1. admin@krishisangbad.com : admin :
  2. siddique149096@bsdi-bd.org : md abu bakar siddique rasim : md abu bakar siddique rasim
নিত্যপণ্যের বাজারে চরম অস্থিরতা, মনিটরিং জোরদারের দাবি - কৃষি সংবাদ
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আইসিসিসিএডির সমঝোতা স্মারক সই দেশীয় মাছ সংরক্ষণ এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী প্রান্তিক খামারিদের স্বার্থে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ টুকুর ১১৭ টি ফিড মিলকে নোটিশ করেছে সরকার রাজধানীর সাত স্থানে ককটেল বিষ্ফোরণসহ বাসে আগুন নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সেবা বাড়ানোর তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর রফতানিমুখী কৃষিজ পণ্য উৎপাদনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তাগিদ টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার সৌদি আরব থেকে ১৯৪ কোটি টাকার ইউরিয়া আমদানির অনুমোদন

নিত্যপণ্যের বাজারে চরম অস্থিরতা, মনিটরিং জোরদারের দাবি

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১০২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নিত্যপণ্যের বাজারে চরম অস্থিরতা চলছে। প্রতিদিনই মাছ, মাংস ও শাক-সবজির দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। গত একদিনের ব্যবধানে সব ধরনের মুরগি, মাছ ও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। বাজারে নৈরাজ্য কারণ হিসেবে সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই দায়ী করছেন ভোক্তারা।

ভোক্তাদের দাবি গত কয়েকদিনে কাঁচাবাজারে সবজির দাম দ্বিগুণ হয়েছে। বেশিরভাগ সবজি ১০০ টাকার নিচে কেনা যাচ্ছে না। আর শীতকালীন সবজির দাম আকাশচুম্বী। অচিরেই বাজার নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ চান ভোক্তা সাধারণ।

রোববার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর শেওড়াপাড়া ও তালতলা বাজারে প্রতিনিধির সঙ্গে আলাপকালে এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভোক্তারা।

ক্রেতারা জানান, বাজারে কোনো পণ্যেরই দাম কমার কোনো সুখবর নেই। দু-দিন আগে পেঁয়াজ কিনলাম ১২০ টাকা কেজি। আজ ৫ টাকা বেড়ে ১২৫ টাকা দরে কিনতে হলো। ইলিশ ধরা বন্ধ হওয়ায় মাছের বাজারও চড়া রয়েছে।

মো. হোসেন এসেছেন তালতলা বাজারে, প্রতিদিন বাজার করে বাসায় নিয়ে গেলে পরিবারে মনোমালিন্য হয়। সংসারে চাহিদার সঙ্গে জোগান দিতে পারি না। প্রতিদিন যেভাবে দাম বাড়ছে আমাদের মতো নিম্নমধ্যবিত্তরা জীবন নিয়ে বেঁচে থাকাটাই দুরূহ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারলে বাজারের লাগাম টানা যাবে না বলে মনে করে শেওড়াপাড়া বাজারে বাজার করতে আসা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী আবুল কাশেম।

তিনি বলেন, বাজার সিন্ডিকেটের কারণে আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। দোকানিরা তাদের ইচ্ছেমতো পণ্যের দাম বাড়িয়ে অতি মুনাফা করছে। এই সব অসাধু ব্যবসায়ী বিরুদ্ধে সরকারের মনিটরিং জোরদার করতে হবে।

বাজার নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে অন্তর্বর্তী সরকারের সব সফলতা বিফলে যাবে বলে তিনি মনে করেন।

এদিকে রোববার রাজধানীর এসব বাজারে কাঁচা মরিচ ৪০০ টাকা, শীতকালীন সবজি শিম ৪৮০ টাকা এবং নতুন আলু ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। এসব বাজারে মাছ ও মুরগির দামও বেড়েছে।

রাজধানীর এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গ্রীষ্মকালীন সবজি কচুরমুখী ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুন প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা, পটল ১০০ টাকা, ঢেঁড়স ১০০ টাকা, বরবটি ১৪০ টাকায়, প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ধুন্দুল ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০০ টাকা, কচুর লতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঝিঙা ১২০ টাকা শসা ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ কেজিতে ৬০ টাকা বেড়ে ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, একদিনের ব্যবধান বাজারে সব ধরনের মুরগির দাম বেড়েছে। ব্রয়লার মুরগি ২১০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। একই সঙ্গে সোনালি মুরগি কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৩১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি হাইব্রিড ২৬০ টাকা, দেশি মুরগি ৫২০ টাকা, লেয়ার লাল মুরগি টাকা কমে ৩৩০ টাকা এবং সাদা লেয়ার ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে শীতকালীন সবজি সিম ৪৮০ টাকা কেজি, ফুলকপি ৬০ থেকে ৮০ টাকা পিস, বাঁধা কপি ছোট সাইজের ৮০ টাকা পিস, পাকা টমেটো প্রকারভেদে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, গাজর ১৮০ টাকা, মুলা ৮০ টাকা এবং জলপাই ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে লেবুর হালি ৩০ থেকে ৬০ টাকা, ধনে পাতা ৬০০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, চাল কুমড়া ৮০ টাকা পিস এবং মিষ্টি কুমড়া ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে লালশাক ২৫ টাকা আঁটি, লাউশাক ৫০ টাকা, মুলাশাক ২৫ টাকা, কলমিশাক ২০ টাকা, পুঁইশাক ৪০ টাকা এবং ডাটাশাক ৩০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজারগুলোতে একদিনের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ১২৫ টাকা, আদা ৩২০ টাকা, রসুন ২২০ টাকা, নতুন আলু ১২০ টাকা, বগুড়ার আলু ১০০ টাকা এবং পুরান আলু কেজি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা, গরুর কলিজা ৮০০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং খাসির মাংস কেজি প্রতি ১১৫০-১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ টাকায়, হাঁসের ডিম ২৩০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৯০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ থাকায় বাজারে সব ধরনের মাছের দাম বেড়েছে। এসব বাজারে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৪৫০ টাকায়, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৩৮০ থেকে ৫০০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে ১১০০ টাকা , মৃগেল ৩২০ থেকে ৪০০ টাকায়, চাষের পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৭০০ থেকে ১৪০০ টাকায়, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৮০০ টাকায়, কাতল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়, পোয়া মাছ ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২২০ টাকায়, কৈ মাছ ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়, মলা ৫৫০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাঁচকি মাছ ৫০০ টাকায়, পাঁচমিশালি মাছ ২২০ টাকায়, রুপচাঁদা ১২০০ টাকা, বাইম মাছ ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা, দেশিকই ১২০০ টাকা, শোল মাছ ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা, আইড় মাছ ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা, বেলে মাছ ৮০০ টাকা এবং কাকিলা মাছ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে ৫ কেজি সোয়াবিন তেল ৮১৮ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৪০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, মিনি কেট চাল ৭৫ থেকে ৮০ টাকা এবং নাজির সের ৭৫ থেকে ৮২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ কৃষি সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park