1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ পরিবারের ৭১১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ পরিবারের ৭১১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫১ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক:

সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খান, তার স্ত্রী-মেয়ের প্রায় ৭১১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের খোঁজ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। যে কারণে তাদের নামে পৃথক পৃথক সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিদেশে অর্থপাচারের প্রমাণ মিলেছে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বিষয়টি জানিয়েছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

দুদক জানিয়েছে, আজিজ খানের নামে ৩৩০ কোটি ৯৩ লাখ ৫০ হাজার ১০৯ টাকা, আঞ্জুমান আজিজ খানের নামে প্রায় ৯২ কোটি ৬২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৯ টাকা এবং কন্যা আয়েশা আজিজ খানের নামে প্রায় ২৮৭ কোটি ৪৩ লাখ ২২ হাজার ৯৬৪ টাকার অস্বাভাবিক সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খানের নামে প্রায় ৩৩০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার নামে কোনো স্থাবর সম্পদ বা দায়-দেনার তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে আয়কর নথিতে তিনি কোনো স্থাবর সম্পদের তথ্য উল্লেখ না করায় তা অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে দুদক মনে করে।

অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, তার ঘোষিত আয় ও প্রাপ্ত সম্পদের মধ্যে সুস্পষ্ট অসঙ্গতি রয়েছে এবং তিনি সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচারের মাধ্যমে সম্পদ অর্জন করেছেন।

এছাড়া, তার স্ত্রী আঞ্জুমান আজিজ খানের নামে প্রায় ৯২ কোটি ৬২ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার আয়কর নথিতে প্রদর্শিত সম্পদের মূল্য প্রকৃত মূল্যের তুলনায় অনেক কম বলে দুদকের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। এক্ষেত্রে আয়ের সঙ্গে সম্পদের অসামঞ্জস্যতা ও বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগ উঠে এসেছে।

অন্যদিকে তাদের কন্যা আয়েশা আজিজ খানের নামে প্রায় ২৮৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, আয়কর নথিতে প্রদর্শিত সম্পদের মূল্য প্রকৃত সম্পদের তুলনায় কম এবং তার আয়ের সঙ্গে এ সম্পদের কোনো সামঞ্জস্য নেই।

এ অবস্থায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী মোহাম্মদ আজিজ খান, আঞ্জুমান আজিজ খান ও আয়েশা আজিজ খানের নামে পৃথক পৃথকভাবে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারির অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। দুদকের উপপরিচালক মো. আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের যৌথ একটি টিম অনুসন্ধানের দায়িত্ব পালন করছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park