1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
মুক্তিযুদ্ধের ব্যানারে লুটপাট অনুসন্ধানে মন্ত্রণালয় ও কাউন্সিলে দুদকের অভিযান - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

মুক্তিযুদ্ধের ব্যানারে লুটপাট অনুসন্ধানে মন্ত্রণালয় ও কাউন্সিলে দুদকের অভিযান

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৭৬ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিবেদক:

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের নামে কোটি কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে গেজেটভুক্ত করতে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (২১ এপ্রিল) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে ওই অভিযান পরিচালনা করছে বলে জানা গেছে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত সময়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন প্রকল্পে ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে বেশি লুটপাট হয়েছে প্রচারণামূলক প্রকল্পে। এমন পাঁচটি প্রকল্প নিয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। যেখানে প্রায় ১৯০ কোটি টাকা সরাসরি খরচ করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের নামে। সভা-সেমিনার, স্কুল-কলেজ পরিদর্শন, টিভিসি, চলচ্চিত্র নির্মাণ, পত্রিকা-টেলিভিশনের বিজ্ঞাপন বাবদ ব্যয় করা হয়েছে ওই টাকা। নামকাওয়াস্তে প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে। সবচেয়ে বড় কৌশল হচ্ছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভা (একনেক) এড়াতে ৫০ কোটি টাকা করে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হতো। সাধারণত এডিপির আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত কোনো বিনিয়োগ প্রকল্প হলে সেই প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভার (একনেক) অনুমোদন নিতে হয় না। কুশীলবরা ওই সুযোগের অপব্যবহার করেছেন।

বিভিন্ন সূত্র বলছে, গত চার বছরে ৫০ কোটি টাকার নিচে এমন পাঁচটি প্রকল্প হাতে নেয় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সব প্রকল্পতেই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হিসেবে লেখা হয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন। এসব প্রকল্পের কাজ মন্ত্রী-সচিবের অভিপ্রায় অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা হয়।

অন্যদিকে ঘুষের বিনিময়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সনদপ্রতি ৫ লাখ পর্যন্ত নেওয়া হতো। ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সনদ-ভাতা বাতিল করে দেওয়া হতো। শুধু তাই নয়, ঘুষ না দিলে বিশেষ রাজনৈতিক ট্যাগও দেওয়া হতো বিগত ১৫ বছরে। এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে অনেকেই জড়িত ছিলেন। তারা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলকে (জামুকা) একটি গোষ্ঠী প্রভাব বিস্তার করেছে এতোদিন।

এর আগে গত ৫ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি স্থাপনাসমূহ সংরক্ষণ ও পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের নথি গায়েব করে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের এনফোর্সমেন্ট অভিযানও পরিচালনা দুদকের পৃথক আরও একটি টিম। অভিযান পরিচালনাকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করেছে বলে জানা গেছে। সংস্থাটির সহকারী পরিচালক কামিয়াব আফতাহি উন নবীর নেতৃত্বে একটি টিম এ বিষয়ে কাজ করছে বলে জানা গেছে।

জানাগেছে, আওয়ামীশাসনামলে প্রায় ৬০ হাজার জনের চাকরি হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা কোটায়। চাকরি প্রাপ্তদের অধিকাংশই আওয়ামীলীগগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। বিভিন্নভাবে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ তৈরি করে জমা দেওয়া হয়েছিল। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার চাপে ভুয়া সনদ অনুযায়ী জামুকার সুপারিশের পর গেজেট জারি করত তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ফলে সেই ভুয়া সনদ পরে প্রকৃত সনদ হয়ে যেত।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় সূত্র জানায়, সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে কর্মরত মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পাওয়া ৮৯ হাজার ২৩৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর তালিকা জমা পড়েছে। এর মধ্যে অনেকের মুক্তিযোদ্ধার সনদ খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিশেষত, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও পুলিশ বাহিনীতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেওয়ার সংখ্যা বেশি। নানা জাল-জালিয়াতির অভিযোগও আছে এসব চাকরিজীবীর অনেকের বিরুদ্ধে। গত ১৫ বছরে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় শুধু প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় ২৯ হাজার ৪৮৫ জন, পুলিশে ২৩ হাজার ৬৩ জন চাকরি পেয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park