1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
রাজশাহীতে ঋণের চাপে কৃষকের আত্মহত্যা - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

রাজশাহীতে ঋণের চাপে কৃষকের আত্মহত্যা

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ১২৫ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ  প্রতিনিধি ,রাজশাহী :

রাজশাহীর মোহনপুরে পানের বরজ থেকে এক কৃষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবার ও পুলিশের ধারণা, ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে মানসিক চাপ থেকে তিনি ‘আত্মহত্যা’ করেছেন।

সোমবার সকালে মোহনপুর উপজেলার খাড়ইল গ্রামের একটি পান বরজ থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন মোহনপুর থানার ওসি আতাউর রহমান।

লাশ উদ্ধার হওয়া আকবর আলী শাহ (৫৫) ওই গ্রামের লুকমানের ছেলে। তিনি পান চাষের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পানের বরজের আয় থেকেই তার সংসার চলত।

তার বড় ছেলে সুমন হোসেন শাহ বলেন, প্রতিদিনের মত তার বাবা পান বরজ দেখাশোনার জন্য খুব ভোরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ছয়জন শ্রমিক নিয়ে তিনিও পান বরজে যান। সেখানে গিয়ে তার বাবাকে দেখতে পাননি।

খোঁজাখুজি করে পাশের আরেকটি পান বরজে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় বাবাকে দেখতে পান। পরে শ্রমিকদের সহযোগিতায় মৃতদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।

খবর পেয়ে পুলিশ বাড়িতে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায় বলে জানান তিনি।

সুমন আরও বলেন, তার বাবা বেশ কিছু ঋণ নিয়েছিলেন, কিন্তু এবার পানের দাম না পেয়ে ঋণ পরিশোধ করতে কষ্ট হচ্ছিলো। তা নিয়ে এনজিওগুলোর চাপে তার বাবা মানসিকভাবে অস্থিরতার মধ্যে ছিলেন।

ওসি আতাউর রহমান বলেন, আকবর আলী ও তার স্ত্রী সেলিনা বেগম বিভিন্ন এনজিওর সঙ্গে জড়িত। তাদের বাড়ি থেকে ১৩টি এনজিওর পাস বই পাওয়া গেছে।

বাড়ি ও পান বরজ নির্মাণের সময় এসব এনজিও থেকে তারা ঋণ নিয়েছিলেন, যার মধ্যে প্রায় সাত লাখ টাকা এখনো বকেয়া আছে।

তার বাড়ি থেকে পাস বই পাওয়া এনজিওগুলো হলো- প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র, গ্রামীণ প্রচেষ্টা, ব্র্যাক, রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক), প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি, শাপলা গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা, পল্লী মঙ্গল কর্মসূচি (পিএমকে), সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন এ্যান্ড প্র্যাকটিসেস (সিদীপ), আশা, গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক), ডাম ফাউন্ডেশন ফর ইকোনোমিক ডেভেলপমেন্ট (ডিএফইডি), ইকো-সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানইজেশন (ইএসডিও), ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার (ভার্ক)।

পরিবারের সদস্যদের বরাতে ওসি আরও বলেন, পানের দাম কমে যাওয়ায় ঋণের কিস্তি দিতে পারছিলেন না আকবর আলী শাহ। তা নিয়ে মানসিকভাবে চাপের মধ্যে ছিলেন। তা থেকেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে গত শুক্রবার রাজশাহীর মতিহার থানার বামনশিকড় গ্রামে মিনারুল ইসলামের (৩৫) বাড়ির দুইটি কক্ষ থেকে পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।

পুলিশ, স্বজন ও প্রতিবেশীদের প্রাথমিক ধারণা, ঋণের বোঝা আর কিস্তির চাপের কারণেই স্ত্রী মনিরা বেগম (২৮), ছেলে মাহিম (১৪) এবং মেয়ে মিথিলাকে (৩) হত্যার পর মিনারুল আত্মহত্যা করেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park