1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সাড়ে ৬ হাজার মণ ধান লুটের অভিযোগ - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সাড়ে ৬ হাজার মণ ধান লুটের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২০১ বার পঠিত

কৃষি সংবাদ প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ :

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে কৃষকের জমির সাড়ে ৬ হাজার মণ বোরো ধান লুট ও কৃষককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে জেলা শহরের রথখলা এলাকার একটি অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী কৃষক পরিবারের সদস্যরা। কৃষক মাসুদ মিয়া (৪০), জমির হোসেন (৪৩), কাসুম আলী (৫৫) ও নায়েব আলী (৫০) সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে কৃষকরা বলেন, জেলার মিঠামইন উপজেলার হাওরে জমির মালিক আব্দুল হক নুরুর কাছ থেকে ৬৬ একর জমি বর্গা নিয়ে বোরো ধান চাষ করেন ১৩ জন কৃষক। জমির ধান পেকে ওঠায় কৃষকরা ধান কাটতে গেলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর বাধা দেন। পরে তার নেতৃত্বে জমির সাড়ে ৬ হাজার মণ ধান কেটে নিয়ে যান ও কৃষকদের মারধর করেন। মারধরে পাঁচজন গুরুতর আহত হন। তাদের মধ্যে একজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও ৩ জন শহীদ সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। বিএনপির সভাপতি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে থানা পুলিশের কাছে গিয়েও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে ভুক্তভোগী কৃষক পরিবারের সদস্যরা জানান।

তবে মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। যেহেতু আমি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, তাই জমির মালিক পক্ষ আমার কাছে কাগজপত্র নিয়ে এসেছিল। যারা সংবাদ সম্মেলন করেছে তারা কৃষকও না, জমির পত্তনও (বর্গা) নেয়নি। জমির মালিক হলো উজানের জিরাতিগণ। পত্তন নিয়েছে মিঠামইনের কৃষকরা। তারা তাদের ধান কেটে নিয়েছে।

মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিউল আলম জানান, ভুক্তভোগী কৃষকরা মৌখিকভাবে আমাকে জানালে আমি তাদেরকে বলেছিলাম পত্তনের কাগজপত্র নিয়ে আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য। কিন্তু পরে তারা কাগজপত্র নিয়ে আমার সঙ্গে দেখা করেনি। মারধরের বিষয়টিও আমার জানা নেই।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park