকারি চাকরিজীবীরা) অপেক্ষা করতে পেরেছেন, এখন আমাদের ১২ মাসে আমরা একটা চেষ্টা করছি আমরা করবো। এটা একটু ধৈর্য ধরতে হবে।

অর্থ উপদেষ্টা আরও বলেন, তিনটা বিশেষ ধরনের পে-স্কেল আছে, এটা রিকনসাল করবে। অতএব আমার মনে হয় এটা ওরা একটু ধৈর্য ধরুক। অর্থের সংস্থান আছে, এখন যদি মনে করে যে যেই পে-স্কেল আছে সেই পে-স্কেল যদি আমরা বলে দেই ওটাই থাকবে, তাহলে চিন্তার কোনো কারণ নেই। এখানে বাজেটের ব্যাপার আছে তো। অন্যান্য সেক্টর আছে তো আমাদের বাজেটে। পে-স্কেল ছাড়াও তো আমরা স্বাস্থ্য খাতে, শিক্ষা খাতে অন্যান্য উন্নয়ন ব্যয় আছে। সেগুলো তো আমার দেখতে হবে।

জাতিসংঘের তিনটি সংস্থা একটি রিপোর্ট দিয়েছে- আমাদের দেশে প্রায় এক কোটি ৬০ লাখ মানুষ খাদ্য সংকটে এবং ১৬ লাখ শিশু অপুষ্টিতে ভুগবে। একজন সাংবাদিক এমন প্রশ্ন করলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ওরা যেটা দিয়েছে, ওদের তো কতগুলো ইন্টারন্যাশনাল নর্মস আছে। তবে বাংলাদেশের যে একেবারে হাঙ্গার এমন না। আপনি দেখবেন এই সেক্টরে কিন্তু আমরা মোটামুটি পার্শ্ববর্তী অনেক দেশের চেয়েও বেটার। তবে আমরা একটু সজাগ যে একেবারে ব্যালেন্স ফুড এবং যেন খাদ্যের কোনো সমস্যা না হয়। গত পরশু আমরা মিটিং করলাম, ওখানে আমরা নিশ্চিত করেছি আমাদের স্টক যেন যথেষ্ট থাকে এবং একই সঙ্গে আমরা অলরেডি প্রেডিক্ট করেছি। একটু সেফ সাইডে থাকার জন্য দামও একটু বাড়িয়ে দিয়েছি। ধানের ও চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছি। দুইটা দিক আমরা দেখছি যাতে স্টকটা বাড়ে, সঙ্গে সঙ্গে কৃষকের যেন ক্ষতি না হয়।

রাজস্ব বোর্ড এমনি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে, বারবার এ অবস্থায় পেট্রোলিয়ামে কর্পোরেশনের কাছে রাজস্ব পাওনা হলো প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা, একইভাবে পেট্রোবাংলার কাছে পাওনা হলো প্রায় দুই হাজার ৫০০ কোটি, এই বকেয়া টাকা উদ্ধারে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না— জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, আমরা তাগাদা দিচ্ছি। ওদের অনেক রকম ফ্যাক্টর আছে। আমরা যে দামে পেট্রোল কিনি, সেই দামে তো বিক্রি করতে পারছি না। আমরা তো প্রাইস অ্যাডজাস্ট করতে পারছি না।

তিনি বলেন, তাদের দিক থেকেও একটি বিষয় আছে যে, আমরা পুরোপুরি তাদের ক্যালিব্রেশন করার (দাম সমন্বয়ের) অনুমতি দিচ্ছি না। আমরা যদি সেই অনুমতি দিতাম যে তোমরা দাম বাড়িয়ে দাও, তাহলে অন্তত তারা করত। সব দিক দেখতে হবে। আমরা রাজস্ব বাড়ানোর বিষয়ে সচেতন। রাজস্ব বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করছি। বিশেষ করে, ট্যাক্স যেন ফাঁকি না দেওয়া হয় এবং রাজস্বে যেন কোনো লিকেজ (ফাঁকফোকর) না থাকে, সেদিকে বেশি নজর দিয়েছি। সবচেয়ে বেশি প্রভাব কিন্তু পড়েছে ওই ট্যাক্সকে কার্যকর করার নির্দেশনার ওপরই।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park