1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
রাস্তার পাশে পিঠা-পুরি-পেঁয়াজুসহ বিক্রিতে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক - কৃষি সংবাদ
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলো ১ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন গম বাগাতিপাড়ায় শেয়ালের কামড়ে নারীসহ ১১ জন আহত চট্টগ্রামে নেতাকর্মীদের ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী রাস্তার পাশে পিঠা-পুরি-পেঁয়াজুসহ বিক্রিতে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক কাপ্তাই হ্রদের মাছেও মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত, বেশি ট্যাংরায় শেরেবাংলা নগরই হচ্ছে সচিবালয়ের স্থায়ী ঠিকানা, পেল অনুমোদন যে হাটে বিক্রি হয় কোটি টাকার কলা ! ইলিশ রক্ষা : ৩৮ জেলায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর ১১১ ডিও দুর্নীতির মামলায় বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান কাতারে গ্রেফতার

রাস্তার পাশে পিঠা-পুরি-পেঁয়াজুসহ বিক্রিতে লাইসেন্স বাধ্যতামূলক

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৫ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক:

দেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং খাদ্য ব্যবসায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় আগামী ১ নভেম্বর থেকে নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন ও বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হচ্ছে। এ নিয়মের আওতায় রাস্তার পাশের পিঠা, পুরি-পেঁয়াজুর দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকানসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য ব্যবসা আসবে। একই সঙ্গে খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করতে হবে।

‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’-এর আওতায় এ ব্যবস্থা কার্যকর হচ্ছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে প্রণীত প্রবিধানমালাটি গত ১৬ জুলাই সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়। এতে নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসায়ীদের আগামী ১ নভেম্বর থেকে প্রযোজ্য নিবন্ধন ও লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছে।

নতুন নিয়মে রাস্তার পাশের পিঠা, পুরি-পেঁয়াজুর দোকান ছাড়াও রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান, ক্যাটারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী, প্যাকেটজাত খাবার উৎপাদনকারী, খাদ্য সংরক্ষণাগার, কোল্ড স্টোরেজ এবং নির্ধারিত খাদ্য আমদানিকারক ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের নিবন্ধন নিতে হবে।

প্রবিধানমালায় নির্ধারিত প্রচলিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে করা হবে। তবে বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, আমদানি ও বিপণনের ক্ষেত্রে ব্যবসার ধরন অনুযায়ী লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিতে হবে। নিবন্ধন বা লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করলে তা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যে পৃথক লাইসেন্স

শিশুদের ফর্মুলা দুধ, বয়স্ক ব্যক্তি ও নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত মানুষের জন্য তৈরি বিশেষ খাদ্য, স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য এবং নিউট্রাসিউটিক্যালের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, আমদানি ও বিপণনে প্রযোজ্য লাইসেন্স নিতে হবে।

এ ছাড়া জিনগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত খাদ্য, জৈব-খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, অভিনব খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ বা ফোর্টিফায়েড খাদ্য এবং স্বাস্থ্য সহায়ক বা রোগের ঝুঁকি হ্রাসের দাবি-সংবলিত পণ্যের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট শর্ত অনুযায়ী নিবন্ধন ও লাইসেন্স নিশ্চিত করতে হবে। এসব ক্ষেত্রে শুধু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন যথেষ্ট নয়; পণ্যের ধরন ও কার্যক্রম অনুযায়ী অতিরিক্ত অনুমোদন নিতে হতে পারে।

লাইসেন্স ফি ও আবেদনপ্রক্রিয়া

প্রবিধানমালায় নির্ধারিত ফি ও শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে হবে। ১০০ বর্গমিটার বা তার কম আয়তনের প্রতিষ্ঠানের প্রিমিসেস লাইসেন্স ফি ১০ হাজার টাকা। অন্যদিকে, ১০ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের প্রতিষ্ঠানের নতুন লাইসেন্স ফি ৬০ হাজার টাকা।

আবেদনের আগে প্রবিধানমালার তফসিল-১০-এ উল্লিখিত ফি এবং নিজ নিজ ব্যবসার জন্য প্রযোজ্য শর্ত যাচাই করতে ব্যবসায়ীদের বলেছে কর্তৃপক্ষ।

প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয় থেকে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন করা যাবে। পর্যায়ক্রমে শতভাগ অনলাইন আবেদন গ্রহণের ব্যবস্থাও চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন নিয়মে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করতে হবে।

পণ্যের প্যাকেটে থাকবে নিবন্ধন নম্বর

নতুন ব্যবস্থায় খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএর নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। এর ফলে উৎপাদক ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করা সহজ হবে। ভোক্তারাও পণ্যের প্যাকেট থেকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং অভিযোগের প্রয়োজনে নম্বরটি ব্যবহার করতে পারবেন।

তবে নিবন্ধন নম্বর থাকাই পণ্যের নিরাপত্তার চূড়ান্ত নিশ্চয়তা নয়। খাদ্যের মান বজায় রাখতে অন্যান্য প্রযোজ্য বিধিবিধানও অনুসরণ করতে হবে।

কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে খাদ্য ব্যবসাকে নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর আওতায় আনা, পণ্যের উৎপাদন ও বিপণনে স্বচ্ছতা বাড়ানো এবং ভোক্তাদের অভিযোগের ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত করা সহজ হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park