1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
অনাবাদি ও কম ফসলি জমিতে তুলা চাষের আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর - কৃষি সংবাদ
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইলিশ বিক্রি করায় তিন হোটেলকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা উপহারের ১৮টি ব্লুগিল মাছে জাপানের সর্বনাশ! ‘আইল্যান্ড গার্ল’ ট্রাজেডি, দেশে ফিরছেন সন্তান হারা নিউজিল্যান্ড পরিবার সাফারি পার্ক থেকে চুরি হওয়া লেমুর কীভাবে এসেছিল তার তথ্য নেই: পরিবেশমন্ত্রী মধ্যস্বত্তভোগীদের কারণে বাজারে ডিমের দাম বাড়ছে প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই দেশের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে : প্রতিমন্ত্রী টুকু প্রান্তিক খামারিদের অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আতপ চালের চাহিদা ও ব্যবহার নিয়ে গবেষণা জরুরি : খাদ্যমন্ত্রী ২৭০০ বিড়ালের মাংস বিক্রি, ১২ সদস্য গ্রেফতার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে : প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

অনাবাদি ও কম ফসলি জমিতে তুলা চাষের আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১০ বার পঠিত

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, দেশের খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত না করে চরাঞ্চল, লবণাক্তপ্রবণ এলাকা, খরাপ্রবণ অঞ্চল ও অন্যান্য কম ফসলি জমিতে তুলা চাষ সম্প্রসারণ করতে হবে।

দেশের তুলার মান ভালো উল্লেখ করে তিনি বলেন, তুলা উৎপাদন বাড়াতে হলে সুনির্দিষ্ট এলাকা চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদি ও বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিশ্ব তুলা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর খামারবাড়িতে অবস্থিত তুলা ভবনে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের সীমিত কৃষিজমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে খাদ্য উৎপাদন অব্যাহত রেখে কৃষিপণ্যের বহুমুখীকরণ ও রপ্তানি বাড়াতে হবে। এজন্য যেসব এলাকায় প্রচলিত খাদ্যশস্য উৎপাদন তুলনামূলক কম, সেসব স্থানে তুলাসহ বিকল্প ফসলের আবাদ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, কৃষি গবেষণা ও উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। কম জমিতে বেশি উৎপাদন, উন্নতমানের পণ্য এবং উৎপাদন খরচ কমানোর মাধ্যমে কৃষিকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে হবে। গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় প্রকল্প ও বিনিয়োগে সরকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে প্রকল্পের উদ্দেশ্য হতে হবে কার্যকর ও লাভজনক উৎপাদন নিশ্চিত করা।

মন্ত্রী রঙিন তুলার সম্ভাবনা তুলে ধরে বলেন, প্রাকৃতিকভাবে রঙিন তুলা উৎপাদন করা গেলে কাপড় তৈরিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক রং ব্যবহারের প্রয়োজন কমবে। পরিবেশবান্ধব ও রাসায়নিকমুক্ত পণ্যের বিশ্ববাজারে চাহিদা রয়েছে। এ ধরনের তুলার উৎপাদন পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে নাকি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হচ্ছে, তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

তুলা উৎপাদন সম্প্রসারণে বিস্তারিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের নির্দেশনা দিয়ে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে তুলার উৎপাদন ৫ লাখ বেলে উন্নীত করার লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিবছর কত জমিতে আবাদ বাড়ানো হবে, কোন কোন এলাকায় নতুন করে তুলা চাষ সম্প্রসারণ করা হবে এবং কতজন কৃষককে সম্পৃক্ত করা হবে—এসব তথ্য সুনির্দিষ্টভাবে পরিকল্পনায় উল্লেখ থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, তুলা চাষের জন্য খাদ্যশস্যের জমি ব্যবহার করা যাবে না। বরং চর, লবণাক্ত ও কম ফসলি জমিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তুলা চাষের সঙ্গে সাথি ফসল হিসেবে হলুদসহ অন্যান্য লাভজনক ফসলের সম্ভাবনাও কাজে লাগাতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, তুলা উৎপাদন সম্প্রসারণে অর্থায়ন বড় বাধা হবে না। কৃষি মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দ্রুততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি তুলা উৎপাদন ও গবেষণায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মো. রেজাউল আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সলিম খান এবং সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির মহাসচিব অধ্যাপক এএসএম গোলাম হাফিজ।

টিআই

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park